• ই-পেপার

দেখে নিন আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ

মেসি জাদুতে লিড নিল আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি জাদুতে লিড নিল আর্জেন্টিনা
গোল করার পর দু হাত ছড়িয়ে মেসির উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচের শুরুটাই হলো নাটকীয়তায়। গোল পেল আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া দু দলই। তবে দুদলের কারোই উদযাপন পূর্ণতা পেল না। পাবে কি করে? অফসাইডের কারণে যে দুটি গোলই বাতিল হয়েছে।

লিওনেল মেসির বিপরীতে তাই আলজেরিয়ার ফরোয়ার্ড ফারেস চাইবির আনন্দটাও মাটি। তবে ১৭ মিনিটে ঠিকই পাখির মতো ডানা মেলে উড়ার আনন্দটা পেলেন মেসি। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান চেষ্টা করলেও প্রতিহত করতে পারেনি বলটিতে পাওয়ার বেশি থাকায়।

এবারের বিশ্বকাপের প্রথম গোলে কিলিয়ান এমবাপ্পের কীর্তিতে ভাগ বসালেন মেসি। কয়েক ঘণ্টা আগেই আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় তিনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এমবাপ্পে। এবার ফরাসি অধিনায়ককে ছুঁয়ে ফেললেন মেসি। দুজনের সঙ্গে সমান ১৪ গোল নিয়ে যৌথভাবে তিনে আছেন জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার। 

এর আগে কানসাস সিটিতে মাঠে নেমেই আরেক কীর্তি গড়েছেন মেসি। ইতিহাসের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন। তার আগে এই কীর্তি গড়েন পর্তুগাল কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কুয়েতের সাবেক ফরোয়ার্ড বাদের আল–মুতওয়া। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনিই যে প্রথম সেটা আর না বললেও চলে।

এমন মাইলফলক গড়ার ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটে জালের দেখা পেয়েছিলেন মেসি। তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় আর্জেন্টিনার অধিনায়কের গোলটি। ৮ মিনিটে গোলের দেখা পেয়েছিল আলজেরিয়াও। এবার অফসাইডের কারণে বাতিল হয় চাইবির গোলটিও।

হালান্ডের জোড়া গোলে ইরাককে উড়িয়ে দিল নরওয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
হালান্ডের জোড়া গোলে ইরাককে উড়িয়ে দিল নরওয়ে
গোলের পর নরওয়ের খেলোয়াড়দের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

বোস্টন স্টেডিয়ামে ৮২ মিনিটের গোলটি পেলে আর্লিং হালান্ডের অভিষেকটা সোনায় সোহাগা হতো। বিশ্বকাপ অভিষেকে হ্যাটট্রিক পেতেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। হ্যাটট্রিক না পেলেও তার দল বড় জয় পেয়েছে।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে খেলতে নেমে আজ ইরাকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে নরওয়ে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন হালান্ড। বিপরীতে একটি গোল করেছেন লিও স্কিরি অস্টিগার্ড। অন্যটি আত্মঘাতী আয়মান হুসেইনের। ইরাকের হয়ে ব্যবধান গোলটিও করেন এই হুসেইন।

হ্যাটট্রিক না পেলেও স্বপ্নের অভিষেক হয়েছে হালান্ডের। বিশ্বকাপের অভিষেকে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনি। ২৯ মিনিটে অভিষেক গোলটি করেন তিনি। তাতে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ লিগগুলোয় প্রথম ম্যাচে গোল করার কীর্তিটা এবার বিশ্বকাপেও টেনে আনলেন তিনি।

আজ ইরাকের বিপক্ষে কীর্তি গড়ার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ, বুন্দেসলিগা ও প্রিমিয়ার লিগেও অভিষেক ম্যাচে গোল করেছেন  হালান্ড। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। গোলটিতে অবশ্য অবদান রয়েছে ইরাকের এক ডিফেন্ডারের। সেই ডিফেন্ডার ব্যাক পাস করলে গোলরক্ষক জালাল হাসান দ্রুত শট নিলে একদম কাছাকাছি থাকা হালান্ডের পায়ে লেগে জালে জড়ায় বল। তার জোড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে নরওয়ে।

প্রথমার্ধ শেষে স্কোর ২-১। ৩৯ মিনিটে ইরাকের হয়ে ব্যবধান কমান হুসেইন। যোগ করা সময়ে অবশ্য সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ইরাক। কিন্তু তাদের কপাল খারাপ। তৃতীয় মিনিটে ইব্রাহিম বায়েসের শট অবিশ্বাস্যভাবে ব্লক করেন মোলার উলফ। ২ মিনিট পর অল্পের জন্য একটি শট বাইরে যায়। আবার রেফারি বিরতির বাঁশি দেওয়ার আগে আকাম হাশিমের শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।

বিরতির পর ব্যবধান কমানোর বিপরীতে আরও গোল হজম করে ইরাক। ৭৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের নেওয়া কর্নার কিক থেকে ব্যবধান ৩-১ করেন লিও স্কিরি অস্টিগার্ড। 

৮৩ মিনিটে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন হালান্ড। তবে ইরাকের গোলরক্ষককে ওয়ান টু ওয়ান পেয়েও পরাস্ত করতে পারেননি তিনি। ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকারের শটটি সরাসরি গোলরক্ষকের পায়ে লাগে। সে যাত্রায় নরওয়ের ব্যবধান না বাড়লেও পরে যোগ করা সময়ে বেড়েছে। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে নিজেদের জালে আত্মঘাতী গোলটি করেন হুসেইন। তাতে ৪-১ গোলের জয়ে বিশ্বকাপে ফেরাটা রাঙায় নরওয়ে।

স্বপ্নের অভিষেক হালান্ডের

ক্রীড়া ডেস্ক
স্বপ্নের অভিষেক হালান্ডের
অভিষেকে গোল করেছেন হালান্ড। ছবি : রয়টার্স

স্বপ্নের অভিষেক আর্লিং হালান্ডের। বিশ্বকাপের অভিষেকে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনি। হ্যাটট্রিক করার সুযোগ অবশ্য আছে তার সামনে। এখনো অর্ধেক ম্যাচ বাকি। 

তবে ইতিমধ্যে একটা দুর্দান্ত মাইলফলক গড়েছেন হালান্ড। ২৯ মিনিটে অভিষেক গোল পান তিনি। তাতে অভিষেকে গোল পাওয়ার দারুণ কীর্তি গড়েছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ লিগে প্রথম ম্যাচে গোল করার কীর্তিটা এবার বিশ্বকাপেও টেনে আনলেন তিনি।

 

আজ ইরাকের বিপক্ষে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে গোল করা হালান্ড এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ, বুন্দেসলিগা ও প্রিমিয়ার লিগে। বিরতিতে যাওয়ার আগে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় গোলটিও পেয়েছেন তিনি। 

ম্যাচের ৪৩ মিনিটে পাওয়া হালান্ডের গোলটিতে অবশ্য অবদান রয়েছে ইরাকের এক ডিফেন্ডারের। সেই ডিফেন্ডার ব্যাক পাস করলে গোলরক্ষক জালাল হাসান দ্রুত শট নিলে একদম কাছাকাছি থাকা হালান্ডের পায়ে লেগে জালে জড়ায় বল। তার জোড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে নরওয়ে।

প্রথমার্ধ শেষে স্কোর ২-১। ৩৯ মিনিটে ইরাকের হয়ে ব্যবধান কমান আয়মান হুসেইন। যোগ করা সময়ে অবশ্য সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ইরাক। কিন্তু তাদের কপাল খারাপ। তৃতীয় মিনিটে ইব্রাহিম বায়েসের শট অবিশ্বাস্যভাবে ব্লক করেন মোলার উলফ। ২ মিনিট পর অল্পের জন্য একটি শট বাইরে যায়। আবার রেফারি বিরতির বাঁশি দেওয়ার আগে আকাম হাশিমের শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।

একসঙ্গে ৩ কিংবদন্তিকে পেছনে ফেললেন এমবাপ্পে

ক্রীড়া ডেস্ক
একসঙ্গে ৩ কিংবদন্তিকে পেছনে ফেললেন এমবাপ্পে
গোলের পর এমবাপ্পের চিরচেনা উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

প্রতিভার পরিচয় অনেক আগেই দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এখন শুধুই পদচিহ্ন রেখে যাওয়ার পালা। সেই কাজও সুনিপুণভাবে করে যাচ্ছেন। ২৭ বছর বয়সেই তো নিজেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়েছেন যেখানে অনেকে ক্যারিয়ার শেষেও পৌঁছাতে পারেন না। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায় তাদের।

তাই ম্যাচে নামলে কিংবা গোল করলেই কোনো না কোনো রেকর্ড গড়ে বসেন এমবাপ্পে। আজ যেমন নিউ জার্সি/নিউ ইয়র্ক স্টেডিয়ামে রেকর্ড গড়লেন। তাতে একসঙ্গে তিন কিংবদন্তিকে পেছনে ফেললেন তিনি। সেই তিন কিংবদন্তি হচ্ছেন-অলিভিয়ের জিরু, জা ফঁতে ও লিওনেল মেসি।

সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলের প্রথমটিতে তিন কিংবদন্তির পাশে বসেন এমবাপ্পে। বসার সুযোগ পেয়ে পরে দ্বিতীয় গোলে সবাইকে ছাড়িয়ে যান ফ্রান্সের অধিনায়ক। ফঁতে-মেসির কীর্তিটা বিশ্বকাপের। সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় এতদিন ১৩ গোল নিয়ে তিনে ছিলেন দুজনই। আজ দুজনকে চারে ঠেলে তিনে ওঠেন এমবাপ্পে। 

বিশ্বকাপে এখন ১৪ গোল এমবাপ্পের। তার মতো সমান গোল জার্মানির সাবেক ফরোয়ার্ড গার্ড মুলারেরও। মেসি-ফঁতেকে পেছনে ফেললেও তার সামনে আছেন আরও দুই কিংবদন্তি। ১৫ গোল নিয়ে দুইয়ে আছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো। বিপরীতে ১৬ গোলে চূড়ায় জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসা। দুজনকেই পেছনে ফেলার সুযোগ পাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার।

অন্যদিকে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়েছেন এমবাপ্পে। এতদিন ৫৭ গোল নিয়ে চূড়ায় ছিলেন জিরু। আজ জোড়া গোল করে সাবেক সতীর্থকে পেছনে ফেললেন তিনি। ৫৮ গোলের সংখ্যা এখন তরতারিয়ে বাড়িয়ে নেওয়ার পালা তার।