বিশ্বকাপের রাউন্ড ১৬-এর ম্যাচের আগে নরওয়ের সমর্থকদের মনে বড় দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ের পর, দলের প্রধান তারকা খেলোয়াড়দের তীব্র শারীরিক ক্লান্তি ও দীর্ঘস্থায়ী ধকল ঠিক হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ব্রাজিল ম্যাচের আগে পুরোপুরি ধকল কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা এই নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ৮৬তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করার পর স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড নিজেই স্বীকার করেন তিনি ‘অনেক ক্লান্ত’ এবং ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে তার পক্ষে খেলা অসম্ভব হতো।
হালান্ড এবং অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের মতো আরো অনেক খেলোয়াড়ই গেল মৌসুমে ক্লাবে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। এর ফলে তাদের শরীরে এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী ধকল তৈরি হয়েছে, যা মাত্র কয়েক দিনে পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। এমনটি চিন্তা করে ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের শেষ গ্রুপ ম্যাচে একাদশের দশজন খেলোয়াড়কেই বিশ্রাম দিয়েছিল কোচ।
তবে নরওয়ের প্রধান কোচ স্টালে সোলবাকেন বলেছেন, ফ্রান্স ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হালান্ড প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিলেন, যা ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে নরওয়ের সমর্থকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউএই প্রো লিগের ক্লাব আল নাসরের চিকিৎসক ডম রে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে এসে খেলোয়াড়দের জমানো দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ৫ দিনে দূর করা অসম্ভব হলেও, সঠিক বিশ্রামের মাধ্যমে ম্যাচের দিন মাঠে নামার আগে তাদের উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চনমনে করে তোলা সম্ভব।
তবে শারীরিক ধকলের সর্বোচ্চ ক্লান্তি সাধারণত ম্যাচ শেষের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার থাকে। যা ৯৬ ঘণ্টা পর অর্থাৎ পঞ্চম দিনে মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে বলে যোগ করেন তিনি।
রবিবার (৫ জুলাই) শেষ ১৬-র এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।




