• ই-পেপার

মা হারালেন ফুটবলার শিউলি, অনুশীলন বাতিল

বিশ্বকাপে বাড়ছে ভিএআরের ক্ষমতা! ফ্রি-কিক, কর্নার ও কার্ডে নতুন নিয়ম

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে বাড়ছে ভিএআরের ক্ষমতা! ফ্রি-কিক, কর্নার ও কার্ডে নতুন নিয়ম
ছবি : রয়টার্স

ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপের আগে রেফারিংয়ে আসছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) এমন কিছু নতুন ক্ষমতা পেতে যাচ্ছে, যা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ফলাফলই বদলে দিতে পারে। 

বিশ্ব ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা আইএফএবি (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে কর্নার বা ফ্রি-কিক নেওয়ার ঠিক আগে আক্রমণকারী দলের কোনো খেলোয়াড় স্পষ্ট ফাউল করলে এবং সেই ফাউলের সরাসরি প্রভাব গোল, পেনাল্টি বা শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তে পড়ে, তাহলে ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

এতদিন বল খেলার মধ্যে না আসা পর্যন্ত এমন অনেক ঘটনা ভিএআর-এর আওতার বাইরে থাকত। কিন্তু নতুন নিয়মে পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। যদি ভিএআর মনে করে ফাউলটি স্পষ্ট এবং সেটির কারণে গোল বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে, তাহলে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করা হবে।

রেফারি ভিডিও দেখে নিশ্চিত হলে গোল বাতিল হতে পারে, প্রয়োজনীয় কার্ড দেখানো হবে এবং কর্নার বা ফ্রি-কিক পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

বিশ্বখ্যাত সাবেক ইতালিয়ান রেফারি এবং বর্তমানে ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়ারলুইজি কলিনা এই পরিবর্তনের পক্ষে জোরালো যুক্তি দিয়েছেন। তিনি উদাহরণ হিসেবে চলতি বছরের মার্চে ইংল্যান্ড ও উরুগুয়ের প্রীতি ম্যাচের একটি গোলের কথা তুলে ধরেন।

সেই ম্যাচে কর্নার নেওয়ার আগে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার অ্যাডাম হোয়ার্টন উরুগুয়ের ডিফেন্ডার হোসে মারিয়া হিমেনেসকে ব্লক করেছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। পরে বেন হোয়াইট গোল করেন। নতুন নিয়ম কার্যকর থাকলে সেই গোলটি বাতিল হতে পারত বলে মনে করেন কলিনা।

তার ভাষায়, ‘এ ধরনের গোলকে বৈধ বলা যায় না। যদি বল খেলায় আসার ঠিক আগে স্পষ্ট ফাউল হয়, তাহলে সেটি উপেক্ষা করার কোনো কারণ নেই।’

এতেই শেষ নয়। বিশ্বকাপে ভিএআর-এর দায়িত্ব আরও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে ভুলভাবে দেওয়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ফলে লাল কার্ড দেখানো হলে সেটিও পর্যালোচনা করা যাবে। এছাড়া ভুল খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হলে ভিএআর সংশোধনের সুযোগ পাবে। এমনকি কর্নারের বদলে গোল-কিক হওয়ার কথা থাকলেও ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়েও কঠোর হচ্ছে ফিফা। ম্যাচ চলাকালে মুখ হাত, বাহু বা জার্সি দিয়ে ঢেকে গোপন আলোচনা করার চেষ্টা করলে এবং সেটিকে রেফারি সন্দেহজনক মনে করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হতে পারে। তবে স্বাভাবিক বা বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

আরেকটি বিষয় নিয়েও উদ্বিগ্ন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রকরা। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক দল ইচ্ছাকৃতভাবে ইনজুরির সুযোগ নিয়ে খেলা থামিয়ে মাঠের ভেতর ছোটখাটো টিম মিটিং করছে। বিশেষ করে গোলরক্ষক মাটিতে পড়ে থাকলে পুরো দল কোচের কাছে গিয়ে নির্দেশনা নিচ্ছে।

এই প্রবণতা বন্ধে এখনো নির্দিষ্ট শাস্তি নির্ধারণ করা হয়নি। তবে কলিনা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের রেফারিরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন।

তিনি বলেন, ‘গোলকিপার আহত হতে পারে, কিন্তু সেটাকে টাইম-আউট বানানোর অধিকার কোনো দলের নেই। খেলোয়াড়রা বেঞ্চের কাছে গিয়ে কোচের সঙ্গে বৈঠক করবে—এটা আমরা হতে দেব না।’

ফুটবলের নিয়মে এই পরিবর্তনগুলো বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে ম্যাচ পরিচালনাকে আরও স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত করার লক্ষ্যেই আনা হচ্ছে। তবে নতুন নিয়ম মাঠে কতটা প্রভাব ফেলে, তা দেখার অপেক্ষায় এখন পুরো ফুটবল বিশ্ব। 
 

বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে রোনালদোর বার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে রোনালদোর বার্তা
সংগৃহীত ছবি

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। পর্তুগালের কিংবদন্তি অধিনায়ক ও আল-নাসরের তারকা ফরোয়ার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছেন। 

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় দলের জার্সি পরা একটি ছবি প্রকাশ করেন রোনালদো। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘মিশন: বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছে!’ 

৪১ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফিটনেস ধরে রাখা এই তারকা পর্তুগালের প্রধান কোচ রবার্তো মার্তিনেজের ঘোষিত চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন। এর মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক গড়তে যাচ্ছেন তিনি।

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা পুরুষ ফুটবলের ইতিহাসে একক ও অভূতপূর্ব রেকর্ড। এর আগে কোনো ফুটবলার ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। তার সঙ্গে এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ডের ভাগীদার হতে পারেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ও মেক্সিকান গোলরক্ষক ওচোয়াও। 

এদিকে জাতীয় দলের জার্সিতে রোনালদোর অর্জনও ঈর্ষণীয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড এখন পর্যন্ত পর্তুগালের হয়ে ২২৬টি অফিসিয়াল ম্যাচে ১৪৩টি গোল করেছেন। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রেখেছেন। দেশের হয়ে একটি ইউরো কাপের পাশাপাশি জিতেছেন দুইটি নেশন্স লিগও। 

বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার পর্তুগাল খেলবে গ্রুপ কে-তে। নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ডিআর কঙ্গো, কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তান।

তারকা ফরোয়ার্ড ছাড়াই বিশ্বকাপ দল ঘোষণা ইরানের, আছেন যারা

ক্রীড়া ডেস্ক
তারকা ফরোয়ার্ড ছাড়াই বিশ্বকাপ দল ঘোষণা ইরানের, আছেন যারা
ছবি : রয়টার্স

ইরানের বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন দেশের অন্যতম সফল ফরোয়ার্ড সর্দার আজমুন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব শাবাব আল-আহলির হয়ে খেলা এই তারকাকে না রাখার পেছনে রাজনৈতিক বিতর্ক কাজ করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার সময় মার্চ মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসক মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে নিজের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন আজমুন। সেই ঘটনাকে ইরানের সরকার ভালোভাবে নেয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলেও জায়গা পাননি ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। এবার চূড়ান্ত দল ঘোষণার সময়ও তাকে উপেক্ষা করেছেন ইরানের প্রধান কোচ আমির গালেনোই।

জাতীয় দলের হয়ে ৯১ ম্যাচে ৫৭ গোল করা আজমুন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের আক্রমণভাগের প্রধান ভরসা ছিলেন। তবে বিতর্কের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশনে তাকে ছাড়াই এগোতে হচ্ছে দলটিকে।

আগামী ১১ জুন শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। প্রথমে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও, শেষ পর্যন্ত দলটি টুর্নামেন্টের জন্য নিজেদের বেস ক্যাম্প স্থাপন করেছে মেক্সিকোতে।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে স্বাগতিক হিসেবে গ্রহণে অনীহা দেখিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে মেক্সিকোকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ১৫ জুন নিউজিল্যান্ড, ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৬ জুন সিয়াটলে মিসরের মুখোমুখি হবে ইরান।

আজমুন বাদ পড়লেও দলে আছেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি এবং সাবেক ব্রাইটন উইঙ্গার আলিরেজা জাহানবাখশ। ৩৩ বছর বয়সী তারেমি বর্তমানে গ্রিসের অলিম্পিয়াকোসে খেলছেন, আর জাহানবাখশ খেলছেন বেলজিয়ামের ক্লাব ডেন্ডারের হয়ে।

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরান স্কোয়াড :

গোলকিপার : আলিরেজা বেইরানভান্দ, সৈয়দ হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ।

ডিফেন্ডার : দানিয়াল এইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানায়ানি, শোজা খালিলজাদেহ, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান।

মিডফিল্ডার : রুজবেহ চেশমি, সাইদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘায়েদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানি, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজ্জাঘিনিয়া, মেহদি তোরাবি, আরিয়া ইউসেফি।

ফরোয়ার্ড : আলি আলিপুর, ডেনিস দারগাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, মেহদি তারেমি, শাহরিয়ার মোঘানলু।

কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু বিশ্বকাপজয়ী ইনিয়েস্তার

ক্রীড়া ডেস্ক
কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু বিশ্বকাপজয়ী ইনিয়েস্তার
ছবি : রয়টার্স

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবার শুরু করলেন জীবনের নতুন অধ্যায়। খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার দুই বছরের মাথায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব গালফ ইউনাইটেডের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন স্প্যানিশ কিংবদন্তি।

এটাই ইনিয়েস্তার কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম দায়িত্ব। ক্লাবের পক্ষ থেকে নিয়োগের ঘোষণা আসার পর ইনিয়েস্তা জানান, কোচ হিসেবে নিজের যাত্রা শুরু করার জন্য গালফ ইউনাইটেডকেই সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা বলে মনে হয়েছে তার।

‘ফুটবল আমাকে সবকিছু দিয়েছে। এখন আমি কোচিংয়ের মাধ্যমে কিছু ফিরিয়ে দিতে চাই। প্রতিদিন তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করতে চাই, যারা উন্নতি করতে চায় এবং বড় স্বপ্ন দেখে,’ বলেন ইনিয়েস্তা।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সঠিক উপায়ে ফুটবলার তৈরি করতে হয়— ধৈর্য, স্পষ্ট ফুটবল দর্শন এবং প্রতিটি খেলোয়াড়ের প্রতি আন্তরিক যত্ন নিয়ে। গালফ ইউনাইটেডও একই দর্শনে বিশ্বাস করে, আর এ কারণেই আমি এখানে এসেছি।’

কোচিংয়ের পাশাপাশি নিজের প্রো লাইসেন্স অর্জনের লক্ষ্যও রয়েছে বলে জানান ৪২ বছর বয়সী এই স্প্যানিয়ার্ড।

ইনিয়েস্তা ২০২৪ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানান। তার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আধুনিক ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ও প্রভাবশালী মিডফিল্ডার হিসেবে।

বার্সেলোনার সোনালি প্রজন্মের অন্যতম সদস্য ইনিয়েস্তা জিতেছেন চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, নয়টি লা লিগা শিরোপা এবং বহু ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ট্রফি।

জাতীয় দলের হয়েও তার সাফল্য ঈর্ষণীয়। স্পেনকে দুটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১০ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তার অতিরিক্ত সময়ের গোলই স্পেনকে এনে দেয় ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা।

উল্লেখ্য, খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার সময় ইনিয়েস্তা নিজেই জানিয়েছিলেন যে কোচিংয়ে আসার পরিকল্পনা তার নেই। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ভাবনা বদলেছে, আর এখন তিনি নতুন পরিচয়ে মাঠে ফিরছেন।

২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত গালফ ইউনাইটেড বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় স্তরের লিগে খেলে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে দলটি লিগে দশম স্থানে শেষ করেছিল।

এবার ক্লাবটির দায়িত্ব নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন ইনিয়েস্তা। ফুটবলার হিসেবে যেভাবে ইতিহাস লিখেছেন, কোচ হিসেবেও সেই সাফল্যের গল্প শুরু করতে চান স্প্যানিশ মহাতারকা।