• ই-পেপার

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকা

রিজওয়ান-সাজিদই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক
রিজওয়ান-সাজিদই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশের
ছবি : মীর ফরিদ

সিলেট টেস্টে জয় থেকে মাত্র তিন উইকেট দূরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। তবে শেষ দিনে স্বাগতিকদের সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান।

চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য তখনো প্রয়োজন ১২১ রান। হাতে ছিল মাত্র তিন উইকেট। কিন্তু পঞ্চম দিনের শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শিবিরে নতুন করে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছেন রিজওয়ান-সাজিদ জুটি।

সকালের প্রথম ৯ ওভারে দুজন মিলে তুলেছেন ৩৭ রান। পাঁচটি বাউন্ডারিও এসেছে তাদের ব্যাট থেকে। যেখানে দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার আশা ছিল বাংলাদেশের, সেখানে উল্টো চাপ তৈরি করেছেন পাকিস্তানের দুই ব্যাটার।
৯১ রানে রিজওয়ান ও ২৬ রানে অপরাজিত আছিন সাজিদ। 

দিনের শুরুতে নাহিদ রানা বোলিং আক্রমণ শুরু করলেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি। রিজওয়ান ও সাজিদ আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন।

এর আগে ম্যাচে পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তার শিকার হয়েছেন বাবর আজম, শান মাসুদ ও সালমান আলি আগার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটাররা।

বিশেষ করে সালমান ও রিজওয়ানের ১৩৪ রানের জুটি ম্যাচে পাকিস্তানকে নতুন আশা দেখিয়েছিল। পরে সালমানকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল।

এখন ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে রিজওয়ান-সাজিদ জুটির ওপর। বাংলাদেশ কি দ্রুত শেষ তিন উইকেট তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়বে, নাকি পাকিস্তান অবিশ্বাস্য এক রানতাড়ার গল্প লিখবে, সেই উত্তর মিলবে শেষ দিনের খেলায়।

রিয়ালে মরিনহোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে

ক্রীড়া ডেস্ক
রিয়ালে মরিনহোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে
সংগৃহীত ছবি

রিয়াল মাদ্রিদে হোসে মরিনহোর প্রত্যাবর্তন এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ও ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, লা লিগা মৌসুম শেষ হওয়ার পর আগামী রবিবার কিংবা সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মরিনহোকে নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে রিয়াল মাদ্রিদ।

শনিবার অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিপক্ষে মৌসুমের শেষ ম্যাচ খেলবে রিয়াল। আর সেই ম্যাচের পরই ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’-এর ফেরার ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়ালের দায়িত্বে ছিলেন মরিনহো। এবার তিনি দুই বছরের চুক্তিতে আবারও সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরতে যাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ইএসপিএন। ইতিমধ্যে বর্তমান ক্লাব বেনফিকাতেও বিদায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন এই পর্তুগিজ কোচ।

চলতি মৌসুমে রিয়ালের হতাশাজনক পারফরম্যান্সই মূলত বড় পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে। লা লিগায় বার্সেলোনার পেছনে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। টানা দ্বিতীয় মৌসুম বড় কোনো শিরোপা ছাড়াই শেষ করতে যাচ্ছে ক্লাবটি।

জাভি আলোনসোর বিদায়ের পর জানুয়ারিতে দায়িত্ব পান আলভারো আরবেলোয়া। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনিও। আর তাই শেষ পর্যন্ত আবারও অভিজ্ঞ মরিনহোর দিকেই ঝুঁকেছেন ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পেরেজ বলেছিলেন, মরিনহোর প্রথম মেয়াদই রিয়ালকে নতুন প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা এনে দিয়েছিল এবং পরবর্তী সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল।

সেই বিশ্বাস থেকেই হয়তো এবার আবারও তাকে দায়িত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি।

তবে ক্লাবের চলমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। পেরেজ পুনর্নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ব্যবসায়ী এনরিকে রিকেলমে প্রার্থী হতে পারেন বলে গুঞ্জন আছে। সে কারণেই মরিনহোর চুক্তিতে বিশেষ একটি ধারা রাখার বিষয়ও বিবেচনা করছে রিয়াল। ভবিষ্যতে নতুন সভাপতি এলে চাইলে যেন অন্য কোচ নিয়োগ দিতে পারেন।

২০১৩ সালে রিয়াল ছাড়ার পর মরিনহো কোচিং করিয়েছেন চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহ্যাম, রোমা ও ফেনারবাচের মতো ক্লাবে। গত সেপ্টেম্বরে যোগ দেন বেনফিকায়। আর এখন সব কিছু ঠিক থাকলে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে বার্নাব্যুতে তার দ্বিতীয় অধ্যায়। 

২৬ জনের জায়গায় কেন ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা করল পর্তুগাল

ক্রীড়া ডেস্ক
২৬ জনের জায়গায় কেন ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা করল পর্তুগাল
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে কোচ মার্তিনেজ। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণায় ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্তুগাল। যেখানে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ২৬ জন খেলোয়াড় রাখার সুযোগ রয়েছে, সেখানে ২৭ জনকে নিয়ে দল ঘোষণা করেছেন কোচ রবার্তো মার্তিনেজ।

এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। কেন অতিরিক্ত একজন খেলোয়াড় রাখা হলো, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

মূলত অতিরিক্ত গোলরক্ষক হিসেবে দলে রাখা হয়েছে রিকার্দো ভেলহোকে। তবে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ২৬ সদস্যের তালিকায় তার নাম নেই।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, মূল তিন গোলরক্ষকের কেউ চোটে পড়লে তখন বদলি হিসেবে সুযোগ পাবেন ভেলহো। এর বাইরে পুরো টুর্নামেন্টে দলের সঙ্গেই থাকবেন তিনি এবং অনুশীলনে সহায়তা করবেন।

এ বিষয়ে মার্তিনেজ বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের জটিলতা অনেক বেশি। কিছু পজিশনে আমাদের দুজনের বেশি খেলোয়াড় প্রয়োজন।’

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপে দীর্ঘ ভ্রমণ, ভিন্ন আবহাওয়া ও সময়ের পার্থক্যকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন পর্তুগাল কোচ। তার মতে, বাড়তি প্রস্তুতি ও স্কোয়াডের গভীরতা পর্তুগালকে সুবিধা দিতে পারে।

এবারের বিশ্বকাপে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর দিকেও থাকবে বিশেষ নজর। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা খেলতে যাচ্ছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।

বিশ্বকাপের আগে রিয়ালে ফিরলেন ব্রাজিল তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে রিয়ালে ফিরলেন ব্রাজিল তারকা
সংগৃহীত ছবি

স্বপ্নের মতো এক সপ্তাহ কাটালেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ তারকা এন্দ্রিক। একদিকে কার্লো আনচেলত্তি নিশ্চিত করেছেন, আসন্ন বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলে থাকছেন তিনি। অন্যদিকে আবেগঘন বিদায়বার্তায় লিওঁ সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ফিরলেন রিয়াল মাদ্রিদে। 

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এন্দ্রিক বলেন, ‘এখন বিদায় বলার সময় এসেছে। আমি ফিরছি, তবে আগের চেয়ে অনেক বেশি কিছু নিয়ে। এই শহর সব সময় আমার হৃদয়ে ও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।’

রিয়াল মাদ্রিদে পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া এবং চোটের কারণে গত মৌসুমের মাঝপথে ধারে ফরাসি ক্লাব লিওঁতে যোগ দেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। মূল লক্ষ্য ছিল নিয়মিত খেলে নিজেকে প্রমাণ করে বিশ্বকাপ দলে জায়গা নিশ্চিত করা। আর সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন তিনি।

ব্রাজিলের ক্রীড়া গণমাধ্যম ‘জিই’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এন্ড্রিক তার শৈশবের ত্যাগ, লিওঁতে ফর্ম ফিরে পাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন। 

তিনি জানান, ‘বিশ্বকাপে খেলা একটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার। তবে এটা একটা পুরস্কার, লটারিতে প্রাইজ জেতার মতো কোনো ঘটনা নয়। আমার পরিবারকে চাকরি-বাকরি ছাড়া অচেনা শহরে এসে কঠিন দিন পার করতে হয়েছে। দল থেকে বাদ পড়ার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। গত ১০ বছর ধরে প্রতিনিয়ত চাপের মধ্যে থেকে নিজেকে প্রমাণ করে আজ এই জায়গায় এসেছি।’ 

লিওঁর হয়ে মাত্র ১৬টি লিগ ম্যাচে ১২টি গোল অবদান রেখে ক্লাবের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ে পরিণত হন এন্দ্রিক। শুধু গোল করাতেই নয়, ড্রিবলিং, সুযোগ তৈরি এবং ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করার দক্ষতায়ও মুগ্ধ করেছেন সবাইকে। অনেকের মতে, গত কয়েক মাসে বিশ্ব ফুটবলের সেরা ফরোয়ার্ডদের একজনের মতোই খেলেছেন তিনি।

ফরাসি সংবাদমাধ্যমের দাবি, লিওঁতে কাটানো সময়টুকুতেই সমর্থকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন এন্দ্রিক। একইসঙ্গে শহর ও ক্লাবটির প্রতিও তৈরি হয়েছে তার গভীর আবেগ।

আগামী মৌসুমে আবারও রিয়াল মাদ্রিদের মূল দলে ফিরবেন এই ব্রাজিলিয়ান। ক্লাবটির আশা, লিওঁতে পাওয়া অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস তাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।