ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ। তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।
পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে মেক্সিকো সিটিতে খেলা দেখতে আসা ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।
কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
বিপরীতে ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে মন্দ ভাগ্য তাদের। ১৮ মিনিটে জন ইয়েবোয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় পান তিন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রানহেল। বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়ার তার শটটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেভ করেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। পরে তাই হতাশা নিয়েই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইকুয়েডর।




