চেষ্টা করেও সমতায় ফেরা হলো না কানাডার। ভ্যাঙ্কুভারে সুইজারল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলের হার দেখতে হলো তাদের। পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও তাদের জন্য ঐতিহাসিক একদিন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে কানাডা।
বিপরীতে ‘বি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে আজ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল সুইসরা। তবে ১১ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক মিস করেন ব্রেরেল এমবোলো। ফিরতি সুযোগ পাওয়া জোহান মানজাম্বি মারেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে।
৩২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। তবে কাইল লরিনের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধরেন গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। তাতে প্রথমার্ধ গোলশূন্যে ড্রয়ে শেষ হয়।
বিরতি শেষ হতেই আনন্দে ভাসে সুইজারল্যান্ড। ৪৬ মিনিটে মানজাম্বির ক্রসে সুইসদের লিড এনে দেন রুবেন ভার্গাস। সেই রেশ থাকতে থাকতেই দ্বিতীয় গোলের দেখাও পায় তারা। এবার গোলটি করেন মানজাম্বি। ৫৭ মিনিটে তাকে অ্যাসিস্ট করেন এমবোলো। কিছুটা দায় অবশ্য ছিল গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রিপিউয়ের। তার হাতে ছুঁয়ে বল জালে জড়ায়।
কানাডা ম্যাচে ফেরে বদলি নামা প্রমিস ডেভিডের সৌজন্যে। ৭৫ মিনিটে বদলি নামা ফরোয়ার্ড ফিরতি মিনিটে ব্যবধান কমান। শেষ সময়ে বেশকটি আক্রমণ করলেও সমতায় আর ফেরা হয়নি। তাতে ২-১ গোলে পরাজয় দেখতে হয় স্বাগতিক কানাডাকে।
তবে হারলেও কানাডার জন্য ঐতিহাসিক এক দিন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে তারা। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে তাদের সঙ্গী সুইজারল্যান্ড। ‘বি’ গ্রুপে তৃতীয় হয়েছে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে তারা।




