• ই-পেপার

১৫৬ রানে আফগানদের গুঁড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্নের সমাপ্তি, কোয়ার্টারে স্পেন

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্নের সমাপ্তি, কোয়ার্টারে স্পেন

নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল ম্যাচ। এমন সময় ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মিকেল মেরিনোর গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। এরপর ম্যাচে ফিরতে আর তেমন সময় হাতে ছিল না পর্তুগালের কাছে। এই এক গোলের হারেই শেষ হয়ে যায় রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন। আর লামিনে ইয়ামালরা চলে যান বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

বিস্তারিত আসছে…

 

পর্তুগালের আক্রমণ রুখে বিশ্বরেকর্ড স্পেনের

ক্রীড়া ডেস্ক
পর্তুগালের আক্রমণ রুখে বিশ্বরেকর্ড স্পেনের

ফুটবল মাঠে ভাগ্য আর ইতিহাসের মেলবন্ধন কতটা নাটকীয় হতে পারে, ডালাস স্টেডিয়ামে আজ তা দেখল বিশ্ববাসী। ঘড়ির কাঁটায় তখন ম্যাচের ৪১ মিনিট। পর্তুগালের নুনো মেন্দেসের এক বুলেট গতির শট যখন স্পেনের ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোর মাথা ছুঁয়ে জালের দিকে ছুটছিল, তখন নিশ্চিত গোলের আশঙ্কায় ছিল স্প্যানিশ ভক্তরা। ছোট করে নেওয়া কর্নার থেকে উড়ে আসা বল পোরো হেড দিয়ে ক্লিয়ার করতে চাইলেও বলের গতি স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনকেও ফাঁকি দিচ্ছিল। কিন্তু বলটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে কপাল জোরে বেঁচে যায় স্পেন।

ঠিক তার পরের মিনিটেই, অর্থাৎ ৪২তম মিনিটে ইতিহাস নতুন করে লিখল ‘লা রোহা’রা। সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘ ১৬ বছর পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দীর্ঘতম সময় জাল অক্ষত রাখার অনন্য বিশ্বরেকর্ড এখন স্পেনের দখলে।

পর্তুগালের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে নামার আগেই স্পেনের রক্ষণভাগের ঝুলিতে ছিল টানা ৫১৯ মিনিট গোল না খাওয়ার কীর্তি। রেকর্ড স্পর্শ করতে দরকার ছিল আর ৪০ মিনিট। ম্যাচে নুনো মেন্দেসের সেই শটটি ক্রসবারে প্রতিহত হওয়ার ঠিক ৬০ সেকেন্ড পরেই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৪২ মিনিটে পা রাখার সাথে সাথেই স্পেনের জাল অক্ষত থাকার সময়কাল দাঁড়ায় ৫৬০ মিনিটে, যা ভেঙে দেয় সুইজারল্যান্ডের ৫৫৯ মিনিটের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড। প্রথমার্ধের বাঁশি বাজা পর্যন্ত স্পেনের এই ‘ক্লিন শিট’ রেকর্ড গিয়ে ঠেকেছে ৫৬১ মিনিটে।

বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি সময় কোনো গোল না খাওয়ার আগের রেকর্ডটি এককভাবে ছিল সুইজারল্যান্ডের। ১৯৯৪ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা তিনটি আসর মিলিয়ে ৫৫৯ মিনিট নিজেদের জালে বল ঢুকতে দেয়নি সুইসরা।

স্পেন এই যাত্রা শুরু করেছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শেষ ভাগে। সেখানে মরক্কোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়সহ ১২০ মিনিট গোলহীন থাকার পর, চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচ (২৭০ মিনিট) এবং নকআউট পর্বের আগের ম্যাচেও প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। 

ইংল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা, বিশ্বকাপ শেষ মাঝমাঠের তারকার

ক্রীড়া ডেস্ক
ইংল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা, বিশ্বকাপ শেষ মাঝমাঠের তারকার

স্বাগতিক মেক্সিকোর ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়। মেক্সিকোকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার আনন্দে যখন ভাসছে ইংল্যান্ড, ঠিক তখনই থ্রি লায়ন্স শিবিরে নেমে এলো বিষাদের ছায়া। ম্যাচ শেষের উদযাপনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত এক চোটে পড়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন।

গত সোমবার (৬ জুলাই) শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মেক্সিকোকে বিদায় করার পর মাঠজুড়ে উৎসবে মাতেন ইংলিশ ফুটবলাররা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হেন্ডারসন নিজেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। অ্যাজটেকার অবিশ্বাস্য পরিবেশের প্রশংসা করে তিনি জানান, মেক্সিকো শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠিন লড়াই করলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরে তারা গর্বিত।

কিন্তু সেই আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটে বিপত্তি। গ্যালারির দর্শকদের অভিনন্দন জানিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে মাঠের পাশে থাকা বিজ্ঞাপন বোর্ড টপকে লাফ দেন হেন্ডারসন। ল্যান্ডিংয়ের সময় ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে গিয়ে কব্জিতে মারাত্মক আঘাত পান এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার।

যন্ত্রণায় মাঠে কাতরাতে থাকা হেন্ডারসনকে দেখে দ্রুত চিকিৎসাকর্মীদের ডাকেন সতীর্থরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয়।

পরে ইংল্যান্ড দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক্স-রে পরীক্ষায় হেন্ডারসনের কব্জিতে ফ্র্যাকচার (হাড় ভাঙা) ধরা পড়েছে। এই চোটের কারণে চলতি বিশ্বকাপে আর মাঠে নামা হচ্ছে না তার। দলের সঙ্গে কানসাস সিটির পরবর্তী কন্ডিশনিং ক্যাম্পে না গিয়ে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে মেক্সিকোতেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

মায়ামিতে সেমিফাইনালের টিকিট কাটার লড়াইয়ে নরওয়ের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নরওয়ে ম্যাচের আগে অভিজ্ঞ হেন্ডারসনের দল থেকে ছিটকে যাওয়াটা নিশ্চিতভাবেই বড় এক ধাক্কা থমাস টুখেলের দলের জন্য। 

সিমন-কস্তার প্রতিরোধে গোলশূন্য প্রথমার্ধ স্পেন-পর্তুগালের

ক্রীড়া ডেস্ক
সিমন-কস্তার প্রতিরোধে গোলশূন্য প্রথমার্ধ স্পেন-পর্তুগালের

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই ইউরোপীয় পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে লড়াই জমে উঠলেও প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ব্যবধানে। দুই দলের ফরোয়ার্ডদের একাধিক সুযোগ নসাৎ করে দিয়েছেন দুই গোলরক্ষক উনাই সিমন ও দিয়েগো কস্তা।

ম্যাচের ৯ম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। তবে পর্তুগিজ গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালের বাইরে মেরে সুযোগ নষ্ট করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবাল।

তিন মিনিট পরই পাল্টা আক্রমণে যায় পর্তুগাল। ১২ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে বল পেয়ে জোরালো শট নেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। তবে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন দুর্দান্ত দক্ষতায় সেই শট রুখে দেন।

১৭ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত তৈরি করে স্পেন। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে ডানপ্রান্তে থাকা লামিন ইয়ামালকে পাস বাড়ান রদ্রি। বাঁ পায়ে ভেতরে ঢুকে ইয়ামালের নেওয়া জোরালো শট প্রথম দফায় দারুণভাবে ফিরিয়ে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। ফিরতি বলে আবারও শট নেন আলেক্স বায়েনা, কিন্তু এবারও কস্তা দেয়াল হয়ে দাঁড়ালে হতাশ হতে হয় স্পেনকে।

প্রথমার্ধের শেষদিকে স্প্যানিশ রক্ষণভাগে চাপ বাড়ায় পর্তুগাল। কিছুটা নিচে নেমে খেলা তৈরি করেন রোনালদো। তার পাস থেকে জোয়াও ফেলিক্সের নেওয়া হেড ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। এর পরপরই বক্সের ভেতর দুর্দান্ত এক অ্যাক্রোবেটিক শট নেন রোনালদো, তবে এবারও সিমন পরাস্ত হননি। দুই গোলরক্ষকের অসামান্য নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য বিরতিতে যায় দুই দল।

১৫৬ রানে আফগানদের গুঁড়িয়ে দিল বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ