• ই-পেপার

২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকার ফন্দি আঁটছেন পুতিন

করাচিতে রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সশস্ত্র হামলা, ৩ নিরাপত্তাকর্মীসহ নিহত ৭

অনলাইন ডেস্ক
করাচিতে রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সশস্ত্র হামলা, ৩ নিরাপত্তাকর্মীসহ নিহত ৭
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের করাচিতে সিন্ধু রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৩ নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪ হামলাকারীও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় করাচির পূর্বাঞ্চলের গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

সিন্ধু পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জাভেদ আলম ওধো জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরের প্রধান ফটকে আঘাত করে। এরপর কয়েকজন ভারি অস্ত্রধারী হামলাকারী সদর দপ্তরে ঢুকে পড়ে।

তবে এসময় বিস্ফোরণ ঘটেছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

এদিকে ঘটনার পর সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলি শাহ হামলার বিষয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়ে একটি বিবৃতি দেন। এতে বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

হামলার পর আশপাশের পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট (এসএসইউ), অ্যান্টি-টেররিস্ট ফোর্স এবং রেঞ্জার্স সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলার ঘটনা বেড়েছে।

ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর

 ভারতের দিল্লি, জম্মু, কাশ্মীরসহ উত্তর দিকে শাক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.২। এতে সাধারণ মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভূমিকম্পের উৎসস্থল আফগানিস্তান। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যে ৭টায় জোরাল ভূমিকম্পে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পার্বত্যাঞ্চল কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.২। 

জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান থেকে প্রায় ৮১ কিলোমিটার দূরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ২১৫ কিলোমিটার গভীরে। কম্পন অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীরসহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। 

ভূমিকম্পের পরই আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে আসে বহু মানুষ। বাইরে বেরিয়ে আসেন অফিসের কর্মীরাও। 

শনিবার ভারত ছাড়াও কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তান, চীন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান ও তুর্কমেনিস্তানেও।

পাকিস্তানে ফরাসি নারীকে ১২ বছর ধরে বন্দি রেখেছেন স্বামী, চালিয়েছেন নির্যাতন অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে ফরাসি নারীকে ১২ বছর ধরে বন্দি রেখেছেন স্বামী, চালিয়েছেন নির্যাতন অতঃপর...

পাকিস্তানে ১২ বছর ধরে ফরাসি স্ত্রী ও সন্তানদের বন্দি রেখে নির্যাতনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত এলাকা বারায়তে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাসি নাগরিক সিলভি ইয়াসমিনা নামের ওই মহিলা পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী অত্যন্ত হিংসাত্মক প্রকৃতির ছিলেন। তাদের নিয়মিত শারীরক ও নির্যাতন করতেন। ইয়াসমিনার এক ছেলে পালিয়ে পুলিশের কাছে সাহায্য চাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়ির ভেতরে ইয়াসমিনা এবং তাঁর সন্তানদের একটি সঙ্কীর্ণ ঘর থেকে উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। 

পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এরপর ইয়াসমিনা এবং তাঁর সন্তানদের পেশোয়ারের একটি নারী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা ফ্রান্সে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

৫৪ বছর বয়সি ইয়াসমিনা দাবি করেন, ২০০৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতি পাকিস্তানে আসার আগে বড় দুই সন্তানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন। 

ইয়াসমিনা জানান, পাকিস্তানে আসার পর বাইরের জগতের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগাযোগ ছিল না। এরপর ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে পাকিস্তানে আসার পর স্বামী তাঁদের কার্যত বন্দি করে রেখেছিলেন। 

বিবিসি উর্দুকে পাক পুলিশের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, ‌ফরাসি নারীকে কারো সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হত না। তাঁদের বড় দুই সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং ছোট তিন সন্তানের জন্ম পাকিস্তানেই হয়েছিল। তাদের কখনো স্কুলে ভর্তি করানো হয়নি।’

এদিকে পুলিশ আটক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ না করলেও তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে জানা গেছে। 

ইয়াসমিনার সঙ্গে যখন তাঁর পরিচয় হয়, তখন তিনি অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে ইয়াসমিনা দীর্ঘ দিনের কষ্টের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। স্বামী এবং সন্তানদের বাবা হিসাবে আমার স্বামীর আমাদের যেভাবে দেখাশোনা করা উচিত ছিল, তিনি তা করেননি। তিনি আমাদের মারধর করতেন এবং প্রতিনিয়ত আমাদের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতেন।’ 

‘আমার মনে হয়েছিল আমার ভবিষ্যৎ তো ধ্বংস হয়েই গিয়েছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে যোগ করে এই ফরাসি নারী।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে শুধু একটি দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো। বিশেষ করে মোংলা বন্দর, তিস্তা প্রকল্প, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডর এবং সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কৌশলগত উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ চীনের দিকে ক্রমে ঝুঁকছে বলে মনে করছেন ভারতীয় বিশ্লেষকরা। আর এভাবে ঢাকা-বেইজিংয়ের সম্পর্কের আরো উন্নতি হলে ভারতের ঐতিহ্যগত প্রভাব বলয়ের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও অভিমত তাদের।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ও চীন। জমিটি আগে ভারতের জন্য বরাদ্দ থাকলেও ২০২৫ সালে সেটি বাতিল করে দেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমটির মতে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে চীনের এই বিনিয়োগ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে বেইজিংয়ের কৌশলগত উপস্থিতি আরো শক্তিশালী করতে পারে। পাকিস্তানের গোয়াদর থেকে আফ্রিকার জিবুতি পর্যন্ত চীনের বন্দর বিনিয়োগের ধারাবাহিকতায় মোংলাও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে বলে জানেয়েছেন তারা।

এ বিষয়টি নিয়ে আরো সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? এটি শুধু একটি অর্থনৈতিক প্রকল্প হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা নয়; বরং ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি চীনের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির পথ খুলে দেওয়া।

চীনের বাণিজ্যিক বিনিয়োগ সামরিক উপস্থিতিতে রূপ নেবে—এমন প্রমাণ না থাকলেও অতীতে বিদেশি বন্দরে বিনিয়োগকে গোয়েন্দা ও নজরদারি কার্যক্রমে ব্যবহার করার নজির রয়েছে বলেও জানায় ইন্ডিয়া টুডে।

চীন সফরে তারেক রহমান তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বেইজিংয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রায় সব ভারতীয় গণমাধ্যমই তুলে ধরেছে। দেশটির অন্যতম প্রভাশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু বলছে, তিস্তা নদী নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের বিরোধ দীর্ঘদিনের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা সরকার ভারতের সঙ্গে সমঝোতার পথ খুঁজলেও বর্তমান সরকার অপেক্ষা না করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিতে চায়। তিস্তা মহাপরিকল্পনায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি নদী খনন, জলাধার নির্মাণ, ভাঙনরোধ এবং নদীকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট লিখেছে, তিস্তা প্রকল্প ভারতের কাছে সংবেদনশীল, কারণ নদীটি পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর অবস্থান শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’-এর খুব কাছাকাছি। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল সংযোগ এই করিডর। ফলে সেখানে চীনের যেকোনো ধরনের উপস্থিতি নয়াদিল্লির উদ্বেগের কারণ।

তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তিস্তা প্রকল্প কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতাকে বাইরের প্রভাবমুক্ত রাখা উচিত।

  • ১৩ সমঝোতা স্মারক

চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীন ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন। আর এ সমঝোতার বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে এনডিটিভি এবং ইন্ডিয়া টুডে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর উভয় দেশ চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে চীন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও হয়েছে আলোচনা। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, এটি মূল বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মায়ানমার (বিসিআইএম) করিডরের একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, যেটি আগে বাস্তবায়িত হয়নি।

  • বেইজিং-ঢাকা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪টি চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। আর এটি বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের পর এই মডেলের দ্বিতীয় বিদেশি ব্যবহারকারী হবে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া ‘টু প্লাস টু’ সংলাপের আওতায় দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত আলোচনার বিষয়ে নীতিগত সমঝোতার কথাও উঠে এসেছে দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলেছেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সমর্থন দেয় এবং ‘বিদেশি হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাখ্যান করে। এই বক্তব্যকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো।

ভারতের আউটলুক ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লির উদ্বেগের মূল কারণ অর্থনীতি নয়, বরং ভূগোল ও নিরাপত্তা। এতে বলা হয়েছে, মোংলা বন্দর, তিস্তা অববাহিকা এবং লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিকে ঘিরে সম্ভাব্য চীনা সম্পৃক্ততা ভারতের নিরাপত্তা কৌশলের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকার ফন্দি আঁটছেন পুতিন | কালের কণ্ঠ