• ই-পেপার

আমিরের চেয়েও ভয়ংকর শাহীন আফ্রিদি, দাবি শহীদ আফ্রিদির

তাসকিনের জোড়া আঘাত

ক্রীড়া ডেস্ক
তাসকিনের জোড়া আঘাত
দুই ওপেনারকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে শুরুতেই দারুণ আঘাত হেনেছেন বাংলাদেশি পেসার তাসকিন আহমেদ। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছে পাকিস্তান। 

প্রথম দিনের খেলা শেষে ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ২১ রান করেছিল পাকিস্তান। আজ সকালে মেঘলা আবহাওয়া ও ফ্লাডলাইটের মধ্যে বোলিং শুরু করে বাংলাদেশ। এমন কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন তাসকিন।

ওভারের তৃতীয় বলে আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন।

এরপর আরেকটি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে আরো চাপে ফেলেন তাসকিন। সকালের সেশনে দুই প্রান্ত থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তিনি ও শরীফুল ইসলাম।

এর আগে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসর ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে ২৭৮ রান তোলে বাংলাদেশ। এখন সেই সংগ্রহকে বড় করে তুলতেই বোলারদের দিকে তাকিয়ে স্বাগতিকরা।

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, কারা আছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, কারা আছেন
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। টানা দ্বিতীয়বারের মতো দলকে নেতৃত্ব দেবেন ফাতিমা সানা।

শনিবার ১৫ সদস্যের দল ঘোষণাদ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। একই সঙ্গে আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় সিরিজের দলও ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয় রাখা হয়েছে। ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটার ইরাম জাভেদ জায়গা ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে আইমান ফাতিমা, নাতালিয়া পারভেজ, রামিন শামিম, সাইরা জাবিন ও তাসমিয়া রুবাব প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে আইসিসি টুর্নামেন্টে খুব একটা ভালো করতে পারেনি পাকিস্তান। তবে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর আত্মবিশ্বাসী দলটি। সেই সিরিজেই মাত্র ১৫ বলে ফিফটি করে নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড গড়েছিলেন অধিনায়ক ফাতিমা সানা।

আগামী ১৪ জুন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পাকিস্তান। একই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস।

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল

ফাতিমা সানা (অধিনায়ক), আলিয়া রিয়াজ, আয়েশা জাফর, ডায়ানা বেগ, আইমান ফাতিমা, গুল ফিরোজা, ইরাম জাভেদ, মুনিবা আলী, নাশরা সান্ধু, নাতালিয়া পারভেজ, রামিন শামিম, সাদিয়া ইকবাল, সাইরা জাবিন, তাসমিয়া রুবাব ও তুবা হাসান।

হার সহ্য করতে না পেরে মেডেলও নিলেন না রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
হার সহ্য করতে না পেরে মেডেলও নিলেন না রোনালদো
হারের পর এমন হতাশ দেখা যায় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। ছবি : রয়টার্স

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু ফাইনালে হারের হতাশা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ম্যাচ শেষের পর তার আচরণ ঘিরে এখন তুমুল আলোচনা ফুটবল দুনিয়ায়।

শনিবার ফাইনালে জাপানের গাম্বা ওসাকার কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আল নাসর। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে প্রথমার্ধেই। এরপর পুরো ম্যাচে সমতায় ফেরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় সৌদি ক্লাবটি।

পরাজয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দলের সঙ্গে দেখা যায়নি রোনালদোকে। আল নাসরের খেলোয়াড়রা যখন মেডেল নিতে মঞ্চে উঠছিলেন, তখন সেখানে ছিলেন না পর্তুগিজ তারকা। তার বদলে দলের নেতৃত্ব দেন কোচ জর্জ জেসুস।

 

রোনালদোর অনুপস্থিতির আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা এখনো দেয়নি ক্লাব। তবে ম্যাচ শেষে প্রকাশিত ভিডিওতে তাকে ভীষণ ভেঙে পড়া অবস্থায় দেখা যায়। মাঠেই হতাশ মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।

 

এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেক সমর্থকের ধারণা, ফাইনাল হারের মানসিক ধাক্কা থেকেই মেডেল অনুষ্ঠানে যেতে চাননি রোনালদো।

সৌদিতে যোগ দেওয়ার পর বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ছিল রোনালদোর। কিন্তু গাম্বা ওসাকার কাছে হেরে সেই অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো।

সৌদিতে রোনালদোর ট্রফি-অভিশাপ কাটল না

ক্রীড়া ডেস্ক
সৌদিতে রোনালদোর ট্রফি-অভিশাপ কাটল না
সৌদিতে রোনালদোর ট্রফি-অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচের আগের সব আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে। সৌদিতে যোগ দেওয়ার পর অবশেষে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারবেন কি না, সেটাই ছিল বড় প্রশ্ন। তবে ফাইনালে সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে জাপানের গাম্বা ওসাকা।

শনিবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর ফাইনালে আল নাসরকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে গাম্বা ওসাকা।

২০০৮ সালে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা গাম্বা এই ট্রফি জিতে ইতিহাসও গড়েছে। তারাই প্রথম জাপানি ক্লাব হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু শিরোপা জিতল।

ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ২৯তম মিনিটে। আক্রমণের শুরুটা হয়েছিল রোনালদোর ভুল থেকে। পরে ডেনিজ হুমেত বক্সের ভেতরে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় জাল খুঁজে নেন।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় আল নাসর। তবে গাম্বার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখান।

রোনালদো পুরো ম্যাচেই অনেকটা নিষ্প্রভ ছিলেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একটি সুযোগ পেলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন তিনি। এ ছাড়া সাদিও মানে ও জোয়াও ফেলিক্সও চেষ্টা করেছিলেন। ফেলিক্সের একটি শট পোস্টে লাগে, আরেকটি শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেয় গাম্বার ডিফেন্ডাররা।

শেষ পর্যন্ত আল নাসরের সব আক্রমণ ঠেকিয়ে ১-০ গোলের জয় ধরে রাখে গাম্বা ওসাকা। আর রোনালদোর সৌদি অধ্যায়ে আরো একবার শিরোপা হাতছাড়া হলো।