• ই-পেপার

ঈদে আফগানিস্তানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি : রয়টার্স

ভারতের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করার যেকোনো বাহ্যিক চেষ্টা বা ‘নিষেধাজ্ঞার হুমকি’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উল্টো হিতে বিপরীত বা ‘বুমেরাং’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ভারতকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি এই মন্তব্য করেন। দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বার্ষিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিন এই কথা বলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বার্তা সংস্থাগুলোর প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময়েও তিনি প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি তাৎক্ষণিকভাবে বুমেরাং হয়ে ধেয়ে আসবে।’

প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পুতিন অতীতে নরেন্দ্র মোদির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্মরণ করেন।

পুতিন বলেন, ‘আমি জানি প্রধানমন্ত্রী মোদি কখনোই সেই বিষয়টি ভুলে যাবেন না। তবে আজ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তার ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। যতটুকু আমি বুঝি, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক বেশ সফলভাবেই এগিয়ে চলেছে।’

রাশিয়ার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ কিংবা শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৫০০ ক্রয় করলে ভারতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে পুতিন স্পষ্ট জানান, নয়াদিল্লি কোনো বাহ্যিক চাপে মাথা নত করবে না।

পুতিন বলেন, ‘ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। যে পণ্যটি তাদের কাছে সবচেয়ে আধুনিক, উপযোগী ও সাশ্রয়ী মনে হবে, সেটি বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। লোকে কে কী বলল বা ভাবল, তাতে ভারতের কিছু যায় আসে না। তারা সবসময় এভাবেই কাজ করে এসেছে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, অন্যান্য অংশীদারদের মতো ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কও কোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউ ডিক্টেশন দিতে (হুকুম চালাতে) পারে না... কেউ আমাদের ওপর হুকুম চালানোর সাহসও করবে না। আমরা যা সঠিক মনে করি, সবসময় তা-ই করব। বিশেষ করে ভারতের মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমরা সবসময় রক্ষা করব।’

ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে পুতিন বলেন, এই সম্পর্ক কেবল সাধারণ বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

রাশিয়া ও ভারত শুধু পণ্য কেনাবেচা করে না, বরং যৌথভাবে গবেষণা ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করে। দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা মিলে ইতিমধ্যেই মাঝারি পাল্লার ‘ব্রাহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছেন।

পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ প্রসঙ্গে পুতিন জানান, রাশিয়া প্রথমে যৌথভাবে এটি তৈরির প্রস্তাব দিলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাশিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতেই এটি তৈরি করেছে। পুতিন দাবি করেন, ‘সুখই-৫৭ অত্যন্ত চমৎকার একটি যুদ্ধবিমান, সম্ভবত এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার জেট। আমরা এটি ভারতের কাছে বিক্রি করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

কয়েক দশক ধরে রাশিয়াই ভারতের প্রধান সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী দেশ। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটা এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব হওয়ার কারণে নয়াদিল্লি বর্তমানে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে এবং বিকল্প উৎসের সন্ধানে জোর দিচ্ছে।

ভারত তার নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য এএমসিএ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসের বৃহত্তম দেশীয় মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রকল্প।

ভারতের নিজস্ব ‘এএমসিএ’ যুদ্ধবিমান ২০৩৫ সালের আগে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে (আইএএফ) যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই অন্তর্বর্তীকালীন শূন্যতা পূরণে এবং বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে ভারত সরকার রাশিয়ার কাছ থেকে অন্তত দুই স্কোয়াড্রন (প্রায় ৩৬টি) সুখই-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার কথা বিবেচনা করছে, যদি সেগুলো ভারতের সব কারিগরি শর্ত পূরণ করতে পারে।

রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা

অনলাইন ডেস্ক
রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা

ব্রিটিশ রাজকুমারী অ্যানের পুত্র পিটার ফিলিপসের বিয়েতে অংশ নিয়েছেন রাজা চার্লস ও ব্রিটেনের জ্যেষ্ঠ রাজপরিবারের সদস্যরা। শনিবার (৬ জুন) দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সাইরেন্সেস্টারের কাছে কেম্বলের অল সেন্টস চার্চে এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে এই রাজকীয় বিয়ের আয়োজন করা হয়।

বিয়েতে বর পিটারের মা রাজকুমারী অ্যান, তার স্বামী টিমোথি লরেন্স ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজা চার্লস, রানি ক্যামিলা এবং সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন। এ ছাড়া প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই কন্যা রাজকুমারী ইউজেনি ও বিয়াট্রিসসহ রাজপরিবারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও এই আনন্দঘন মুহূর্তে যোগ দেন।

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জ্যেষ্ঠ নাতি পিটার ফিলিপস বর্তমানে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় ১৯তম স্থানে রয়েছেন। তবে তিনি রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন না; পেশাগত জীবনে তিনি একজন ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন। অন্যদিকে, কনে হ্যারিয়েট স্পার্লিং পেশায় একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নার্স।

এটি পিটার ফিলিপসের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে অটাম কেলির সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হয়।

সূত্র : রয়টার্স

ইউরোপে অবৈধ অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপে অবৈধ অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষোভ
ছবি : রয়টার্স

ফ্রান্সে ঐতিহাসিক ডি-ডে বা নরম্যান্ডি অবতরণের ৮২তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে ইউরোপের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের উপকূলে এক ধরনের আক্রমণ বা অনুপ্রবেশ ঘটতে দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

১৯৪৪ সালে নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে ইউরোপকে মুক্ত করতে মিত্রবাহিনীর ঐতিহাসিক অভিযানের স্মৃতিচারণ করে নরম্যান্ডিতে দাঁড়িয়ে হেগসেথ বলেন, আজ দুঃখজনকভাবে স্পেন, ইতালি, গ্রিস ও বুলগেরিয়ার সৈকতগুলো বিপজ্জনক মতাদর্শ, নৌকা ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। ইউরোপের রাজধানীগুলো এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কবে পদক্ষেপ নেবে, সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, বহু কষ্টে অর্জিত স্বাধীনতা নিয়ে ইউরোপ অতিরিক্ত আরামদায়ক অবস্থানে চলে গেছে।

হেগসেথের এই বক্তব্য মূলত ইউরোপীয় অভিবাসন নীতি নিয়ে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানেরই একটি বড় অংশ। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জাতিসংঘে সতর্ক করেছিলেন যে, ‘অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের’ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো ‘নরকের দিকে যাচ্ছে’। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান ধারা চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে ইউরোপ পুরোপুরি বদলে যাবে এবং সভ্যতা বিলুপ্তির মুখে পড়বে।

গত শুক্রবার (২৯ মে) মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যুক্তরাজ্যে এক ব্রিটিশ ছাত্রের মৃত্যুর জন্য অভিবাসীদের ব্যাপক অনুপ্রবেশকে দায়ী করে বক্তব্য দেন। যদিও যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস নিশ্চিত করেছে যে, ওই ঘটনার হামলাকারী জন্মসূত্রে একজন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। 

বর্তমানে ইউরোপ জুড়ে অভিবাসন একটি প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং কঠোর অভিবাসন নীতি সমর্থনকারী দলগুলোর জনসমর্থনও দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সমুদ্রপথে ইউরোপে রেকর্ড ১০ লক্ষাধিক মানুষের আগমন ঘটেছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ জুনের মধ্যে ৯,১৪২ জন ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে গেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৮% কম।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন প্রশাসনের এই ঢালাও সমালোচনাকে ঠিক নয় বলে প্রত্যাখ্যান করলেও, ছোট নৌকায় অবৈধভাবে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার বিষয়টিকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন অভ্যন্তরীণভাবেও অভিবাসন-বিরোধী নীতিকে তাদের প্রধান স্তম্ভ বানিয়েছে, যার অংশ হিসেবে গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে।

সূত্র : বিবিসি

নিউজিল্যান্ডের রাজধানীতে ট্রেন লাইনচ্যুত, আহত ৬

অনলাইন ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের রাজধানীতে ট্রেন লাইনচ্যুত, আহত ৬
সংগৃহীত ছবি

নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় শহরের উপকণ্ঠে খান্দাল্লাহ স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের

পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল, অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ওয়েলিংটন ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা জানিয়েছে, ট্রেনের সব যাত্রীকে নিরাপদে নামানো হয়েছে। আহত ৬ জনের মধ্যে কারো আঘাত হালকা, আবার কারো আঘাত গুরুতর। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ওয়েলিংটন সিটি কাউন্সিলের সদস্য ডায়ান ক্যালভার্ট বলেন, দুর্ঘটনার সময় তিনি একটি ‘হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণের মতো শব্দ’ শুনতে পান।

ঘটনাস্থলে থাকা এক সংবাদকর্মী জানান, দুর্ঘটনার ফলে ট্রেনটির বগিগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু বগি বেঁকে গেছে এবং লাইন থেকে ছিটকে পড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করতে কাজ করছেন।

দুর্ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। সেখানে একাধিক অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের গাড়ি মোতায়েন করা হয়, যাতে উদ্ধারকাজ নির্বিঘ্নে চালানো যায়।

ট্রেন লাইনচ্যুতের কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঈদে আফগানিস্তানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা | কালের কণ্ঠ