• ই-পেপার

১৯৭০ বিশ্বকাপ

ব্রাজিল-ইংল্যান্ড লড়াই কেন আজও অমর

বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোল মেসির

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোল মেসির

বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টি থেকে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের একজন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকা মূল ম্যাচে (নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট) পেনাল্টি থেকে করেছেন ৪ গোল, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।

এই রেকর্ডে মেসি ছুঁয়েছেন পর্তুগালের ইউসেবিও, নেদারল্যান্ডসের রব রেনসেনব্রিঙ্ক, আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনকে। বিশ্বকাপের মূল খেলায় পেনাল্টি থেকে চার গোলের বেশি করতে পারেননি কোনো ফুটবলার।

মজার ব্যাপার হলো, মেসির চারটি পেনাল্টি গোলই এসেছে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে। টুর্নামেন্টে তিনি পেনাল্টি থেকে গোল করেন সৌদি আরব, নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে।

তবে বিশ্বকাপে মেসির সব পেনাল্টি প্রচেষ্টা সফল হয়নি। ২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে তার নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক হ্যানেস হালদোরসন। আর ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিপক্ষে তার স্পটকিক রুখে দেন ভয়চেখ শেজনি।

ফিফার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বকাপে মূল ম্যাচে মেসি মোট ছয়টি পেনাল্টি নিয়েছেন। এর মধ্যে চারটিতে গোল করেছেন এবং দুটিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে তার সফলতার হার ৬৬.৭ শতাংশ।

অবশ্য টাইব্রেকারের হিসাব আলাদা। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টাইব্রেকারে মেসি আরও তিনটি পেনাল্টি নিয়েছেন এবং তিনটিতেই সফল হয়েছেন। ২০১৪ সালের সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এবং ২০২২ সালে নেদারল্যান্ডস ও ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে গোল করেন তিনি।

পেনাল্টি থেকে গোলের এই রেকর্ডের পাশাপাশি সামগ্রিক গোলসংখ্যাতেও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার মেসি। ২০০৬ থেকে ২০২২ পর্যন্ত পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন মোট ১৩টি গোল। ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে একটি, ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে চারটি, ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে একটি এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাতটি গোল করেন তিনি। শুধু ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপেই গোলের দেখা পাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় মেসি বর্তমানে যৌথ চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। শীর্ষে আছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজা (১৬ গোল)। দ্বিতীয় স্থানে ব্রাজিলের রোনালদো (১৫ গোল) এবং তৃতীয় স্থানে জার্মানির গার্ড মুলার (১৪ গোল)। ১৩ গোল করে যৌথ চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের জাস্ট ফঁতেন ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি।

মার্শ ও হেড বাংলাদেশের বিপক্ষে না খেলার কারণ জানা গেল

ক্রীড়া ডেস্ক
মার্শ ও হেড বাংলাদেশের বিপক্ষে না খেলার কারণ জানা গেল
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ সফরের আগে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। ব্যক্তিগত কারণে আসন্ন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছুটি নিয়েছেন তারকা ওপেনার ট্রাভিস হেড। একই সঙ্গে গোড়ালির চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারবেন না অধিনায়ক মিচেল মার্শও।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছে, আইপিএলের ব্যস্ত মৌসুম শেষ করে বিশ্রামের প্রয়োজন হওয়ায় হেডকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ মাসে তিন ফরম্যাটেই অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকায় তার কাজের চাপ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তাকে আবারও দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচক টনি ডোডেমাইড।

আরো পড়ুন
২০২৬ বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি

২০২৬ বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি

 

এদিকে পাকিস্তান সফরের সময় হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়া লেগস্পিনার তানভির সাঙ্গাও ছিটকে গেছেন দল থেকে। তার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো সীমিত ওভারের দলে ডাক পেয়েছেন অফস্পিনার টড মারফি।

চোটের কারণে পাকিস্তান সফরও মিস করেছিলেন মিচেল মার্শ। আশা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সফরে ফিরবেন তিনি, কিন্তু গোড়ালির সমস্যার কারণে ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারছেন না। তবে ১৭ জুন শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলার লক্ষ্যে ঢাকায় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

মার্শ ও হেডের অনুপস্থিতিতে ওয়ানডে দলে নেতৃত্ব দেবেন জশ ইংলিস। পাকিস্তান সফরেও অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

হেড ও মার্শের জায়গায় দলে রাখা হয়েছে ম্যাট শর্ট ও তরুণ ব্যাটার অলি পিককে। পাকিস্তান সফরে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন দুজনই। বিশেষ করে অলি পিক অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওয়ানডে অভিষেক করা সর্বকনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার হিসেবে নজর কাড়েন।

আরো পড়ুন
চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

 

বাংলাদেশ সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজকে সামনে রেখে দল ঘোষণার পাশাপাশি নতুন কয়েকজন ক্রিকেটারকে সুযোগ দিয়ে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ান নির্বাচকরা।

২০২৬ বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
২০২৬ বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ড গড়তে পারেন মেসি
লিওনেল মেসি। ছবি : রয়টার্স

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ইতোমধ্যেই জায়গা নিশ্চিত করেছেন লিওনেল মেসি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসরে তাকে মাঠে দেখা প্রায় নিশ্চিত। আর এই বিশ্বকাপে খেলতে নামলেই আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে খুলে যাবে একাধিক ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ার সুযোগ।

জার্মানি ২০০৬ থেকে কাতার ২০২২—এ পর্যন্ত পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলেছেন মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠে নামতে পারলে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়বেন তিনি। পাশাপাশি নিজের দখলে থাকা সর্বাধিক বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও আরো সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকবে তার সামনে।

শুধু ম্যাচ নয়, গোলের রেকর্ডেও রয়েছে নতুন সম্ভাবনা। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ১৩ গোল করা মেসি রয়েছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজার (১৬) খুব কাছাকাছি। মাত্র তিন গোল করলেই জার্মান কিংবদন্তির রেকর্ড স্পর্শ করবেন, আর চার গোল তাকে নিয়ে যাবে নতুন উচ্চতায়।

শুধু গোল বা ম্যাচ নয়, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মিনিট খেলা, সর্বাধিক অ্যাসিস্ট এবং সর্বাধিক গোল অবদানের মতো আরো কয়েকটি পরিসংখ্যানেও নিজের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে মেসির সামনে।

কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা ঘুচিয়েছিলেন মেসি। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে তার কিংবদন্তি অধ্যায়ের আরেকটি সোনালি সংযোজন, যেখানে ব্যক্তিগত রেকর্ডের পাতায়ও তিনি লিখতে পারেন নতুন ইতিহাস।

চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার

ক্রীড়া ডেস্ক
চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার
নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত একটি বিশেষ অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল ব্যবহার করছেন নেইমার।

বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে, আর সেই লড়াইয়ে সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারের চোট সারাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে নাসার প্রযুক্তি থেকে তৈরি বিশেষ এক যন্ত্র, যা তার বিশ্বকাপ খেলার আশা আরো উজ্জ্বল করে তুলেছে।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডান পায়ের কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত একটি বিশেষ অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল ব্যবহার করছেন নেইমার।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা শঙ্কা, ইংল্যান্ড দলের ঘাঁটির কাছে গোলাগুলিতে আহত ৯

 

শনিবার (৬ জুন) এই বিশেষ যন্ত্রে অনুশীলন করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ট্রেডমিলটির বিশেষত্ব হলো, এটি শরীরের ওজনের একটি অংশ কমিয়ে দেয়। ফলে ইনজুরিগ্রস্ত স্থানে কম চাপ পড়ে এবং খেলোয়াড় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম ঝুঁকিতে দৌড়াতে পারেন।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছেন। ইতিমধ্যে ব্রাজিলের কয়েকটি ক্লাবও নিজেদের মেডিক্যাল সুবিধার অংশ হিসেবে এটি যুক্ত করেছে।

আরো পড়ুন
মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার, অতঃপর...

 

নেইমারের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ মূল্যায়নের জন্য আজ সোমবার (৮ জুন) নতুন করে ইমেজিং পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তার পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা।

যদি মেডিক্যাল টিম তাকে সবুজসংকেত দেয়, তাহলে তিনি দলের সঙ্গে শারীরিক অনুশীলনে ফিরবেন। এরপর ধীরে ধীরে বল নিয়ে অনুশীলন শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে, তবে সেটি নির্ভর করবে তার উন্নতির গতির ওপর।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছিলেন, নেইমারের অবস্থা নিয়ে তারা আশাবাদী। যদিও বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার খেলা এখনো নিশ্চিত নয়, তবু সেলেসাও শিবিরের বিশ্বাস, দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।

আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর এখন ব্রাজিল দলের মেডিক্যাল রিপোর্টের দিকে।