• ই-পেপার

মারা গেছেন সৌদি প্রিন্স বন্দর

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প ফিলিপাইনে

অনলাইন ডেস্ক
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্প ফিলিপাইনে

ফিলিপাইনের দক্ষিণ মিন্ডানাওয়ের দ্বীপ এলাকা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে ৬.৪ থেকে ৬.৭ মাত্রা ছিল ভূমিকম্পের। শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্স জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠের ২৯ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আপাতত বিরাট কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের কারণে ওই অঞ্চলে সুনামির সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, কয়েক সপ্তাহ আগেই দক্ষিণ ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন। এই প্রাকৃতিক ভয়াবহতার স্মৃতি উসকে ফের কেঁপে উঠল ফিলিপাইনে। দেশিটি প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির সক্রিয় অঞ্চল ‘প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ারে’র ওপর অবস্থিত। 

দেশটির ভৌগলিক অবস্থানের কারনেই ঘন ঘন ভূমিকম্প ও অগ্নুতপাতের মতো প্রাকৃতিক রোষানলের মুখে বেশি পড়তে হয় এই দেশের মানুষকে।

তীব্র দাবদাহ ছড়িয়ে পড়ায় উচ্চ সতর্কতা জারি ইউরোপজুড়ে

অনলাইন ডেস্ক
তীব্র দাবদাহ ছড়িয়ে পড়ায় উচ্চ সতর্কতা জারি ইউরোপজুড়ে
ছবি : রয়টার্স

বেশ কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ভয়ানকভাবে বেড়ে গেছে ইউরোপজুড়ে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে কোনো কোনো জায়গায়। শুক্রবার (২৬ জুন) তীব্র দাবদাহে প্রাণহানির আশঙ্কায় ইউরোপজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।  যার ফলে ফ্রান্সে মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হয় এবং জার্মানিতে রাস্তার উপরিভাগে ফাটল দেখা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেন ও ফ্রান্স থেকে শুরু করে জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া পর্যন্ত রেকর্ড-ভাঙা তাপপ্রবাহে পুড়ছিল ইউরোপ।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এই তাপপ্রবাহটি ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ। যেখানে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তিত হচ্ছে।

ফ্রান্স ও ব্রিটেনে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায় পেরিয়ে গেছে। যেখানে জুন মাসের রেকর্ড ভেঙে গেছে। ইতালিতে চলতি সপ্তাহের শেষে তাপ আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ফলে এই গ্রীষ্মের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১০৪ ফারেনহাইট) রেকর্ড করা হতে পারে।

ইউক্রেনের বন্দি ১৬০ সেনা সদস্যকে ফেরত দিল রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
ইউক্রেনের বন্দি ১৬০ সেনা সদস্যকে ফেরত দিল রাশিয়া
ছবি : ইউএটিভি

নতুন করে আবার বন্দি বিনিময় করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। নতুন বন্দি বিনিময়ে ১৬০ জন ইউক্রেনীয় সেনা সদস্য রুশ বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেছেন।  ২৬ জুন (শুক্রবার) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এটি মূলত একটি সমসংখ্যক বন্দি বিনিময় চুক্তি ছিল। যার অধীনে ইউক্রেনও ১৬০ জন রুশ সেনাকে রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে। 


 
মুক্ত হওয়া এই ইউক্রেনীয় সেনাদের সবাই ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার কাছে বন্দি ছিলেন। এরা সবাই ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস এবং স্টেট স্পেশাল ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের সদস্য ছিলেন।

এই যোদ্ধারা মারিউপোল, আজভস্তাল, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারকিভ, জাপোরিঝিয়া, কিয়েভ, চেরনিহিভ এবং সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করেছিলেন। এর মধ্যে ১১৫ জনই ছিলেন মারিউপোলের ডিফেন্ডার।

অন্যদিকে ইউক্রেনের কাছ থেকে ফেরত পাওয়া ১৬০ জন রুশ সেনাকে প্রথমে বেলারুশে নেওয়া হয়েছে। সেখানে রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনারের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক সহায়তা ও চিকিৎসা শেষে তাদের রাশিয়ায় পুনর্বাসনের জন্য পাঠানো হবে।

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনিজুয়েলায় উদ্ধারকাজ চলমান, নিহত বেড়ে ২০০

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনিজুয়েলায় উদ্ধারকাজ চলমান, নিহত বেড়ে ২০০
ছবি : রয়টার্স

ভেনিজুয়েলায় বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পের একদিন পরেও উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে। উপকূলীয় শহর লা গুয়াইরার ধ্বংসস্তূপের ভেতর থাকা প্রতিবেশীদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন সাধারণ জনগণ। পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২০০ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫২০ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সরকার।

এসময় স্থানীয় বাসিন্দা কার্লোস বোর্হেস বলেন, ‘আমরা সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করছি, কিন্তু সরঞ্জামের অভাব রয়েছে।  বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবন, কংক্রিটের স্ল্যাবের স্তূপ সরানোর জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে হতাশা ভ্যক্ত করেন তিনি।

গতকাল  বৃহস্পতিবার সকালে তার দল একটি ভবন থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে, যখন নিখোঁজ এক কিশোরের একক মা-সহ পরিবারের অন্যান্য উদ্বিগ্ন সদস্যরা ঘটনাস্থলে অপেক্ষা করছিলেন।

গেল বুধবার রাজধানী কারাকাস ও তার আশেপাশে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের তাণ্ডবে প্রাণহানির সংখ্যা ১০হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে।

ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কারণে রাজধানী কারাকাসের সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলাকে দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘দ্রুত, কার্যকর ও বড় পরিসরের’ মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে।

উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্গত এলাকায় জরুরি চিকিৎসা ও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে। 

মারা গেছেন সৌদি প্রিন্স বন্দর | কালের কণ্ঠ