• ই-পেপার

৫০ বলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২৫ বলেই সেঞ্চুরি সূর্যবংশীর

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে শিক্ষার্থীর রসিকতা, হাসিতে ফেটে পড়লেন নীতা আম্বানিও

ক্রীড়া ডেস্ক
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে শিক্ষার্থীর রসিকতা, হাসিতে ফেটে পড়লেন নীতা আম্বানিও

আইপিএলের চলতি মৌসুমে ভালো পারফর্ম করতে পারেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকেই মৌসুম শেষ করতে হলো ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। তাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কর্ণধার নীতা আম্বানিকে পড়তে হলো ট্রলের মুখে। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়েই এক শিক্ষার্থীর এই ট্রল করেন। সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থী নিজের জীবনের খারাপ সময়কে এ মৌসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মতো অবস্থার সঙ্গে তুলনা করেন। শিক্ষার্থীর এমন বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

এ সময় সেই শিক্ষার্থী বলেন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মতো জীবনেও কঠিন সময় আসবে, যা শুনে পুরো অডিটরিয়াম হেসে ওঠে। ক্যামেরায় ধরা পড়া নীতা আম্বানিও এই মন্তব্যে হেসে ফেলেন। পরে সেই ছাত্র, জীবনসংগ্রাম, ঐতিহ্য এবং আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করে। 

বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানগুলো সাধারণত আবেগঘন স্মৃতি, অনুপ্রেরণামূলক বার্তা এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু এবার মঞ্চে থাকা এক ছাত্র ক্রিকেটীয় এমন এক মোড় এনে দিল যে, পুরো অডিটরিয়াম হাসিতে ফেটে পড়ল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই রসিকতার লক্ষ্যবস্তু নীতা আম্বানিও নিজের হাসি ধরে রাখতে পারেননি।

ভবিষ্যদ্বাণী

বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ব্রাজিল বিদায় নেবে রাউন্ড ৩২ থেকে

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ব্রাজিল বিদায় নেবে রাউন্ড ৩২ থেকে
ছবি : রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ফুটবলে অঘটনের শেষ নেই। তবে সেই অঘটনই যেন এবার আগেভাগে দেখিয়ে দিল একটি অ্যালগরিদম। জার্মান অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক ইওয়াখিম ক্লেমেন্টর তৈরি বিশেষ গাণিতিক মডেল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস।

সবচেয়ে বড় চমক হলো, এই পূর্বাভাসে ফেবারিট তালিকায় থাকা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন কিংবা ফ্রান্সকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখানো হয়নি।

ইওয়াখিম ক্লেমেন্ট এর আগেও তার মডেল দিয়ে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন সঠিকভাবে অনুমান করেছিলেন। তাই তার নতুন ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে ইতোমধ্যেই ফুটবল দুনিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই মডেলে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, বরং অর্থনীতি, জনসংখ্যা, আবহাওয়া, আয় এবং আয়োজক দেশের পরিবেশগত সুবিধার মতো বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ক্লেমেন্টের দাবি, এসব তথ্য মিলিয়ে প্রায় ৫৫ শতাংশ নির্ভুলভাবে বিশ্বকাপের সাফল্য অনুমান করা সম্ভব।

মডেল অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে নেদারল্যান্ডসকে। গ্রুপ পর্বে তাদের খেলতে হবে জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে।

আরো বড় চমক দেখিয়েছে নকআউট পর্বের পূর্বাভাস। সেখানে বলা হয়েছে, জাপান রাউন্ড অব ৩২ থেকেই ব্রাজিলকে বিদায় করে দেবে।

ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে পর্তুগালকে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেই ফাইনালে জিতেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতবে ডাচরা, এমনটাই বলছে অ্যালগরিদম।

১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে হেরে শিরোপাবঞ্চিত হয়েছিল নেদারল্যান্ডস। এবার সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সম্ভাবনাই দেখছে ক্লেমেন্টের গাণিতিক হিসাব।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা কি বার্সেলোনায় যাচ্ছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা কি বার্সেলোনায় যাচ্ছেন
সংগৃহীত ছবি

গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজার সামনে রেখে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে হুলিয়ান আলভারেজর ভবিষ্যৎ। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে দলে ভেড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছে বার্সেলোনা। ইউরোপের আরো কয়েকটি বড় ক্লাবও তার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। 

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার দাবি, আলভারেজ যদি অ্যাতলেতিকো ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তার প্রথম পছন্দ হতে পারে বার্সেলোনা। যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। 

সম্প্রতি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ কোচ দিয়েগো সিমিওনেও আলভারেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে রহস্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। ভিলারিয়ালের বিপক্ষে বড় হারের পর আলভারেজের ক্লাব ছাড়া নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য প্রশ্ন নয়, এটা হুলিয়ানের জন্য প্রশ্ন। সে যথেষ্ট পরিণত, কী করবে সেটা সে জানে।’

 

এই মন্তব্যের পর থেকেই বার্সেলোনায় আলভারেজের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে জল্পনা আরো তীব্র হয়েছে।

তবে সহজে তাকে ছাড়তে রাজি নয় অ্যাতলেতিকো। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটি আলভারেজের মূল্য ১৩০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে ধরেছে, যাতে আগ্রহী ক্লাবগুলোকে নিরুৎসাহিত করা যায়। 

বর্তমানে ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ইউরোপের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন স্ট্রাইকারে পরিণত হয়েছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপজয়ী আলভারেজ ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাতলেতিকোর জার্সিতে।

ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে নেইমার-ভিনির নীরব লড়াই

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি নিয়ে নেইমার-ভিনির নীরব লড়াই
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, এই জার্সি কি এখনো নেইমাররই থাকা উচিত, নাকি সময় এসেছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রর হাতে তুলে দেওয়ার?

ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়েছিল, এবার ১০ নম্বর জার্সি পেতে পারেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আর নেইমারকে দেওয়া হতে পারে ১৩ নম্বর জার্সি। যদিও পরে জানা যায়, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি নম্বর চূড়ান্ত হয়নি।

তবে বিতর্ক থামেনি। কারণ ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি শুধুই একটি সংখ্যা নয়, এটি দেশটির ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতীকগুলোর একটি। পেলে, জিকো, রিভালদো, রোনালদিনহো ও কাকাদের মতো কিংবদন্তিরা এই জার্সি পরেছেন।

২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরে আসছেন নেইমার। দীর্ঘদিন ধরে তিনিই এই জার্সির উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে দেখা হচ্ছে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে। নেইমার চোটে থাকাকালে ২০২৩ সালে প্রথমবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর থেকেই অনেক সমর্থক মনে করছেন, এখন সময় এসেছে নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার।

তবে অভিজ্ঞতা ও দলের ভেতরে প্রভাবের দিক দিয়ে এখনো এগিয়ে নেইমার। ব্রাজিলের ড্রেসিংরুমে তার নেতৃত্ব ও গুরুত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন রাফিনিয়ার মতো সতীর্থরাও।

সবশেষ সিদ্ধান্ত অবশ্য নেবেন নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। যদি অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে নেইমারের কাছেই থাকতে পারে ১০ নম্বর জার্সি। সেক্ষেত্রে ভিনিসিয়ুস হয়তো আবার ৭ নম্বর জার্সিতেই ফিরবেন।

আর যদি নেইমার ১০ নম্বর জার্সি পরে এবারের বিশ্বকাপে খেলেন, তাহলে ইতিহাসও গড়বেন তিনি। কারণ তখন তিনিই হবেন একমাত্র ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার, যিনি চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলেছেন।