• ই-পেপার

৩৩৫ রানে পিছিয়ে মধ্যাহ্নভোজে পাকিস্তান, বাংলাদেশের দরকার ৮ উইকেট

তারকাখচিত দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
তারকাখচিত দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া
সংগৃহীত ছবি

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে অস্ট্রিয়া, আর সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন কোচ রালফ রাংনিক। অভিজ্ঞতা ও ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা ফুটবলারদের প্রাধান্য দেওয়া এই দলে জায়গা পেয়েছেন ডেভিড আলাবা, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎজারদের মতো পরিচিত মুখ।

দলের রক্ষণভাগে আছেন টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে খেলা কেভিন ডানসো। ইনজুরিতে ভরা মৌসুম কাটালেও স্কোয়াডে জায়গা ধরে রেখেছেন রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। চলতি মৌসুমে তিনি মাত্র ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন।

মিডফিল্ডে আছেন বায়ার্ন মিউনিখের তারকা কনরাড লাইমার, যিনি সদ্য বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মার্সেল সাবিৎজার ও কার্নি চুকউয়েমেকা। ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে খেলা চুকউয়েমেকা এবারই প্রথম অস্ট্রিয়ার সিনিয়র দলে জায়গা পেলেন।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে রাংনিকের আক্রমণভাগ নিয়ে। পুরো দলে মাত্র তিনজন স্বীকৃত ফরোয়ার্ড রেখেছেন তিনি। তাদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ মার্কো আরনাউতোভিচ, যিনি ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়েছেন। এছাড়া আছেন মাইকেল গ্রেগোরিশ ও সাসা কালাইজদিচ।

১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তারা সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে সান মারিনোর বিপক্ষে ১০-০ গোলের জয় ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।

২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দলটিকে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন রালফ রাংনিক। তার অধীনেই ২০২৪ ইউরোতে গ্রুপসেরা হয়েছিল অস্ট্রিয়া, যেখানে তারা ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসকে পেছনে ফেলেছিল। যদিও শেষ ষোলোতে তুরস্কের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের।

অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক: প্যাট্রিক পেন্টজ, আলেকজান্ডার শ্লাগার ও ফ্লোরিয়ান উইগেল 

ডিফেন্ডার: ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ এমওয়েন, স্টিফান পোশ, আলেকজান্ডার প্রাস ও মাইকেল সোবোদা 

মিডফিল্ডার: ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎজার, জাভার শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপ, নিকোলাস সাইওয়াল্ড, পল ওয়ানার ও প্যাট্রিক উইমার 

ফরোয়ার্ড: মার্কো আরনাউতোভিচ, মাইকেল গ্রেগরিচ ও সাসা কালাইজিচ 

দুই ভাইকে নিয়ে বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কুরাসাওয়ের দল ঘোষণা

ক্রীড়া ডেস্ক
দুই ভাইকে নিয়ে বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কুরাসাওয়ের দল ঘোষণা
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও। মঙ্গলবার (১৯ মে) ঘোষণা করা বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন দুই ভাই লিয়েন্দ্রো বাকুনা ও জুনিও বাকুনা। 

মাত্র দুই লাখের কম জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অ্যাস্টন ভিলার সাবেক মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো বাকুনা দলটিকে নেতৃত্ব দেবেন। তিনি এখন তুরস্কের দ্বিতীয় স্তরের দল ইগদির এফকেতে খেলছেন। তার ছোট ভাই জুনিও বাকুনাও বিশ্বকাপ দলে আছেন। ২৮ বছর বয়সী জুনিও খেলেন ডাচ ক্লাব ভলেনডাকেমে। 

এ ছাড়া বিশ্বকাপ দলে আছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক একাডেমি খেলোয়াড় তাহিথ চংও। ২৬ বছর বয়সী চং নেদারল্যান্ডসের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছিলেন। গত আগস্টে তিনি কুরাসাওয়ের নাগরিকত্ব নেন। বর্তমানে ক্লাব ফুটবলে খেলেন ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে। 

‘ই’ গ্রুপে থাকা কুরাসাও বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৪ জুন জার্মানির বিপক্ষে। একই গ্রুপে তাদের অপর দুই প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর ও আইভরি কোস্ট।

কুরাসাওয়ের পূর্ণাঙ্গ বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক: টাইরিক বোডাক, ট্রেভর ডুরনবুশ, এলয় রুম।

ডিফেন্ডার: রিশেডলি বাজোয়ের, জশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান ইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্ডো ওবিস্পো, শুরান্ডি সাম্বো।

মিডফিল্ডার: জুনিও বাকুনা, লিয়েন্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিডা, আর’জানি মার্থা, টাইরেস নোসলিন, গডফ্রেড রোমেরাথু।

ফরোয়ার্ড: জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেঞ্জি গোরি, সন্টজে হ্যানসেন, জার্ভেন কাস্তানির, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, ইয়ুর্গেন লোকাডিয়া, জের্ল মার্গারিটা। 

ব্রাজিল দল থেকে বাদ পড়াদের তালিকায় বড় চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিল দল থেকে বাদ পড়াদের তালিকায় বড় চমক
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার দিনটি যেমন অনেক ফুটবলারের জন্য স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত, তেমনি কারো জন্য তা হতাশারও নাম। ইনজুরির কারণে আগেই ছিটকে গেছেন রদ্রিগো গোয়েস। রিয়াল মাদ্রিদের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এসিএল চোটে পড়ে বিশ্বকাপসহ প্রায় এক বছরের জন্য মাঠের বাইরে। পরে একই দুর্ভাগ্যে পড়েন এডার মিলিতাও ও তরুণ প্রতিভা এস্তেভাও উইলিয়ান। তবে ইনজুরির বাইরেও এবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে বাদ পড়াদের তালিকায় এসেছে কয়েকটি বড় চমক। 

রিও ডি জেনিরোতে সোমবার দিবাগত রাতে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেখানে সবচেয়ে আলোচিত বাদ পড়াদের একজন জোয়াও পেদ্রো। চেলসির এই ফরোয়ার্ডকে আনচেলত্তি এর আগে পাঁচবারের মধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক উইন্ডোর দলে রেখেছিলেন। চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ১৫ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করে তিনি প্রিমিয়ার লিগে চেলসির সর্বোচ্চ গোলদাতাও ছিলেন। তবু শেষ পর্যন্ত জায়গা হয়নি বিশ্বকাপের বিমানে।

গত মার্চের ফিফা উইন্ডোতে থাকা কয়েকজন ফুটবলারও এবার বাদ পড়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক হুগো সুজা ও বেন্তো ম্যাথিউস, ডিফেন্ডার কাইকি, মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোস ও গ্যাব্রিয়েল সারা। জায়গা হয়নি রিচার্লিসন এবং আন্দ্রে পেরেইরারও। মার্চে অবশ্য ইনজুরির কারণে নিয়মিত কয়েকজন ফুটবলার না থাকায় বিকল্প হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন হুগো সুজা ও কাইকি। 

আনচেলত্তির শুরু দিককার পরিকল্পনায় আন্দ্রে সান্তোস ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নাম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব পর্যায়ে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা হারিয়েছেন তিনি। একইভাবে বাদ পড়েছেন জোয়াও পেদ্রোও। কোচের আস্থার তালিকায় তুলনামূলক এগিয়ে ছিলেন অন্যরা। বিশেষ করে দলে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও রাফিনিয়া।

তবে চমকও রেখেছেন ব্রাজিল কোচ। বোর্নমাউথে খেলা রায়ান এবং ব্রেন্টফোর্ডের ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো জায়গা করে নিয়েছেন চূড়ান্ত দলে। আনচেলত্তির অধীনে তারা খেলেছেন মাত্র একটি করে ম্যাচ। এছাড়া আগের ম্যাচগুলোয় ভালো পারফরম্যান্স করা লুইজ হেনরিক ও ম্যাথিউস কুনহাও বিশ্বকাপ দলে জায়গা ধরে রেখেছেন।

বাদ পড়াদের নিয়ে আক্ষেপও ঝরেছে আনচেলত্তির কণ্ঠে। ব্রাজিল কোচ বলেন, এই দেশের ফুটবলারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এতটাই কঠিন যে ২৬ জন বেছে নেওয়া সহজ ছিল না। দীর্ঘ সময় দলের সঙ্গে থাকা অনেকেই এবার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ, সেটিও তিনি বুঝতে পারছেন বলে জানিয়েছেন। 

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, উদ্বোধনী ম্যাচের আগ পর্যন্ত ইনজুরির কারণে স্কোয়াডে পরিবর্তন আনার সুযোগ থাকবে। তবে বিকল্প হিসেবে নেওয়া খেলোয়াড়কে অবশ্যই প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের তালিকায় থাকতে হবে। গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট শুরুর পরও বিশেষ শারীরিক সমস্যার প্রমাণ দিলে পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিশ্বকাপে নেইমারকে নেওয়ার কারণ ও একাদশে রাখা নিয়ে যা জানালেন ব্রাজিল কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে নেইমারকে নেওয়ার কারণ ও একাদশে রাখা নিয়ে যা জানালেন ব্রাজিল কোচ
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিল জাতীয় দলে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি প্রথমবারের মতো তাকে চূড়ান্ত দলে জায়গা দিয়েছেন, আর প্রথম ডাকই এসেছে বিশ্বকাপ মিশনের জন্য। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর অবশেষে ২৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াডে জায়গা নিশ্চিত হয়েছে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার।

প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের তালিকায় নাম থাকলেও নেইমারকে নিয়ে সংশয় কাটছিল না। চোট থেকে পুরোপুরি ফেরা, ফিটনেস এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় রেখেই শেষ পর্যন্ত তাকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আনচেলত্তি। একই সঙ্গে ব্রাজিল কোচ স্পষ্ট করেছেন, স্কোয়াডে থাকলেও শুরুর একাদশে জায়গা এখনো নিশ্চিত নয় এই তারকা ফরোয়ার্ডের।

রিও ডি জেনেইরোতে সোমবার দিবাগত রাতে জমকালো আয়োজনে ঘোষণা করা হয় ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার, কোচ ও ফুটবল অঙ্গনের নানা পরিচিত মুখ। ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর তথ্য অনুযায়ী, ১৩টি দেশের সাংবাদিকসহ ৬০০-এর বেশি গণমাধ্যমকর্মী অনুষ্ঠানটি কাভার করেন। আর নেইমারের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।

দল ঘোষণার পর আনচেলত্তি জানান, পুরো মৌসুমজুড়েই নজর রাখা হয়েছে নেইমারের ওপর। ব্রাজিল কোচের ভাষায়, সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত খেলতে পারা এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতিই তাকে দলে নেওয়ার বড় কারণ। তবে অন্যদের মতোই তাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৭৯ গোলের মালিক। তবে ২০২৩ সালে এসিএল চোটে পড়ার পর থেকে বারবার ইনজুরিতে ভুগেছেন তিনি। তাই শতভাগ ফিটনেসই ছিল জাতীয় দলে ফেরার প্রধান শর্ত। যদিও সান্তোসের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচেও কিছুটা শারীরিক অস্বস্তিতে দেখা গেছে তাকে। সে কারণে আনচেলত্তিও ফিটনেস নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চয়তা দেননি। 

ব্রাজিল কোচ পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে নেইমারের ভূমিকা নির্ভর করবে তার প্রস্তুতির ওপর। তার মতে, প্রথম একাদশে খেলা, বেঞ্চে থাকা কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে বদলি হিসেবে নামার মতো সব সম্ভাবনাই খোলা আছে। তবে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড দলের পরিবেশ ইতিবাচক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও মনে করেন তিনি।

আনচেলত্তি বলেন, কোনো একক তারকার ওপর নির্ভর করতে চান না তিনি। বরং দলগত পারফরম্যান্সই হবে ব্রাজিলের মূল শক্তি। তার ভাষায়, বিশ্বকাপ জিততে হলে পুরো দলকেই অবদান রাখতে হবে। এমন খেলোয়াড়ই তিনি বেছে নিয়েছেন, যারা দলকে খেলার সময় এক মিনিট হোক কিংবা পুরো ম্যাচ এগিয়ে নিতে পারবেন।

একই সঙ্গে স্কোয়াড নিয়ে এখনই অতিরিক্ত সমালোচনা না করার আহ্বানও জানিয়েছেন ইতালিয়ান এই কোচ। তার মতে, এটি হয়তো নিখুঁত দল নয়, তবে সহনশীল, নিবেদিত এবং দলকেন্দ্রিক একটি স্কোয়াড গড়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ফলই বলে দেবে সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না।