আচমকা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টেস্টে অবসরের ঘোষণা দেন ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিজের শেষ ম্যাচটি রয়ে গেল হতাশার। ট্রেন্ট ব্রিজে নিউজিল্যান্ডের কাছে ১৬০ রানে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারল স্বাগতিকরা।
পঞ্চম দিনে ৩৭৩ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১২ রানে গুটিয়ে যায় ইংলিশরা। ফলে ২০টি সিরিজের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের এটি চতুর্থ টেস্ট সিরিজ জয়। একই সঙ্গে ২০১২ সালের পর ইংল্যান্ডে তিন বা তার বেশি ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এটিই তাদের প্রথম ঘরের মাঠের সিরিজ হার।
আরো পড়ুন
অলিম্পিকে ক্রিকেটের দল বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত, সরাসরি সুযোগ পেল চার দল
শেষ দিনে চোটে জর্জরিত নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে দারুণভাবে সহায়তা করে ফিল্ডাররা। হেনরি নিকোলসের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন জো রুট, আর মিচেল স্যান্টনারের দুর্দান্ত থ্রোতে বিদায় নেন জশ টং। পরে বাঁহাতি স্পিনার স্যান্টনারই জেমি স্মিথকে (৬০) নাথান স্মিথের ক্যাচ বানিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন।
প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ৪৩৮ রান তোলে। ডেভন কনওয়ে ১৫৭ এবং টম ল্যাথাম ১৫১ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ইংল্যান্ডের হয়ে বেন স্টোকস নেন ৪ উইকেট।
আরো পড়ুন
মেক্সিকোর মন্তেরেইকে উৎসবের শহর বানিয়েছে মরক্কোর সমর্থকরা
জবাবে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৩৫৪ রান করে। বেন ডাকেটের ১১৩, জ্যাকব বেথেলের ৭৪ এবং হ্যারি ব্রুকের ৫৮ রান সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ে তারা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে নাথান স্মিথ নেন ৪ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৮৮ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। অপরাজিত শতক হাঁকান ড্যারিল মিচেল (১০০*), আর ৯৪ রান করেন রাচিন রবীন্দ্র। ইংল্যান্ডের পক্ষে জফরা আর্চার শিকার করেন ৪ উইকেট।
আরো পড়ুন
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্ণধার কাব্য মারানকে নিয়ে চাউর হয়েছে যে গুঞ্জন
এরপর ৩৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ২১২ রানেই অলআউট হয়ে যায়। জেমি স্মিথের ৬০ রান ছাড়া আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। নিউজিল্যান্ডের হয়ে জ্যাক ফোকস নেন ৩ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড – ৪৩৮ ও ২৮৮/৯ (ঘোষিত)
ডেভন কনওয়ে ১৫৭, টম ল্যাথাম ১৫১, ড্যারিল মিচেল ১০০*, রাচিন রবীন্দ্র ৯৪
ইংল্যান্ড – ৩৫৪ ও ২১২
বেন ডাকেট ১১৩, জ্যাকব বেথেল ৭৪, জেমি স্মিথ ৬০
ফল : নিউজিল্যান্ড ১৬০ রানে জয়ী।
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ নিউজিল্যান্ড জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।