• ই-পেপার

সাকিবের বক্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন ভারতের কোচ রাহুল দ্রাবিড়

জার্মানির কোচের পদ ছাড়লেন নাগেলসমান

ক্রীড়া ডেস্ক
জার্মানির কোচের পদ ছাড়লেন নাগেলসমান
জার্মানির ডাগআউটে আর দেখা যাবে না নাগেলসমানকে। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ থেকে জার্মানির বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর ইউলিয়ান নাগেলসমান জানিয়েছিলেন, আমি পালিয়ে যাওয়ার মানুষ নই, কাজ চালিয়ে যেতে চাই। 

নাগেলসমানের সেই চাওয়া পূরণ হয়নি। জার্মানির কোচের পদ ছেড়ে দিতে হয়েছে তাকে। এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সী কোচ পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছে জার্মানির সংবাদমাধ্যম বিল্ড। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো অবশ্য কোনো পক্ষই জানায়নি। তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন ইয়ুর্গেন ক্লপ এমনটি শোনা যাচ্ছে।

 

২০১৪ বিশ্বকাপ জেতার পর থেকেই ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে কঠিন সময় পার করছে জার্মানি। এবার শেষ ৩২-এ নিলেও আগের দুই আসরে তো গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই আক্ষেপ ঘোচানোর দায়িত্ব ছিল নাগেলসমানের কাঁধে। কিন্তু ৩৮ বছর বয়সী কোচের অধীনে দুর্দশা আরো বেড়েছে প্যারাগুয়ের কাছে ৪-৩ ব্যবধানে পেনাল্টিতে হেরে।

তারই শাস্তি হিসেবে কোচের পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন নাগেলসমান। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। জার্মানির সঙ্গে তার ৫ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৮ সালের জুলাইয়ে। কিন্তু অর্ধেকের বেশি মেয়াদ থাকার আগেই তাকে চাকরি ছাড়তে হলো। এ সময় তার অধীনে ৩৭ ম্যাচ খেলেছে জার্মানি। ২৩ জয়ের বিপরীতে সমান পরাজয়-ড্র ৭টি করে।

মেসিই দলকে শেষ ১৬-তে নিয়ে যাবেন

পিটার বাটলার
মেসিই দলকে শেষ ১৬-তে নিয়ে যাবেন
অনুশীলনের সময় মেসি। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। যার প্রমাণ আমরা এরই মধ্যে পেয়েছিও।

জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস বিদায় নিয়েছে। ইংল্যান্ড ও ব্রাজিলকে জিততে হয়েছে অনেক ঘাম ঝরিয়ে। এখানে গ্রুপ পর্বের হিসাব-নিকাশের খুব একটা মূল্য থাকে না। একটি ভুল, একটি অসাধারণ মুহূর্ত কিংবা একজন বিশেষ খেলোয়াড়ই বদলে দিতে পারেন পুরো ম্যাচের ভাগ্য।

তাই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা যতই শক্তিশালী হোক, কেপ ভার্দের বিপক্ষে তাদের সতর্ক থাকতেই হবে।
মেসিই দলকে শেষ ১৬-তে নিয়ে যাবেন এই বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। তারা হয়তো তারকাসমৃদ্ধ দল নয়, কিন্তু দারুণ সুসংগঠিত। নিজেদের সীমাবদ্ধতা যেমন জানে, তেমনি শক্তির জায়গাগুলোও সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয়, তারা কোনো প্রতিপক্ষকেই ভয় পায় না। স্পেন ও উরুগুয়ের মতো দলের বিপক্ষে যেভাবে লড়েছে, তাতেই প্রমাণিত হয়েছে তারা শুধু বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসেনি, এসেছে নতুন গল্প লিখতে। তবে আর্জেন্টিনা পুরোপুরি ভিন্ন ধরনের প্রতিপক্ষ। এই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু লিওনেল মেসি নন, বরং পুরো দলের বোঝাপড়া ও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা। কখন আক্রমণের গতি বাড়াতে হবে, কখন বলের দখল ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে ফেলতে হবে, আবার কখন ছন্দ বদলে হঠাৎ আঘাত হানতে হবে—এসব তারা অসাধারণ দক্ষতায় করতে পারে। নক আউট পর্বে এই পরিণত মানসিকতাই বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।

স্বাভাবিকভাবেই নজর থাকবে মেসির দিকে। বয়স বাড়লেও তার ফুটবল মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা একটুও কমেনি। তিনি হয়তো আগের মতো পুরো ম্যাচে দৌড়ে বেড়ান না, কিন্তু কখন কোথায় অবস্থান নিতে হবে, কোন পাসটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে কিংবা ঠিক কোন মুহূর্তে নিজেই গোলের সুযোগ তৈরি করবেন—এসব বিষয়ে এখনো বিশ্বের সেরাদের একজন। এমন একজন খেলোয়াড়কে পুরো ৯০ মিনিট নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রায় অসম্ভব। আমার ধারণা, কেপ ভার্দে শুরু থেকেই নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজিয়ে খেলবে। তারা ম্যাচের গতি কমিয়ে আনতে চাইবে এবং যতটা সম্ভব আর্জেন্টিনাকে হতাশ করার চেষ্টা করবে। স্কোরলাইন যতক্ষণ সমতায় থাকবে, তাদের আত্মবিশ্বাসও তত বাড়বে। কিন্তু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, মাত্র এক মুহূর্তের মনোযোগের ঘাটতিও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় পরীক্ষাই হবে ধৈর্য ধরে খেলা। অযথা তাড়াহুড়া না করে যদি তারা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে পারে, তাহলে সুযোগ অবশ্যই তৈরি হবে। কারণ এই দলটি জানে কিভাবে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করতে হয় এবং কোন মুহূর্তে আঘাত হানতে হয়। আমি কেপ ভার্দেকে মোটেও অবমূল্যায়ন করছি না। আমার বিশ্বাস, তারা আর্জেন্টিনাকে কঠিন লড়াই ছুড়ে দেবে এবং ম্যাচের একটা বড় সময় পর্যন্ত চাপে রাখতেও সক্ষম হবে। কিন্তু নক আউট পর্বে অভিজ্ঞতা বড় ভূমিকা রাখে। সেই অভিজ্ঞতা, স্কোয়াডের গভীরতা এবং চাপের মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে।

বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব এমন এক মঞ্চ, যেখানে কিংবদন্তিরা নিজেদের নতুন করে প্রমাণ করেন। আমার বিশ্বাস, এই ম্যাচেও আর্জেন্টিনার ভাগ্য গড়ে দেওয়ার সবচেয়ে বড় কারিগর হবেন লিওনেল মেসি। তার সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার সহজাত ক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত কেপ ভার্দের প্রতিরোধ ভেঙে আর্জেন্টিনাকে শেষ ষোলোর টিকিট এনে দেবে।

৮৮ বছর পর নকআউটে জয়, শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
৮৮ বছর পর নকআউটে জয়, শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ডের দ্বিতীয় গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে এনদোয়ের (মাঝে) উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

ফাঁকা গোলবার পেয়েও অবিশ্বাস্যভাবে মিস করলেন ফাবিয়ান রেইডার। ৮১ মিনিটে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সুযোগটা মিস করলেও তাতে অবশ্য জয় পেতে সমস্যা হয়নি সুইজারল্যান্ডের। কেননা তার আগেই ২-০ গোলের লিড পায় সুইসরা।

সেই ব্যবধানেই পরে আলজেরিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা দলটির হয়ে গোল দুটি করেছেন ব্রিল এমবোলো ও ড্যান এনদোয়ে। এতে করে ৮৮ বছর পর নকআউটে প্রথম জয় পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। সর্বশেষ ১৯৩৮ বিশ্বকাপে নকআউটে জিতেছিল তারা।

ভ্যাঙ্কুভারে ম্যাচের ১০ মিনিটে গোল পায় সুইজারল্যান্ড। সতীর্থ জোহান মানজাম্বির পাসে ৬ গজ দূরত্ব থেকে গোলটি করতে ভুল করেননি এমবোলো। এবারের বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় গোল। এমবোলোর সেই গোলে পরে বিরতিতে যায় সুইজারল্যান্ড।

বিরতির পরপরেই লিড দ্বিগুণ করে সুইজারল্যান্ড। ৪৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে দুর্দান্ত এক শটে জাল খুঁজে নেন এনদোয়ে। বিপরীতে ব্যবধান কমানোর তেমন সুযোগই তৈরি করতে পারেনি আলজেরিয়া। আর শেষ দিকে রেইডারের সেই অবিশ্বাস্য ভুল। গোলে শট নিলেও ঠিকমতো পাওয়ার দিতে না পারায় প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি ধরে ফেলেন।

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

ক্রীড়া ডেস্ক
জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই
জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণে চুক্তি হয়েছে পাকিস্তান-সৌদি আরবের। ছবি : এক্স থেকে

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব। জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করতে সমঝোতা চুক্তি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও সৌদি আরবের ক্রিকেট ফেডারেশন (এসএসিএফ)। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজকের এই অংশীদারিত্ব কেবল জেদ্দায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি হলো যৌথ আকাঙ্ক্ষা, বিশ্বস্ত অংশীদারিত্ব এবং টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবে ক্রিকেটের একটি দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’

সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর করেন দুই বোর্ডের সভাপতি। পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভি ও এসএসিএফের সভাপতি প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল বিন মোহাম্মদ আল সৌদ। চুক্তির বিষয়ে নাকভি বলেছেন, ‘সৌদি আরবের এই রোমাঞ্চকর ক্রিকেটযাত্রায় অবদান রাখতে পেরে সম্মানিত বোধ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। একসঙ্গে এমন এক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যা খেলাটিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমাদের ক্রিকেটপ্রেমী জনগোষ্ঠীকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে এক দীর্ঘস্থায়ী গৌরবময় অধ্যায় রেখে যাবে।’

১৯৬০ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তান ও ভারতের অভিবাসীদের হাত ধরে সৌদি আরবে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়। পরে ২০০৩ সালে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) এফিলিয়েট (অনুমোদিত) সদস্যপদ লাভ করে। আর ২০১৬ সালে তা সহযোগী সদস্যপদ পায়।

সাকিবের বক্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন ভারতের কোচ রাহুল দ্রাবিড় | কালের কণ্ঠ