• ই-পেপার

পুরুষ আধিপত্যের শিকল ছিঁড়তে চান মরক্কোর নারী র‍্যাপার

অস্ট্রেলিয়া-ভানুয়াতুর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়া-ভানুয়াতুর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি : সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া ও ভানুয়াতু উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অন্যান্য দেশের বিনিয়োগে প্রভাব পড়তে পারে, এমন উদ্বেগের কারণে চুক্তিটি কয়েক মাস বিলম্বিত হয়েছিল।

চুক্তি অনুযায়ী, ভানুয়াতুর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিনিয়োগ করতে চাইলে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া দেশটির প্রধান নিরাপত্তা ও পুলিশি সহযোগী হিসেবে থাকবে। এই চুক্তির জন্য আগামী ১০ বছরে ৫০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেন, ভানুয়াতু তাদের ভূখণ্ডে কোনো বিদেশি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেবে না এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে দেবে না। চুক্তিটি গত সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরের কথা থাকলেও রাজনৈতিক উদ্বেগের কারণে তা পিছিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, চীন বর্তমানে ভানুয়াতুর সবচেয়ে বড় বিদেশি ঋণদাতা। চীনের অর্থায়নে দেশটিতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সংসদ ভবন এবং সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ হয়েছে। এদিকে, ভানুয়াতু চীনের সঙ্গে একটি নতুন অর্থনৈতিক চুক্তিরও চেষ্টা করছে। 

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোথাম নাপাত জানান, চুক্তিটি বর্তমানে বেইজিংয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, এই চুক্তিতে গোপন কিছু থাকবে না এবং প্রয়োজনে তা প্রকাশ করা হবে।

ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৫০০, চলছে শেষ মুহূর্তের উদ্ধার অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৫০০, চলছে শেষ মুহূর্তের উদ্ধার অভিযান
ছবি: রয়টার্স

ভেনেজুয়েলায় দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। উদ্ধারকারী দল ও প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত মানুষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৪৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রায় ২০০টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে।

রবিবার দেশটির রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরের শহর কারাবালেদায় ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন ব্যক্তি ও তার কিশোর ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা এই উদ্ধার কার্যক্রম চালান। ঘটনাটি উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রত্যক্ষ করেন। এই উদ্ধার চলমান বিপর্যয়ের মধ্যে কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত মানুষ খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময় (গোল্ডেন আওয়ার) ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

রবিবার ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার পরপর দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত ৭৭৪টি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৯টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে উপকূলীয় শহর লা গুয়ারায় হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা পরিবারের সদস্যদের খুঁজতে অনেকে খালি হাতে মাটি সরাচ্ছেন। এক বাসিন্দা হেক্টর আগুইলেরা বলেন, তাদের কাছে পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না এবং তারা একাই চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, তারা জানেন তাদের স্বজনরা আর বেঁচে নেই, তবুও শেষবারের মতো খোঁজ চালাচ্ছেন। 

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা জীবিত উদ্ধার অভিযানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এরপর উদ্ধার কাজ সাধারণত মরদেহ শনাক্ত ও উদ্ধারের দিকে চলে যায়। দেশটির রাজধানী কারাকাসে স্বেচ্ছাসেবকেরা ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে ড্রিল ও হাত দিয়ে কংক্রিট সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। অন্যদিকে সান বার্নারদিনো এলাকায় বড় স্ক্রিনে নিখোঁজ মানুষের ছবি প্রদর্শন করা হচ্ছে, যাতে স্বজনদের খুঁজে পাওয়া যায়। 

সরকার জানিয়েছে, এ ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন অন্তত ৩ হাজার ১৫০ জন। তবে উদ্ধারকাজ চললেও বিভিন্ন এলাকায় লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ফার্মেসি ও দোকানে হামলা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী লুট করা হচ্ছে। দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ উদ্ধারকর্মীদের প্রশংসা করে বলেছেন, জীবিত মানুষ উদ্ধারের কাজ এখনো চলছে এবং এটি বন্ধ করা হবে না। এ সময় তিনি সবাইকে আশা ধরে রাখার কথাও বলেন। 

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ত্রাণ পাঠাচ্ছে এবং আরো ২৩০ জন সেনা সদস্য উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে যোগ দিচ্ছেন। এর আগে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা ৫২১ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ৮৬টি বিশেষ উদ্ধার ইউনিট এবং ২ হাজার ৭০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী কাজ করছেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা দ্রুত কমে যাচ্ছে। এখন অনেক এলাকায় শুধু ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজই বেশি দেখা যাচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে ভৌত অবকাঠামোর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬৭০ কোটি ডলার, যা দেশের জিডিপির প্রায় ছয় শতাংশ। দেশটি আগে থেকেই দীর্ঘ অর্থনৈতিক সংকটে ছিল। এই দুর্যোগে হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ও সরকারি সেবাব্যবস্থা আরো দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে লাখ লাখ মানুষ জরুরি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে নির্বাসনে থাকা দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন। তিনি বলেন, এই সংকটের সময় সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে এবং একে অপরকে সহায়তা করতে হবে।

সম্প্রচারজনিত ভুল নিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানের জিও নিউজ

অনলাইন ডেস্ক
সম্প্রচারজনিত ভুল নিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানের জিও নিউজ
ছবি : রয়টার্স

পাকিস্তানের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজ মহররমের একটি তথ্যচিত্র সম্প্রচারের জন্য রবিবার প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এর এক দিন আগে পাকিস্তানের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা জিও নিউজের সম্প্রচার ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জিও নিউজ জানায়, ইসলামী চান্দ্র বছরের প্রথম মাস মহররম উপলক্ষে প্রচারিত ‘সফর-ই-ইশক’ অনুষ্ঠানের একটি অংশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সে কারণেই তারা ক্ষমা চেয়েছে। নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চ্যানেলটি জানায়, মহররমের ১০ তারিখে প্রচারিত অনুষ্ঠানের একটি বিষয় সম্পাদকীয় পর্যায়ের ভুলের কারণে সম্প্রচার হয়েছে। তারা সেই ভুল স্বীকার করছে এবং এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। জিও নিউজ আরো জানায়, ওই অনুষ্ঠানে ইরাক এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের একটি ছোট অংশের মানুষের পালন করা কিছু ধর্মীয় রীতি তুলে ধরা হয়েছিল। তবে ঠিক কোন ধর্মীয় রীতি দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

এদিকে পাকিস্তান ইলেকট্রনিক মিডিয়া রেগুলেটরি অথরিটি (পেমরা) জানিয়েছে, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংবেদনশীলতার বিষয় বিবেচনায় ওই ধরনের দৃশ্য সম্প্রচার করা গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। সংস্থাটি বলেছে, ওই অনুষ্ঠান দর্শকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে। পাশাপাশি এটি জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। পবিত্র মহররম মাসে পাকিস্তানে গণমাধ্যমের ওপর নজরদারি আরো কঠোর করা হয়েছে। তবে সম্প্রচার স্থগিতের সিদ্ধান্তে পেমরাও তথ্যচিত্রের বিতর্কিত অংশ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। ইরাকের শিয়া মুসলিমদের একটি অংশ ইসলামের প্রাথমিক দিকের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো স্মরণ করে নাটক, শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজন করে। এই প্রথাকে ‘তাজিয়া’ বলা হয়। তবে ইসলামের বৃহত্তম সুন্নি ধারার অনেক আলেম এই প্রথাকে সমর্থন করেন না এবং নিরুৎসাহিত করেন।

পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষ সুন্নি মুসলিম। দেশটির প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ শিয়া সম্প্রদায়ের। অতীতে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা নিয়ে কঠোর আইন রয়েছে। এসব আইনকে কেন্দ্র করে অতীতে বহুবার সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।
 

উইঘুর দমনের অভিযোগে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক
উইঘুর দমনের অভিযোগে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন
ছবি : রয়টার্স

বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেস (ডব্লিউইউসি) জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ আরো জোরালোভাবে তুলে ধরছে। সংগঠনটির সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলোতে তারা চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যা, জোরপূর্বক শ্রম এবং সীমান্ত পেরিয়ে উইঘুরদের দমন-পীড়নের অভিযোগ উত্থাপন করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেস এবং উইঘুর সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (ইউজেডডিএম) একটি প্রতিনিধিদল সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং অভিবাসীদের মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক গেহাদ মাদির সঙ্গে বৈঠক করেছে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেসের সভাপতি তুরগুনজান আলাউদুন, সহসভাপতি জুমরেতায় আরকিন এবং ইউজেডডিএমের সভাপতি দোলকুন ইসা। বৈঠকগুলোতে উইঘুরদের জোরপূর্বক গুম, সীমান্ত পেরিয়ে দমন-পীড়ন, বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া উইঘুর শরণার্থীদের অবস্থা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিনিধিদলটি তিব্বতি সংগঠনগুলোর আয়োজিত একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানেও অংশ নেয়। সেখানে তিব্বত, তাইওয়ান এবং অংশগ্রহণকারীদের ভাষায় আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে এক উন্মুক্ত সংলাপে বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেসের সহসভাপতি জুমরেতায় আরকিন বলেন, চীনের বিভিন্ন নীতির কারণে উইঘুর নারী ও পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, বিচার ছাড়া আটক, পরিবারের সদস্যদের আলাদা করে রাখা এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে অনেক মাকে জোর করে তাদের সন্তানদের থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেস আরো অভিযোগ করেছে, পুরো অধিবেশনজুড়ে চীনা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন তাদের প্রতিনিধিদের ওপর নজরদারি করেছে। তাদের ছবি তোলা হয়েছে এবং ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, এটি বিদেশে অবস্থানরত উইঘুর অধিকারকর্মীদের ভয়ভীতি দেখানোর একটি উদাহরণ।

এদিকে, উইঘুর হিউম্যান রাইটস প্রজেক্ট (ইউএইচআরপি) একটি নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, সরবরাহব্যবস্থায় নজরদারির দুর্বলতার কারণে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান এখনো উইঘুরদের জোরপূর্বক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত পণ্য আমদানির ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করছে। তবে অন্য কিছু দেশে নজরদারি দুর্বল থাকায় এসব পণ্যের জন্য নতুন বাজার তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, কানাডার মন্ট্রিয়ালে উইঘুর নারীদের অধিকার রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেসের নির্বাহী কমিটির চেয়ার রুশান আব্বাসকে ‘উইমেনস ইনিউজ চ্যাম্পিয়ন ফর হিউম্যান রাইটস ২০২৬’ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার গ্রহণের সময় রুশান আব্বাস তার বোন গুলশান আব্বাসের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৮ সাল থেকে তার বোনকে জোর করে গুম করে রাখা হয়েছে।
 

পুরুষ আধিপত্যের শিকল ছিঁড়তে চান মরক্কোর নারী র‍্যাপার | কালের কণ্ঠ