২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে অস্ট্রিয়া, আর সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন কোচ রালফ রাংনিক। অভিজ্ঞতা ও ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা ফুটবলারদের প্রাধান্য দেওয়া এই দলে জায়গা পেয়েছেন ডেভিড আলাবা, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎজারদের মতো পরিচিত মুখ।
দলের রক্ষণভাগে আছেন টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে খেলা কেভিন ডানসো। ইনজুরিতে ভরা মৌসুম কাটালেও স্কোয়াডে জায়গা ধরে রেখেছেন রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। চলতি মৌসুমে তিনি মাত্র ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন।
মিডফিল্ডে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের তারকা কনরাড লাইমার, যিনি সদ্য বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মার্সেল সাবিৎজার ও কার্নি চুকউয়েমেকা। ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে খেলা চুকউয়েমেকা এবারই প্রথম অস্ট্রিয়ার সিনিয়র দলে জায়গা পেলেন।
তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে রাংনিকের আক্রমণভাগ নিয়ে। পুরো দলে মাত্র তিনজন স্বীকৃত ফরোয়ার্ড রেখেছেন তিনি। তাদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ মার্কো আরনাউতোভিচ, যিনি ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়েছেন। এছাড়া আছেন মাইকেল গ্রেগোরিশ ও সাসা কালাইজদিচ।
১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তারা সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে সান মারিনোর বিপক্ষে ১০-০ গোলের জয় ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।
২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দলটিকে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন রালফ রাংনিক। তার অধীনেই ২০২৪ ইউরোতে গ্রুপসেরা হয়েছিল অস্ট্রিয়া, যেখানে তারা ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসকে পেছনে ফেলেছিল। যদিও শেষ ষোলোতে তুরস্কের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের।
অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: প্যাট্রিক পেন্টজ, আলেকজান্ডার শ্লাগার ও ফ্লোরিয়ান উইগেল
ডিফেন্ডার: ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ এমওয়েন, স্টিফান পোশ, আলেকজান্ডার প্রাস ও মাইকেল সোবোদা
মিডফিল্ডার: ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎজার, জাভার শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপ, নিকোলাস সাইওয়াল্ড, পল ওয়ানার ও প্যাট্রিক উইমার
ফরোয়ার্ড: মার্কো আরনাউতোভিচ, মাইকেল গ্রেগরিচ ও সাসা কালাইজিচ