• ই-পেপার

আইপিএল ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাবর-সালমানকে ফিরিয়ে ম্যাচের নাটাই হাতে নিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবর-সালমানকে ফিরিয়ে ম্যাচের নাটাই হাতে নিল বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বড় জুটি গড়ার আগেই বাবর আজম ও সালমান আগাকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের আশা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাবর। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছিলেন তিনি। ৬৩ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩১তম টেস্ট ফিফটি।

লাঞ্চের পরও সালমান আঘাকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। দুজনের জুটিতে আসে ৬৩ রান। 

তবে দ্রুতই ম্যাচে আবারও আঘাত হানে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে সহজ ক্যাচ তুলে দেন বাবর। ৬৮ রান করে ফিরে যান পাকিস্তানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার।

এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সালমান আঘাও। তাইজুল ইসলামর বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন মুমিনুল হকের হাতে। ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এর আগে দিনের শুরুতেই পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দারুণ সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরান শান মাসুদ ও সৌদ শাকিলকে।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে গেছে পাকিস্তান। এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই বাংলাদেশের হাতে।

বাবরের নতুন মাইলফলক, ছুঁলেন স্টিভ স্মিথকে

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবরের নতুন মাইলফলক, ছুঁলেন স্টিভ স্মিথকে
বাবর আজম। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে আরেকটি বড় মাইলফলক ছুঁয়েছেন বাবর আজম। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ইতিহাসে সর্বাধিক ফিফটির তালিকায় এবার স্টিভ স্মিথকে ছুঁয়ে ফেলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ক্যারিয়ারের ৩১তম টেস্ট ফিফটি তুলে নেন বাবর। একই সঙ্গে এটি ছিল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তার ২০তম অর্ধশতক।

এই কীর্তিতে বাবর এখন যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ও ইংল্যান্ডের জাক ক্রলি।

মাত্র ৩৯ টেস্ট খেলেই এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। তালিকায় বাবরের ওপরে আছেন শুধু জো রুট ও মার্নাস লাবুশেন। রুটের ফিফটির সংখ্যা ২২, আর লাবুশেন আছেন সবার ওপরে ২৪টি অর্ধশতক নিয়ে।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বাধিক ফিফটি:

১. মার্নাস লাবুশেন – ২৪
২. জো রুট – ২২
৩. বাবর আজম – ২০
৩. স্টিভ স্মিথ – ২০
৩. জাক ক্রলি – ২০। 

সিলেটে দলের চাপে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ফিফটির পর বেশি এগোতে পারলেন না তিনি। নাহিদ রানার বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৬৮ রান করে ফেরেন বাবর আজম। 

প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট তুলে মধ্যাহ্নভোজে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট তুলে মধ্যাহ্নভোজে বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচে দাপট দেখাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট তুলে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে লাঞ্চ বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।

দিন শুরুতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ২১ রান। তবে সকালে মেঘলা আবহাওয়ায় নতুন বলে আগুন ঝরান তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলেই তিনি ফেরান আব্দুল্লাহ ফজলকে। ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় উইকেটকিপার লিটন দাসর গ্লাভসে।

এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও ফেরান তাসকিন। শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর শান মাসুদ ও বাবর আজম মিলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। দুজনের ৩৮ রানের জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শর্ট কাভারে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২১ রান করে ফেরেন মাসুদ।

এরপর মিরাজের শিকার হন সৌদ শাকিলও। সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটের আগায় লেগে বল তুলে দেন লিটনের হাতে। ৮ রান করে ফেরেন তিনি।

একপ্রান্তে অবশ্য ইতিবাচক ব্যাটিং করেছেন বাবর আজম। দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি দৌড়ে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। 

লাঞ্চ বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ২৭৮ রানের জবাবে এখনো অনেক পিছিয়ে সফরকারীরা।

শিরোপা উৎসবে হামলার শিকার প্রতিপক্ষ ফুটবলাররা

ক্রীড়া ডেস্ক
শিরোপা উৎসবে হামলার শিকার প্রতিপক্ষ ফুটবলাররা

শিরোপা জয়ের আনন্দ মুহূর্তেই রূপ নিল বিশৃঙ্খলায়। স্কটল্যান্ডে সেল্টিকের শিরোপা উদ্‌যাপনের সময় হামলার শিকার হয়েছেন প্রতিপক্ষ হার্টসের ফুটবলাররা।

শনিবার হার্টসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের শিরোপা নিশ্চিত করে সেলটিক। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল হার্টস। অধিনায়ক লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড গোল করে দলকে লিড এনে দেন।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সেলটিক। আর্নে এঙ্গেলস সমতা ফেরানোর পর শেষ দিকে গোল করেন দাইজেন মায়েদা ও ক্যালাম অসমন্ড। তাতেই শিরোপা নিশ্চিত হয় সেলটিকের।

কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উচ্ছ্বসিত সমর্থকেরা মাঠে নেমে পড়েন। বিশৃঙ্খলার মধ্যে হামলার শিকার হন হার্টসের কয়েকজন ফুটবলার।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে শ্যাঙ্কল্যান্ডকে ঘিরে ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক সমর্থকের আক্রমণের মুখে আত্মরক্ষার চেষ্টা করছেন তিনি। এক পর্যায়ে তাকেও ঘুষি মারতে দেখা যায়। পরে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেন।

 

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হার্টস। ক্লাবটি এক বিবৃতিতে ঘটনাকে ‘স্কটিশ ফুটবলের জন্য লজ্জাজনক’ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতার কথাও জানিয়েছে তারা।

এই ঘটনার কারণে ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্বও পালন করতে পারেননি হার্টসের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত স্টেডিয়াম ছাড়তে বাধ্য হন তারা।