• ই-পেপার

বোমা হামলার হুমকি, লন্ডনে অবতরণ করল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান

পশ্চিম তীরে দুই ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিম তীরে দুই ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা
ছবি : রয়টার্স

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সৈন্যরা দুই ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা সোমবার এই খবর জানিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ওই দুইজন পেট্রোল বোমা ও জ্বলন্ত টায়ার দিয়ে নিকটবর্তী একটি ইহুদি বসতিতে হামলা চালিয়েছিল।

বেইত উম্মার এলাকায় এই প্রাণঘাতী ঘটনা সম্পর্কে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, নিহত কিশোরদের বয়স ছিল ১৫ ও ১৯ বছর এবং তাদের এক আত্মীয় রয়টার্সকে তাদের বয়স নিশ্চিত করেছেন।রয়টার্স ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। 

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বাহিনী কারমেই সুর বসতির কাছে পেট্রোল বোমা ও জ্বলন্ত টায়ার নিক্ষেপকারী তিনজনের ওপর গুলি চালিয়েছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহত তিনজনের মধ্যে একজন আহত এবং দুজন নিহত হয়েছে। ওয়াফা জানিয়েছে, তৃতীয় ব্যক্তি স্থিতিশীল অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস) জানিয়েছে, তার বয়স ১৫ বছর।

ইসরায়েলি সেনারা পশ্চিম তীরে ঘন ঘন অভিযান চালায় এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বসতির কাছাকাছি অবস্থিত ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোর ওপর চলাচলের বিধিনিষেধ আরো কঠোর করেছে।

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং বেশিরভাগ দেশ ইসরায়েলের বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে একটি প্রধান বাধা হিসেবে দেখে। তবে ইসরায়েল অঞ্চলটিকে দখলকৃত না বলে বিতর্কিত হিসেবে দেখে। তাদের দাবি, সেখানে হাজার হাজার বছর ধরে ইহুদিদের উপস্থিতি রয়েছে।

ফিলিস্তিনি এবং তাদের গ্রামগুলোর ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলাও তীব্রভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বসতি স্থাপনকারী এবং সেনাবাহিনীর জড়িত থাকা ঘটনাগুলোতে বছরের শুরু থেকে অন্তত ৫৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের মতে, ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে ২০২৬ সালের অন্তত একটি হামলা প্রাণঘাতী ছিল।
 

আসক্তি পর্নোগ্রাফিতে, ১২ বছরের কিশোর ধর্ষণ করল নয় মাসের শিশুকে

অনলাইন ডেস্ক
আসক্তি পর্নোগ্রাফিতে, ১২ বছরের কিশোর ধর্ষণ করল নয় মাসের শিশুকে
সংগৃহীত ছবি

প্রযুক্তি বদলে দিয়েছে গোটা দুনিয়াকেই। কিন্তু প্রযুক্তির সহজলভ্যতা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামীও করছে। প্রযুক্তির নেতিবাচক ব্যবহারের নির্মম এক উদাহরন তৈরি হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে। মাত্র ১২ বছর বয়সী এক কিশোর মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। তারপর মাত্র ৯ মাস বয়সী এক শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণ করে।

ঘটনাটি শুক্রবার রাতের। ভুক্তভোগী শিশুটি মায়ের পাশেই শুয়ে ছিল। মায়ের ঘুমের সুযোগে ১২ বছর বয়সী কিশোরটি তাকে তুলে নিয়ে যায়। অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীর পরিবারের আত্মীয়। দিন তিনেক আগে সে চন্ডিগড় থেকে গোরখপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। শুক্রবার রাতে সে প্রথমে মদ্পান করে। পরে সে তার মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। এরপর সে শিশুটিকে তুলে নিয়ে যায় ও পাশের একটি টিনশেড ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করে।

শিশুটিকে না পেয়ে শুক্রবার রাত থেকেই পরিবারের সবাই তাকে খুঁজতে শুরু করেন। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে একটি টিনশেড ভবনে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি তখন ব্যথায় কাতরাচ্ছিল। দ্রুত তাকে স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়। কিন্তু অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে বিআরডি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

শিশুটির বাবা-মা, দাদা-দাদিসহ স্বজনদের সাথে কথা পুলিশ রবিবার সন্দেহভাজন হিসেবে ১২ বছর বয়সী কিশোরকে আটক করে। প্রথমে সে স্বীকার না করে উল্টাপাল্টা কথা বলে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। পুলিশ তার মোবাইল ফোন থেকে অন্তত ৫০টি পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট এবং ১০০টি পর্নগ্রাফিক ওয়েবসাইট সার্চ করার ইতিহাস খুঁজে পেয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক আইনমন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক আইনমন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৪ সালের ব্যর্থ সামরিক আইন ঘোষণার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী পার্ক সুং-জেকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার সিউলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিতর্কিত সামরিক আইন ঘোষণার ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।

ইয়োনহাপ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালত পার্ককে বিদ্রোহে অংশ নেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে। মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের স্বল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারির চেষ্টা ঘিরে এই এই বিদ্রোহের অভিযোগ আসে। 

২০২৪ সালের ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় দেশটিতে বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়। গভীর রাতে সামরিক আইন ঘোষণা করা হলেও তা মাত্র প্রায় ছয় ঘণ্টা কার্যকর ছিল। এরপরই পার্লামেন্টে জরুরি অধিবেশন ডেকে আইনটি বাতিল করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, এই সামরিক আইন কার্যকরের পরিকল্পনায় পার্ক সুং-জে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আদালতে বলা হয়, সামরিক আইন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি বিচার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে সম্ভাব্য গ্রেপ্তার ও আটক ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা হয়। 

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আইনমন্ত্রী হিসেবে পার্ক এমনভাবে কাজ করছিলেন যেন সামরিক আইন দীর্ঘ সময় চালু থাকবে। সেই ধারণা থেকেই তিনি প্রশাসনিক পর্যায়ে সহযোগিতার নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা পার্কের জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। এই রায়ের ফলে ব্যর্থ সামরিক আইন ঘিরে দায়ী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তালিকা আরো দীর্ঘ হলো।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল এর আগে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে আটক অবস্থায় আছেন এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করছেন। চলতি মাসেই আলাদা এক মামলায় তাকে আরো ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই মামলায় অভিযোগ ছিল, উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠিয়ে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করেছিলেন, যাতে সামরিক আইন জারির পক্ষে যুক্তি দাঁড় করানো যায়।

ইউনের ঘনিষ্ঠ আরো কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পেয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু বর্তমানে ১৫ বছরের সাজা ভোগ করছেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনকে দেওয়া হয়েছে নয় বছরের কারাদণ্ড। গত সপ্তাহে সাবেক এক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে গোপন সামরিক তথ্য ফাঁসের দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কন হি আলাদা মামলায় চার বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

২০২৪ সালের ব্যর্থ সামরিক আইন ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। তখন দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, প্রশাসনিক স্থবিরতা তৈরি হয় এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোও সেই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে।

কঙ্গোয় ইবোলায় আক্রান্ত এক হাজার ছাড়াল, ঝুঁকিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক
কঙ্গোয় ইবোলায় আক্রান্ত এক হাজার ছাড়াল, ঝুঁকিতে স্বাস্থ্যকর্মীরা
ছবি: রয়টার্স

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে অনেক স্বাস্থ্যকর্মীও সংক্রমিত হচ্ছেন। এতে রোগটি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা আরো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ইবোলা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অন্তত ৭৮ জন সংক্রমিত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন মারা গেছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ স্বাস্থ্যকর্মী ‘বিশেষ’ ইবোলা চিকিৎসাকেন্দ্রে নয়, বরং সাধারণ হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কাজ করার সময় সংক্রমিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মেডিক্যাল সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কর্পসের কঙ্গো শাখার চিকিৎসা প্রধান আবদু সেবুশিশে জানান, আক্রান্ত সব স্বাস্থ্যকর্মীর সংক্রমণ ঘটেছে চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে। তার মতে, রোগটি শুরুতে সাধারণ অসুখের মতো মনে হওয়ায় অনেক সময় ইবোলা শনাক্ত হতে দেরি হয়।

ইবোলার বান্ডিবুগিও ধরন শুরুতে ম্যালেরিয়া বা সাধারণ জ্বরের মতো উপসর্গ দেখায়। ফলে রোগী ও চিকিৎসক উভয়পক্ষই শুরুতে বুঝতে পারে না এটি ইবোলা। এই সময়েই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দুর্বল ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব, প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং হাসপাতালগুলোর দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতি আরো খারাপ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে বলেছে, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিকমতো না থাকলে ইবোলা আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, রোগটির প্রাথমিক লক্ষণ অস্পষ্ট হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। 

কঙ্গো সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ৩ জন নিশ্চিত ইবোলা রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ২৫৪ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ইতুরি প্রদেশে। মোট আক্রান্তের ৯০ শতাংশের বেশি এই অঞ্চলেই পাওয়া গেছে। এই এলাকায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ দ্রুত বাড়ছে। অনেক চিকিৎসাকেন্দ্র ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী নিয়ে কাজ করছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ইতুরি অঞ্চলে সরকার বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালু করেছে। পাশাপাশি পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং নতুন করে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি এখনো জটিল। সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা মানুষের মধ্যে নজরদারিতে রাখা সম্ভব হয়েছে মাত্র ৫৮ শতাংশকে। কয়েক দিন আগেও এই হার ৭০ শতাংশের বেশি ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় রোগীর গতিবিধি চিহ্নিত করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার আফ্রিকা অঞ্চলের জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের প্রধান মারি রোজেলিন বেলিজেয়ার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এখনো পূর্ণ প্রস্তুতির পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তিনি পরিস্থিতির অগ্রগতিকে ১০-এর মধ্যে তিন বা চার হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি আরো জানান, সামগ্রিকভাবে প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করার জন্য রোগী, তাদের পরিবার এবং নজরদারিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সব বাধা সত্ত্বেও কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তুলনায় এখন বেশি রোগী সুস্থ হয়ে ফিরছেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।

জুন মাসে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও আফ্রিকান দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রায় ৯১ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসতে আরো কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। 

বোমা হামলার হুমকি, লন্ডনে অবতরণ করল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান | কালের কণ্ঠ