একটি-দুটি নয়; পাঁচটি-পাঁচটি পুরস্কার। সেটাও মাত্র ১৫ বছর বয়সে! রাজস্থান রয়্যালসকে ফাইনালে তুলতে না পারলেও বৈভব সূর্যবংশী এবারের আইপিএলে প্রায় সব আলো একাই কেড়েছেন।
ভারতের এই বিস্ময় বালক হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা, করেছেন সর্বোচ্চ রান, মেরেছেন সর্বোচ্চ ছক্কা। সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাও উঠেছে তার হাতে।
তবে যে পুরস্কার জেতার কারণে সূর্যবংশীকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা, তা একটি গাড়ি। এবারের আইপিএলে রেকর্ড ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে তিনি পেয়েছেন টাটা সিয়েরা সিইউভি গাড়ি, যার দাম ২৭ লাখ টাকা।
এত অল্প বয়সেই তিনটি গাড়ির মালিক হয়ে গেলেন সূর্যবংশী। গত বছর আইপিএলেও সুপার স্ট্রাইকারের পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন টাটা ব্র্যান্ডের গাড়ি। কার্ভ মডেলের সেই গাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য ২৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
শুধু কি তাই? আইপিএলের গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে রাজস্থান রয়্যালসের মালিক রঞ্জিত বরঠাকুর সূর্যবংশীকে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা দামের মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি উপহার দেন।
কিন্তু আগের দুটি গাড়ির চাবি সূর্যবংশী মায়ের হাতে তুলে দিয়েছেন। এবারো হয়তো তেমন কিছুই হবে। কারণ, সূর্যবংশী তিনটি গাড়ির মালিক বনে গেলেও সেগুলো নিজে চালাতে পারবেন না।
ভারতের সড়ক পরিবহন ও মোটরযান আইন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কেউ গিয়ারযুক্ত মোটরসাইকেল, বাইক, স্কুটি এবং চার চাকার গাড়ি চালাতে পারবেন না। ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ গাড়ি বা বাইক চালালে তা গুরুতর অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এতে ২৫ হাজার রুপি (৩২ হাজার টাকা) জরিমানা, এমনকি গাড়ির নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।
২০২৯ সালের ১১ মার্চ সূর্যবংশীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে। এরপরই তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। তাই আরো প্রায় পৌনে তিন বছর সূর্যবংশীকে চালক রাখতে হবে।




