পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বরাবরই ব্যাট হাসে লিটন দাসের। সেই তাকেই যদি ‘জীবন’ দেন পাকিস্তানের ফিল্ডাররা তাহলে উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের জন্য দিনটা ‘সোনায়-সোহাগা’ হওয়ার কথা। হয়েছেও। ভাগ্যের সহায়তা পেয়ে দিনটা নিজের করে নিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার।
সিলেট টেস্টে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। ১২৬ রানের ইনিংসটি খেলার পথে দুবার ‘জীবন’ পেয়েছেন তিনি। দিনশেষে তার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টা তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা খুররাম শেহজাদ। পাকিস্তানি পেসারের কথার সুর অনেকটা এমন—লিটন আজ ভাগ্যবান ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এসে অনেকটা সরল স্বীকারোক্তি লিটনের। তবে প্রতি উত্তরে কিছুটা ভিন্ন সুরও ছিল। তা হচ্ছে-ভাগ্যেকে পাশে পেলেই কি সবাই কাজে লাগাতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘ভাগ্যবান? ঠিক আছে, কখনো ভাগ্যেরও দরকার আছে। আর ভাগ্যের কথা, ক্রিকেটে তো সব সময় আপনার এক শতে এক শ হবে না। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে ভাগ্য সহায় হলে আরো কাজে লাগে।’
বাংলাদেশের কঠিন সময়ে ভাগ্যেকে পাশে পেয়েছেন লিটন। কেননা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। এমন কঠিন সময়ে টেলএন্ডারদের নিয়ে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন তিনি। ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন দলকে। সে সময় সতীর্থদের সঙ্গে তার কী পরিকল্পনা ছিল, সেটাই ম্যাচ শেষে ব্যাখ্যা করলেন তিনি।
লিটন বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার সময় উইকেটটা একটু কঠিন ছিল। জানতাম না খেলাটা এত দূরে যাবে। যখন শুরুতে যাই মনে হচ্ছিল, টেলএন্ডের অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিন্তা ছিল মারতে গিয়ে যদি আরো ৩০ রান করে অলআউটও হয়ে যাই, অন্তত কঠিন কন্ডিশনে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে।’
এর আগে শেহজাদ বলেছেন, ‘তারা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। লিটনের ভাগ্য সহায় হয়েছে। একটা নয়, দুটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। যদি সেগুলো নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো সব কিছুই আলাদা হতো। হয়তো দুই শর আগেই অলআউট হয়ে যেত তারা।’



