গোল করার পর কর্নারের ফ্ল্যাগ হাতে সাম্বা ড্যান্সে মাতলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু নাচ শেষ করতেই শুনতে পেলেন বাতিল হতে পারে তার দ্বিতীয় গোলটি। ভিএআরে দেখার পর রেফারিও তাই করলেন। মনিটরে দেখার পর ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের দ্বিতীয় গোলটি বাতিল করে দিলেন তিনি।
পরে অবশ্য ঠিকই জোড়া গোল পেয়েছেন ভিনি। তার জোড়া গোলেই বিরতিতে গেছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন তিনি। সেখানে প্রথম গোলের সুযোগটা কি করে হাতছাড়া করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। যখন মুখের সামনে খাবার এসে পড়ে।
মায়ামি স্টেডিয়ামে তাই সুযোগটাও হাতছাড়া করলেন না ভিনিসিয়ুস। ম্যাচের ৭ মিনিটে ডি বক্সে বল পেয়ে সহজেই স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেন রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার। অ্যাঙ্গাস গানের অবশ্য কিছু করারই ছিল না।
করবেন কি করে? সতীর্থ স্কট ম্যাককেনা যে শিশুতোষ ভুল করে বসেন। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড রায়ানের পায়ে মারেন। সেই বল ডি বক্সে আনমার্কড থাকা ভিনিসিয়ুস পান। তাতে সহজেই গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাসকে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এতে করে এবারের বিশ্বকাপে টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল করলেন ভিনি।
২২ মিনিট আরেকটি গোল করেছিলেন ভিনি। কিন্তু ভিএআরে গোলটি বাতিল হয়। তাতে আনন্দটা মাটি হয়ে যায় তার। বল পাওয়ার আগে ভিনির পা সামনে থাকলে জ্যাক হেনড্রি ভারসাম্য হারালে সেই সুযোগ কাজে লাগান তিনি। কিন্তু ভিএআরে সেটাকেই ফাউল ধরে। এ নিয়ে তাই বিতর্ক থেকেই গেল।
বিরতিতে যাওয়ার আগে লিড বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ভিনির পাস থেকে বলকে জালের পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন ম্যাথিউস কুনহা। তার শট প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে জালে যাওয়ার আগে গোলরক্ষকের পায়ে লেগে বাইরে যায়।
যোগ করা সময়ে অবশ্য ঠিকই ২-০ লিড নিয়েছে। এবারের গোলের নায়কও ভিনি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সতীর্থ ব্রুনো গুইমারেসের ক্রসে শুধু ফাঁকা জালে হেড নিতে হয়েছে ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে।
অন্যদিকে যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে অবিশ্বাস্য মিস করে বসেন রায়ান। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
অন্যদিকে ‘সি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে ২-২ গোলে বিরতিতে গেছে মরক্কো-হাইতি।




