• ই-পেপার

‘এবারও মেসির হাতেই বিশ্বকাপ’

অভিষেকে ভারতকে জিতিয়ে ম্যাচসেরা কে এই মানব সুতার?

ক্রীড়া ডেস্ক
অভিষেকে ভারতকে জিতিয়ে ম্যাচসেরা কে এই মানব সুতার?
ছবি : বিসিসিআই

ভারতীয় টেস্ট দলে ৩১৯ নম্বর ক্যাপ মাথায় চড়িয়ে আফগানিস্তানে বিরুদ্ধে ঘূর্ণির জাদু দেখালেন রাজস্থানের বাঁহাতি স্পিনার মানব সুতার। ঘরোয়া ক্রিকেট ও গুজরাট টাইটান্সের জার্সিতে নজর কাড়া এই তরুণের বোলিং দক্ষতার নেপথ্যে রয়েছেন কোচ রাহুল দ্রাবিড়।  

ভারতীয় ক্রিকেটে আবিষ্কার আরেক স্পিনারের উত্থান আফগানিদের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে। নিউ চণ্ডীগড়ে অভিষেক টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা সুতার এখন আলোচনার কেন্দ্রে। টেস্ট অভিষেকের আগে ভারতের ৩১৯ নম্বর ক্যাপটি তাঁর হাতে তুলে দেন কুলদীপ যাদব। 

সতীর্থদের অভিনন্দন আর করতালির মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন রাজস্থানের এই তরুণ। তারপর মাঠে নেমে এমন পারফরম্যান্স, যা তাঁকে সরাসরি জাতীয় আলোচনায় টেনে এনেছে ।

আরো পড়ুন
সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

 

আফগানদের বিরুদ্ধে শুধু বলে নয়, ব্যাট হাতেও উজ্জ্বল সুতার। প্রথম ইনিংসে ৪১ বলে ২৮ রান করেন। হাঁকান দুটি ছক্কাও। তবে আসল ম্যাজিক বল হাতে। ঘূর্ণির জাল বিস্তারের ফলে আফগান ব্যাটিং লাইনআপকে কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি।

রাজস্থানের ছেলে, আইপিএলেও পরিচিত মুখ

মানবের জন্ম রাজস্থানের গঙ্গানগরে। বাঁহাতে প্রাথাগত স্পিনের পাশাপাশি প্রয়োজনে ব্যাটও পারেন ভালো। ঘরোয়া ক্রিকেটে রাজস্থানের প্রতিনিধি, আইপিএলে তাঁর দল গুজরাট টাইটান্স। ২০২৫ সালের নিলামে ৩০ লক্ষ টাকায় মানবকে কিনে নেয় গুজরাট। আইপিএলে প্রথম সুযোগ পান ২০২৪ সালে। সেই মৌসুমে একটি ম্যাচ খেলেন। এরপর চলতি সিজনে চারটি ম্যাচে সুযোগ, যেখানে ঝুলিতে দুই উইকেট। আইপিএলে খুব বেশি আলোচনায় না এলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নির্বাচকদের অনেক আগেই নজর কেড়েছিল।

২০২২-২৩ রঞ্জি ট্রফিই ছিল মানব সুতারের বড় ব্রেকথ্রু। সেই মৌসুমে মাত্র ৬ ম্যাচে ৩৯ উইকেট তুলে চমকে দেন ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনকে। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ইতিমধ্যে ১২০ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। দীর্ঘ স্পেল বল করার ক্ষমতা, টার্ন এবং নিয়ন্ত্রণ—তিন অস্ত্রই তাঁকে আলাদা করেছে। চণ্ডীগড় টেস্টেও এই বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা গিয়েছে। আফগান ব্যাটারদের বিরুদ্ধে ধৈর্য ধরে আক্রমণ চালিয়েছেন সমান তালে। শেষ পর্যন্ত তার পুরস্কার ৬ উইকেট।

আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের রাগবি তারকার কাছ থেকে বিশেষ উপহার পেলেন মেসি

যুক্তরাষ্ট্রের রাগবি তারকার কাছ থেকে বিশেষ উপহার পেলেন মেসি

 

ছিলেন দ্রাবিড়ের নজরেও

জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অনেক আগেই মানব সুতার রাহুল দ্রাবিড়ের নজরে। কোচ ধীরাজ শর্মার দাবি, সাবেক ক্রিকেটার সুতারের অলরাউন্ড দক্ষতায় মুগ্ধ হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। কোচের বক্তব্য অনুযায়ী, দ্রাবিড় মনে করেছিলেন, দীর্ঘ এবং সফল ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়তে হলে সুতারের আসল মনোযোগ থাকা উচিত ব্যাটিং নয়, বোলিংয়ের উপর।

অভিষেক টেস্ট অন্তত বলছে, টিম ইন্ডিয়ার সাবেক কোচের পরামর্শ গুরুত্ব দিয়েছেন মানব। ৬ উইকেটের পারফরম্যান্স শুধু ইতিবাচক পদক্ষেপ নয়, ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক স্পিনারের আগমনের ইঙ্গিতও বটে।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ

‘মিরাজের মতোই অলরাউন্ডার’ মোসাদ্দেক কোন ভূমিকায় খেলবেন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
‘মিরাজের মতোই অলরাউন্ডার’ মোসাদ্দেক কোন ভূমিকায় খেলবেন
মেহেদী হাসান মিরাজ (বাঁয়ে) ও মোসাদ্দেক হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

দুজনই অলরাউন্ডার। আরো স্পষ্ট করে বললে দুজনই ডানহাতি অলরাউন্ডার। ব্যাট করেন লোয়ার মিডল অর্ডারে, বোলিংয়ে অবদান রাখেন অফ স্পিনার হিসেবে। 

একই ধরনের দুই অলরাউন্ডারকে সাধারণত একই দলে খেলতে দেখা যায় না। তবে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত বাংলাদেশের হয়ে একসঙ্গে খেলে ফেলেছেন ৩৭ ম্যাচ, যার বেশির ভাগই ওয়ানডে। 

তবে এই দুজন দেশের জার্সিতে সর্বশেষ খেলেছেন ২০২২ সালে। এরপর দুজন যেন উল্টো পথের যাত্রী হয়ে পড়েন। মিরাজ নিজেকে প্রমাণ করে এখন ওয়ানডে অধিনায়ক। আর মোসাদ্দেক জাতীয় দলে জায়গা হারিয়ে আবারও ফিরে আসার জন্য লড়াই করেছেন। সেই লড়াইয়ে সফলও হয়েছেন। 

মিরপুরে আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরু হতে চলা ওয়ানডে সিরিজের বাংলাদেশ স্কোয়াডে আছেন মোসাদ্দেক। এই সিরিজ দিয়েই প্রায় ৪ বছর পর জাতীয় দলে ফিরছেন তিনি। 

মিরাজ-মোসাদ্দেক যেহেতু আবার একসঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন, তাহলে এবার কার ভূমিকা কী হবে? মিরপুর শের-ই-বাংলায় আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মিরাজ উত্তরটা দিলেন এভাবে, ‘আমি আর মোসাদ্দেক কিন্তু একসঙ্গে বাংলাদেশ দলে অনেক দিন খেলেছি। ২০১৯ বিশ্বকাপেও আমরা একসঙ্গে খেলেছি। আমার কাছে মনে হয়, এটা কোনো ভিন্ন ইস্যু নয়। মোসাদ্দেক তার ভূমিকা পালন করবে, আমি আমার কাজ করব। মোসাদ্দেক ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আমি বোলিং অলরাউন্ডার। দুজনের ভূমিকাটা আলাদা।’

ঘরোয়া ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ পারফর্ম করায় মোসাদ্দেককে আর জাতীয় দলে উপেক্ষা করার উপায় ছিল না। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) গত মৌসুমে আবাহনীকে শিরোপা জেতাতে বড় অবদান রাখেন। ব্যাটিংয়ে ৪৮.৭০ গড় ও ১০৬.৩৩ স্ট্রাইক রেটে করেন ৪৮৭ রান। বল হাতে নেন ৩০ উইকেট। ডিপিএলের চলতি মৌসুমে ভালো করেছেন। ৭৭.৫০ গড় ও ১২৯.১৬ স্ট্রাইক রেটে তার রান ৩১০, উইকেট ১২টি। 

মোসাদ্দেকের এই ছন্দ জাতীয় দলেও চান মিরাজ, ‘আমার কাছে মনে হয়, সে যদি পারফর্ম করতে পারে, এটা আমার জন্য এবং দলের জন্য বিরাট সহায়ক হবে। দিনশেষে আমরা সবাই চিন্তা করি যে দলটাকে কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। যেভাবে সে ঘরোয়ায় পারফর্ম করেছে, তাকে নিয়ে আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। যদি সুযোগ আসে, আশা করি সে ভালো করবে।’

মিরপুরে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া প্রথম ওয়ানডে শুরু আগামীকাল সকাল ১১টায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে সব ম্যাচ দিনের আলোয় আয়োজন করছে বিসিবি।

বিসিবি পরিচালক হওয়ার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীর ছেলের পদত্যাগ

বগুড়া প্রতিনিধি
বিসিবি পরিচালক হওয়ার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীর ছেলের পদত্যাগ
পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মীর সীমান্ত। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হলেও দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন—কয়েক দিন আগে কালের কণ্ঠকে এ কথা জানিয়েছিলেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। নির্বাচিত হওয়ার পর সেই কথা রাখলেন তিনি। 

বিসিবির নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। এরই মধ্যে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত। আজ সোমবার (৮ জুন) নতুন বোর্ডপ্রধান তামিম ইকবাল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন বগুড়ার এই ক্রীড়া সংগঠক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি ব্যাবসায়িক ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করেন। 

মীর সীমান্ত ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে। মীর শাহে আলম নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও লিমিটেড কম্পানির শেয়ারসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন তার ছেলে মীর সীমান্ত।

বর্তমানে একাধিক ফিলিং স্টেশন, অটো রাইস মিল, পুষ্টি চালের কার্নেল ফ্যাক্টরি, আয়োডিন ফ্যাক্টরি, পুষ্টি মিশ্রণ ফ্যাক্টরি, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি খামার, প্রাণী খামার, ফ্লাওয়ার মিলসহ আরো কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি তদারকি করছেন মীর সীমান্ত।

পদত্যাগপত্রে মীর সীমান্ত লিখেছেন, ‘বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী অঞ্চল থেকে আমি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছি। তবে আমার বাবা সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমার ওপর ন্যস্ত রয়েছে। এ কারণে বিসিবির মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিচালকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।’

মীর সীমান্ত আরো উল্লেখ করেছেন, দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিসিবি সভাপতির (তামিম ইকবাল) প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

ক্রীড়া ডেস্ক
সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান
ছবি : বিসিসিআই

আফগানিস্তানকে একমাত্র টেস্টে আড়াই দিনে ইনিংস এবং ৩০০ রানের ব্যবধানে হারাল ভারত।  ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় এটি। ভারতের ৫৬৪ রানের জবাবে আফগানিস্তান দুই ইনিংসে করেছে ১৫২ এবং ১১২ রান। অভিষেক টেস্টেই ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন মানব সুতার।

সোমবার (৮ জুন) নিউ চণ্ডীগড়ে রেকর্ড জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ইনিংস এবং ২৭২ রানে হারানোকে পেছনে ফেলল গাম্ভীরের শিষ্যরা। আর তৃতীয় স্থানে চলে গেল ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ইনিংস এবং ২৬২ রানের জয়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে মাঠে নামার আগে ভারতের টেস্ট জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। জয় নিয়ে কোনো সংশয় ছিল না ক্রিকেটপ্রেমীদেরও। তবে কত বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা সেটাই ছিল দেখার বিষয়। 

তৃতীয় দিনে ৫ উইকেটে ১১৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে আফগানরা। ৪৩ রানে ব্যাট অপরাজিত রহমত শাহ ক্রিজে মাটি আকড়ে থাকলেও বাকি ছিল যাওয়া-আসার মিছিলে। ভারতীয় বোলিং আক্রমণে আজমতুল্লা (০), শরফুদ্দিন (১১), সালিম (০), জিয়াউর (৬) রানে আউট হন। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন রহমত শাহ। তাতে ১৫২ রানে শেষ হয়ে যায় আফগানদের প্রথম ইনিংস। ভারতের সফলতম বোলার অভিষেককারী সুতার। প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া ৩৭ রানে ৩ উইকেট প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের। ২১ রানে ১ উইকেট নেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

৪১২ রানে পিছিয়ে থাকা সফরকারীদের ফলোঅন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও উল্লেখ লড়াই করতে পারেননি কোনো ব্যাটারই। ওপেনার সেদিকুল্লা অটল করেন ৪২। এছাড়া তিন নম্বরে নামা রহমানুল্লা গুরবাজের অবদান ২৪। বাকিরা কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। আবদুল মালিক (৮), রহমত শাহ (১৩), হাসমতুল্লা শাহিদি (৫), আফসর জাজাই (৮), ওমরজাই (৪) রানে দ্রুত ফিরে যান সাজঘরে। ১০৬ রানে আফগানিস্তানের ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ভারতের জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। তার ওপর চোটের জন্য ব্যাট করতে নামতে পারেনি আশরাফ।

স্কোর বোর্ডে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নামা পেসার সালিশ। তিনি ইনিংসের ৩৬তম ওভারে শূন্য রানে কুলদীপের বলে সুদর্শনের তালুবন্দি হলে ইনিংস ও ৩০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারে আফগানরা।
 
দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সফলতম বোলার ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৬ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩০ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৯ রানে ১ উইকেট সুতারের। এ ছাড়া মহম্মদ সিরাজ ১১ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন।