• ই-পেপার

তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে এনরিকে বললেন, ‘কিংবদন্তি? ওসবে আমার আগ্রহ নেই’

পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের যত ইতিহাস

ক্রীড়া ডেস্ক
পিএসজির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের যত ইতিহাস
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরো একবার প্রমাণ করল পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় লিখেছেন ফরাসি জায়ান্টরা।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য স্বপ্নের মতো ছিল আর্সেনালের জন্য। মাত্র ছয় মিনিটেই কাই হাভার্টজ গোল করে এগিয়ে দেন লন্ডনের ক্লাবটিকে। তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে খভিচা কাভারেস্খেইয়ার ওপর ক্রিস্তিয়ান মস্কেরার ফাউলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান উসমান দেম্বেলে।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও ফল না আসায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে এবেরেচি এজে ও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের শট ব্যর্থ হলে আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে পিএসজি।

পরিসংখ্যানে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল—

এই জয়ের মাধ্যমে পিএসজি ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুই মৌসুমে একই সঙ্গে ঘরোয়া লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কীর্তি গড়ল। এর আগে এমন কৃতিত্ব দেখাতে পেরেছিল শুধু রিয়াল মাদ্রিদ ও আয়াক্স।

আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। কোচ হিসেবে এটি তার তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। ফলে তিনি পেপ গার্দিওলা, জিনেদিন জিদান ও বব পেইসলির পাশে জায়গা করে নিয়েছেন। তার ওপরে রয়েছেন শুধু কার্লো আনচেলত্তি, যার ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি ইউরোপিয়ান কাপ।

২৪.৭
ফাইনালে আর্সেনাল বলের দখল রাখতে পেরেছিল মাত্র ২৪.৭ শতাংশ সময়, যা ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে পিএসজি বল দখলে রেখেছিল ৭৫ শতাংশ সময় এবং ম্যাচের ২৮টি শটের মধ্যে ২১টিই ছিল তাদের।

২২৬
হারের মধ্য দিয়ে আর্সেনালের দীর্ঘ অপেক্ষাও আরো দীর্ঘ হলো। ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে ২২৬টি ম্যাচ খেলেও এখনো শিরোপার দেখা পায়নি গানাররা, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি।


তবে ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় নাম তুলেছেন কাই হাভার্টজ। তিনি ইউরোপিয়ান কাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে দুটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়েছেন। এর আগে ২০২১ সালে চেলসির হয়ে ফাইনালে গোল করেছিলেন জার্মান এই তারকা।


ইংলিশ ক্লাবগুলোর বিপক্ষে পিএসজির আধিপত্যও অব্যাহত রয়েছে। নকআউট পর্বে ইংলিশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা সাতটি ম্যাচ জিতেছে তারা এবং শেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে।

১৭
উসমান দেম্বেলে আবারও নিজেকে বড় ম্যাচের নায়ক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। গত মৌসুমের শুরু থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে তার গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান এখন ১৭টি, যা এই সময়ে যেকোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

৪৫
এদিকে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ এ। এর মাধ্যমে তারা ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে বার্সেলোনার গড়া সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে।
 

চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর ফ্রান্সজুড়ে তাণ্ডব, ৪১৬ গ্রেপ্তার

ক্রীড়া ডেস্ক
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর ফ্রান্সজুড়ে তাণ্ডব, ৪১৬ গ্রেপ্তার
ছবি : রয়টার্স

চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার পিএসজি ইউরোপ সেরার মুকুট জিতলেও সেই আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি। ফ্রান্সজুড়ে সমর্থক ও পুলিশের সংঘর্ষে ৪০০-এর বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন, আহত হয়েছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্যও।

ফাইনাল জয়ের পর রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার পিএসজি সমর্থক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হলেও বিভিন্ন এলাকায় আতশবাজি, ফ্লেয়ার ছোড়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কোথাও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলে, আবার কিছু দোকানের কাচও ভেঙে ফেলা হয়।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই ঐতিহাসিক শঁজেলিজে সড়কে সমর্থকদের ঢল নামে। এর আগেই পিএসজির মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে বড় পর্দায় খেলা দেখতে জড়ো হওয়া সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে।

পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ছয়টি যানবাহন, দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং একটি বাসস্টপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার ভোর পর্যন্ত মোট ৪১৬ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮০ জনই প্যারিসে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ এই সহিংসতাকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, সংঘর্ষে সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে ডানপন্থী নেত্রী মারিন ল্য পেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘শুধু ফ্রান্সেই একটি ফুটবল ক্লাবের জয় দাঙ্গার কারণ হতে পারে। এমনকি বিজয়ের রাতেও মানুষকে সহিংসতার ভয়ে ঘরে থাকতে হয়।’

এদিকে রবিবার পিএসজি খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ বিজয় মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। তারা আইফেল টাওয়ারের পাশের শঁ দ্য মার্স এলাকায় সমর্থকদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন এবং পরে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর আয়োজিত সংবর্ধনায় অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, গত বছরও পিএসজির ইউরোপীয় শিরোপা জয়ের পর উদযাপন সহিংস রূপ নিয়েছিল। সেই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন দুইজন, যার মধ্যে একজন ছিল ১৭ বছর বয়সী কিশোর।

টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি

ক্রীড়া ডেস্ক
টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি
সংগৃহীত ছবি

ম‍্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলল আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরাল পুরোটা সময় আক্রমণাত্মক খেলা পিএসজি। অতিরিক্ত সময়ে ব‍্যবধান গড়ে দিতে পারল না কোনো দলই। ম‍্যাচের ভাগ‍্য নির্ধারণ হলো রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে। সেখানে বাজিমাত করল পিএসজি। শ্বারুদ্ধকর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব‍্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের শিরোপা ধরে রাখল চ‍্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।

বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে আসা দর্শকরা তখনো গ্যালারির সিটে ঠিকঠাক থিতু হতে পারেননি। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় রেফারির বাঁশিতে ম্যাচ শুরুর পর পাসিং ফুটবল দেখা আর খোশগল্পে মত্ত ছিল অনেক দর্শক। ঠিক তখনই পিএসজিকে স্তব্ধ করে অঘটনের জন্ম দেন কাই হাভার্টজ। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এই জার্মান ফরোয়ার্ডের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। শুরুর সেই ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধে আর ম্যাচে ফেরা হয়নি পিএসজির।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬২তম মিনিটে মসকেরার ভুলেই পিএসজি ম্যাচ ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায়। মসকেরার ঠিক সামনে পজিশন নিয়ে নিয়েছিলেন খিচা কাভারাস্কেইয়া। তখনই পেছন থেকে এই জর্জিয়ান ফরোয়ার্ডকে বেশ ফাউল করে বসেন মাসকেরা। রেফারি কিছুটা দ্বিধা করলেও শেষ পর্যন্ত পেনাল্টির নির্দেশ দেন। আর পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির আগেও কিছু নাটক দেখা যায়।

পেনাল্টি শটের সময় কিছুটা সময়ক্ষেপেরন চেষ্টা করছিল আর্সেনাল। বিশেষ করে ডেভিড রায়া বল দখলে রাখার চেষ্টা করেন। ফলে রেফারিকে বেশ কড়াভাবেই দুই দলের খেলোয়াড়দের পেনাল্টি বক্স থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে হয়। তবে সব চাপ সামলে চমৎকার ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক নেন দেম্বেলে। তাতেই সমতায় ফেলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

৭১তম মিনিটে হাকিমির একটি ক্রস থেকে আরেকবার চেষ্টা চালান দেম্বেলে। ডান প্রান্ত দিয়ে সেই চেষ্টায় বাধা হয়ে দাঁড়ান গ্রাবিয়েল। শেষ পর্যন্ত ফরাসি ফরোয়ার্ডের বল বারের ডান পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

ঠিক সাত মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় আক্রমণে ওঠেন কাভারাস্কেইয়া। মিডফিল্ডের কাছাকাছি বল পেয়ে হেডের সাহায্যে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন জর্জিয়ান ফরোয়ার্ড। বল নিয়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে বক্সে ঢুকে পড়েন। তবে শট নিতে তিনি কিছুটা বেশি সময় নিয়ে ফেলেন; যার পুরো ফায়দা তুলে একদম সঠিক পজিশনে থাকা লুইস-স্কেলি তাঁর শটটি ডিফ্লেক্ট করে দেন এবং বল গিয়ে প্রথম পোস্টে আঘাত করে।

৮৩তম মিনিটে দুই দল খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন। ট্রাসোর্ড ও বুকোয়া সাকাকে তুলে ননি মাদুয়েকে ও মার্তিন্নেলিকে মাঠে নামার মিকেল আরতেতা। অন্যদিকে কাভারাস্কেইয়াকে উঠিয়ে বারকোলাকে নামান লুইস এনরিকে। এর আগে ৬৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের বদলি হিসেবে ভিক্টর ইয়োকেরেস ও মাসকেরার পরিবর্তে জুরিয়ান টিম্বারকে নামানো হয়।

পূর্ণাঙ্গ সময়ের মিনিট পাঁচেক আগে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে ফ্লিক করেন হাভার্টজ। কিন্তু বল ইয়োকেরেসের মাথার সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পিএসজি বিপদ মুক্ত করে। বল পেয়েই আক্রমণে ওঠেন বদলি হিসেবে নামা বারকোলা। তবে দুর্দান্ত দক্ষতায় নিজের লাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে এসে বক্সের ঠিক ভেতরে বলটি গ্লাভসবন্দি করেন রায়া।

যোগ করা সময়ে মনে হচ্ছিল, বারকোলা এগিয়ে জয়সূচক গোলটি করেই ফেলবেন। ষষ্ঠ মিনিটে একাই বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ছোটেন ফ্রান্স ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তাতে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

যোগ করা ৩০ মিনিটে সুরহা না হওয়াতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পিএসজির হয়ে প্রথম শট নেন রামোস। তার অব্যর্থ নিশানার পর ভুল করেননি আর্সেনালের ভিক্টোর ইয়োকেরেস। ডানদিকের নিচু শটে আদায় করেন গোল।

পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় শট নেয় দুয়ে। ফরাসি ফরোয়ার্ডকে বেগ পেতে হয়নি। ইয়োকেরেসের মতো তিনিও ডানদিকে শট নেন। এজে গড়বড় করে বসেন। তার শট বারের বাঁ পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়। শট নিতে এসে থেমে যান ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এরপর শট নিয়ে করেন ভুল।

কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাওয়া আর্সেনাল শিবিরে প্রাণ ফিরে রায়ার বদৌলতে, নুনো মেন্দেসের বল ঠেকিয়ে দেন এই স্প্যানিশ গোলকিপার।

এরপর, দুই দলেরই পরের দুটি করে শট জালে জড়ায়। শেষ শটটি নিতে আসেন প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল; প্রবল চাপের মুহূর্তে শট লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি তিনি, উড়িয়ে মারেন আকাশে! তাতে আরো একবার আর্সেনালের ইউরোপ সেরা হওয়ার স্বপ্নটাও উড়ে যায়।

এক বোর্ড সভাতেই ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো সম্ভব : ইসরাফিল খসরু

ক্রীড়া ডেস্ক
এক বোর্ড সভাতেই ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো সম্ভব : ইসরাফিল খসরু
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধান ইসরাফিল খসরু। ছবি: বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নিয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। এর মধ্যে নিজেদের দ্বিতীয় বোর্ড সভাতেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক এবং ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন কমিটির সদস্যরা। তাদের এই পদক্ষেপ ক্রিকেটারদের মনে স্বস্তি ফিরিয়েছে। 

বিসিবির চার-ছক্কা পডকাস্টে এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও অর্থ কমিটির প্রধান ইসরাফিল খসরু। খেলোয়াড়দের বেতন বাড়ানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইসরাফিল বলেছেন, ‘যদি এটা করতে চান, তাহলে একটা বোর্ড মিটিংয়েই এটা সম্ভব। আমরা কিন্তু আমাদের দ্বিতীয় বোর্ড মিটিংয়েই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের বেতন বাড়িয়েছি, নারী এবং পুরুষ উভয়েরই। আমার মনে হয় এটা অনেক দিন ধরেই খেলোয়াড়দের পাওনা ছিল। এটা আগেই করা যেত। আমরা এসেই করেছি।’

ঘরোয়া ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর দাবি অনেক দিন ধরেই ছিল, যা আগের বোর্ড সদস্যরা সেভাবে আমলে নেননি। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি ক্রিকেটারদের সেই দাবি মিটিয়েছে। পারিশ্রমিকের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফিও বাড়ানো হয়েছে।

ইসরাফিল আরো বলেছেন, ‘ক্রিকেটাররা এখন অনেক খুশি, এটা তাদের পাওনা, তাদের প্রাপ্য। তাদেরকে তো অতিরিক্ত কিছু দিচ্ছেন না। খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে আপনি তো বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারবেন না।’

আগামী ৭ জুন বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ক্যাটাগরি-২ থেকে অংশ নিচ্ছেন ইসরাফিল খসরু।