• ই-পেপার

উরুগুয়ের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, নেই সুয়ারেজ

গাড়ি পেয়েছেন ২০২৫ ও ২০২৬ সালে, চালাতে পারবেন ২০২৯ সালে

ক্রীড়া ডেস্ক
গাড়ি পেয়েছেন ২০২৫ ও ২০২৬ সালে, চালাতে পারবেন ২০২৯ সালে
এবারের আইপিএলে টাটা সিয়েরা সিইউভি গাড়ি জিতেছেন বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

একটি-দুটি নয়; পাঁচটি-পাঁচটি পুরস্কার। সেটাও মাত্র ১৫ বছর বয়সে! রাজস্থান রয়্যালসকে ফাইনালে তুলতে না পারলেও বৈভব সূর্যবংশী এবারের আইপিএলে প্রায় সব আলো একাই কেড়েছেন। 

ভারতের এই বিস্ময় বালক হয়েছেন টুর্নামেন্টসেরা, করেছেন সর্বোচ্চ রান, মেরেছেন সর্বোচ্চ ছক্কা। সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাও উঠেছে তার হাতে। 

তবে যে পুরস্কার জেতার কারণে সূর্যবংশীকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা, তা একটি গাড়ি। এবারের আইপিএলে রেকর্ড ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে তিনি পেয়েছেন টাটা সিয়েরা সিইউভি গাড়ি, যার দাম ২৭ লাখ টাকা। 

এত অল্প বয়সেই তিনটি গাড়ির মালিক হয়ে গেলেন সূর্যবংশী। গত বছর আইপিএলেও সুপার স্ট্রাইকারের পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন টাটা ব্র্যান্ডের গাড়ি। কার্ভ মডেলের সেই গাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য ২৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা। 

IPL CAR
গত বছরের আইপিএলেও গাড়ি উপহার পান সূর্যবংশী। ছবি: বিসিসিআই

শুধু কি তাই? আইপিএলের গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে রাজস্থান রয়্যালসের মালিক রঞ্জিত বরঠাকুর সূর্যবংশীকে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা দামের মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি উপহার দেন। 

কিন্তু আগের দুটি গাড়ির চাবি সূর্যবংশী মায়ের হাতে তুলে দিয়েছেন। এবারো হয়তো তেমন কিছুই হবে। কারণ, সূর্যবংশী তিনটি গাড়ির মালিক বনে গেলেও সেগুলো নিজে চালাতে পারবেন না। 

ভারতের সড়ক পরিবহন ও মোটরযান আইন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কেউ গিয়ারযুক্ত মোটরসাইকেল, বাইক, স্কুটি এবং চার চাকার গাড়ি চালাতে পারবেন না। ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ গাড়ি বা বাইক চালালে তা গুরুতর অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এতে ২৫ হাজার রুপি (৩২ হাজার টাকা) জরিমানা, এমনকি গাড়ির নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

২০২৯ সালের ১১ মার্চ সূর্যবংশীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে। এরপরই তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। তাই আরো প্রায় পৌনে তিন বছর সূর্যবংশীকে চালক রাখতে হবে।  

টানা দুই আইপিএল জয়ের কৃতিত্ব কোচ ফ্লাওয়ারকে দিলেন পতিদার

ক্রীড়া ডেস্ক
টানা দুই আইপিএল জয়ের কৃতিত্ব কোচ ফ্লাওয়ারকে দিলেন পতিদার

আইপিএলে প্রথম শিরোপার জিততে দীর্ঘ ১৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। গত মৌসুমে সেই গেঁড়ো খোলার পর এবার আরেকটি শিরোপা জিতে নিল বেঙ্গালুরু। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির টানা দুই আইপিএল জয়ের কৃতিত্ব কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে দিলেন অধিনায়ক রজত পতিদার।

রজত পতিদার বলেছেন, দলের সংস্কৃতি পরিবর্তনের জন্য কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের প্রচেষ্টাই আইপিএলে শিরোপা ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।

গত রবিবার ফাইনালে বিরাট কোহলির ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের সুবাদে বেঙ্গালুরু ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে পাঁচ উইকেটের জয় তুলে নেয়।

২০২৪ আইপিএল মৌসুমে কোচ হিসেবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু যোগ দেন জিম্বাবুয়ের সাবেক খেলোয়াড় ফ্লাওয়ার। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আইপিএলের দীর্ঘ ১৭ আসর থাকে শিরোপা শূন্য। সেই তকমা জেড়ে ফেলে বেঙ্গালুরু টানা দুইবার শিরোপার স্বাদ পাওয়াতে অবদান রাখে এই সাবেক ক্রিকেটার।

অধিনায়ক রজত পতিদার বলেন, ‘আইপিএলের পাঁচ মৌসুম খেলেছি। ফ্লাওয়ার অন্যতম সেরা কোচদের একজন। তিনি যেভাবে খেলোয়াড়দের সামলান, বিশেষ করে নতুন খেলোয়াড়দের, তা সত্যিই প্রশংসীয়।’

প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা মিলনারের অবসর ঘোষণা

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা মিলনারের অবসর ঘোষণা
অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মিলনার। ছবি : রয়টার্স

মুখায়ব থেকে কৈশোরের ছাপ মুছে যাওয়ার আগেই প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক হয়েছিল জেমস মিলনারের। লিডস ইউনাইটেডের হয়ে রেকর্ড ১৬ বছর ৩৫৬ দিন বয়সে অভিষেক হওয়া মিলনার পরে তার বয়সী অনেককেই অবসর নিতে দেখেছেন। এমনকি তার চেয়ে কম বয়সী আরো অনেকে যাত্রা পথ থামিয়ে দিলেও দৌড় থামাচ্ছিলেন না তিনি।

অবশেষে থামছেন মিলনার। অভিষেকের দিন রেকর্ড গড়া মিডফিল্ডার এবার বিদায়বেলাতেও ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন। প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়ে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। ৪০ বছর বয়সী ইংল্যান্ড মিডফিল্ডারের নামের পাশে ম্যাচ সংখ্যা ৬৫৮।

 

বিদায়ের ঘোষণা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দিয়েছেন মিলনার। ব্রাইটনের হয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানা মিলনার লিখেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগের ২৪ মৌসুম শেষে আমি অনুভব করছি খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারের ইতি টানার এটাই উপযুক্ত সময়। ১৬ বছর বয়সে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে অভিষেক হয়েছিল। তারা আমাকে বেড়ে উঠতে সহায়তা করেছে। তখন প্রিমিয়ার লিগের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হয়েছিলাম। আমার ক্যারিয়ার এতটা দীর্ঘ হবে, তা কখনো কল্পনাও করিনি। গত বছর এমন অবস্থাও হয়েছিল ঠিকমতো পা তুলতে পারতাম না, সেখান থেকে ফিরে ৪০ বছর বয়সে ব্রাইটনের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নেওয়া দলের অংশ হতে পেরেছি।’

২০০২ সালে লিডসের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মিলনার। তবে ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন লিভারপুলের হয়ে। অলরেডদের হয়ে খেলেছেন সর্বোচ্চ ২৩০ ম্যাচ। এ ছাড়া ম্যানচেস্টার সিটি, নিউক্যাসল, অ্যাস্টন ভিলার হয়েও মাঠ মাতিয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে ক্যারিয়ারে গোল করেছেন ৫৬টি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৬১ ম্যাচ। সবমিলিয়ে ২৪ বছরের পথচলা থামালেন মিলনার।

আয়োজক মেক্সিকোর বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, আছেন যারা

ক্রীড়া ডেস্ক
আয়োজক মেক্সিকোর বিশ্বকাপ দল ঘোষণা, আছেন যারা

গোলরক্ষক গুইলের্মো ওচোয়া বিশ্বকাপের জন্য মেক্সিকোর ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে ডাক পেয়েছেন। তাতেই রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেওয়ার এক ঐতিহাসিক কীর্তি গড়লেন তিনি। ফুটবলের দুই মহাতারকা মেসি-রোনাল্ডোর পাশে নাম লেখালেন এই চল্লিশ বছর বয়সী গোলরক্ষক।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক এই মহারণে মেসি ও রোনালদো যথাক্রমে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তবে ওচোয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেক্সিকোর হয়ে তেমন সুযোগ পাননি খেলতে। 

অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক ২০০৬ সালে জার্মানির বিশ্বকাপে অভিষেক হয়। বর্তমানে তিনি সাইপ্রাসের ক্লাব এএল লিমাসোলের হয়ে খেলেছেন। মূলত এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক এবার মেক্সিকো দলে প্রধানত মেন্টর হিসেবে থাকছেন। চিভাসের গোলরক্ষক রাউল রাঙ্গেল মেক্সিকোর এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে খেলবেন বলে জানা গেছে।

ইংলিশ ক্লাব ফুলহ্যামের স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ, কোচ জাভিয়ের আগুইরে ২৬ সদস্যের দলে জায়গা করে নিয়েছেন। আয়োজক দলের নেতৃত্ব দেবেন অধিনায়ক এডসন আলভারেজ। গেল মৌসুমে ওয়েস্ট হ্যাম থেকে ধারে ফেনারবাহচেতে খেলেছেন এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার।

আয়োজক দেশটির চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছে ১৭ বছর বয়সী গিলবার্তো মোরা। এতে তিনি হতে চলেছেন দেশটির সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়। অন্যদিকে দলে জায়গা করে নিয়েছে আরেক উদীয়মান প্রতিভা ২৩ বছর বয়সী আরমান্দো গঞ্জালেজ।

মেক্সিকোর কোচ হিসেবে আগুইরের এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ হবে। এর আগে তিনি ২০০২ এবং ২০১০ সালের আসরেও দলটিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মেক্সিকোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক : রাউল রাঙ্গেল (গুয়াদালাহারা), গিয়েরমো ওচোয়া (এএল লিমাসোল), কার্লোস অ্যাসেভেডো (সান্তোস লাগুনা)।

ডিফেন্ডার : হোর্হে সানচেজ (পিএওকে), ইজরায়েল রেয়েস (ক্লাব আমেরিকা), সিজার মন্টেস (লোকোমোটিভ মস্কো), জোহান ভাসকেজ (জেনোয়া), জেসুস গ্যালার্দো (টোলুকা), মাতেও শ্যাভেজ (এজেড)।

মিডফিল্ডার : এরিক লিরা (ক্রুজ আজুল), অরবেলিন পিনেদা (এইকে অ্যাথেন্স), আলভারো ফিডালগো (রিয়াল বেটিস), রবার্তো আলভারাদো, ব্রায়ান গুতেরেস, লুইস রোমো (গুয়াদালাজারা), এডসন আলভারেজ (ওয়েস্ট হ্যাম), ওবেদ ভার্গাস (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), গিলবার্তো মোরানা (তিউনি) লুইজোয়ানা (তবে)।

ফরোয়ার্ড : সেজার হুয়ের্তা (আন্ডারলেখ্ট), অ্যালেক্সিস ভেগা (টোলুকা), জুলিয়ান কুইনোনেস (আল-কাদসিয়া), গুইলারমো মার্টিনেজ (ইউএনএএম), আরমান্দো গঞ্জালেজ (গুয়াদালাজারা), সান্তিয়াগো গিমেনেজ (এসি মিলান), রাউল জিমেনেজ (ফুলহাম)।