• ই-পেপার

এশিয়া কাপ

বাংলাদেশের বিদায়, সেমিতে থাইল্যান্ড

পেলে-কাফু-রোনালদোদের রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
পেলে-কাফু-রোনালদোদের রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি

বয়সটা কেবলই একটা সংখ্যা, ফুটবল বিশ্বে এই প্রবাদটি যেন বারবার প্রমাণ করে চলেছেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে এসেও তিনি আর্জেন্টিনার সেই অবিকল্প পথপ্রদর্শক, যার মায়াবী ছোঁয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মহাকাব্যিক জয় তুলে নিয়ে আরও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল আলবিসেলেস্তেরা।

ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসে মেসির পারফরম্যান্স কেমন হবে, তা নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকের মনেই ছিল রাজ্যের সংশয়। তবে মাঠের খেলায় সব সংশয় তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের এই একক বিস্ময়। কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে ৮ গোল করে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এই আর্জেন্টাইন ১০ নম্বর জার্সিধারী।

আগামী রোববার নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে স্বপ্নের ফাইনালে মাঠে নামবেন মেসি। আর এই ম্যাচটিতে মাঠে নামার মাধ্যমেই বিশ্ব ফুটবলের এমন এক এলিট গ্রুপ বা অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন তিনি, যেখানে পৌঁছাতে পেরেছেন ইতিহাসের হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন ফুটবলার।

মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল ২০১৪ সালে ব্রাজিলের মারাকানায়। সেবার অতিরিক্ত সময়ের গোলে জার্মানির কাছে হেরে অশ্রুসিক্ত নয়নে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। এরপর দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা শেষে ২০২২ সালে কাতারে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে নিজের সেই আজন্ম লালিত সোনালী ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেন মেসি। আর এবার ২০২৬ সালে এসে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টানা এবং সবমিলিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন এলএমটেন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিন বা ততোধিক ফাইনালের মঞ্চে পা রাখা ফুটবলারের সংখ্যা অনেক কম। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এবার সেই তালিকায় রাজকীয় প্রবেশ ঘটল মেসির। এর আগে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার কাফু একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল (১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২) খেলেছেন এবং তিনটিতেই মাঠে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

এ ছাড়া ব্রাজিলের পেলে ও রোনালদো নাজারিও এবং পশ্চিম জার্মানির লোথার ম্যাথিউস ও পিয়েরে লিটবারস্কিও তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালের স্কোয়াডে ছিলেন। তবে পেলে, রোনালদো কিংবা জার্মান তারকাদের কেউই চোট অথবা কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্তের কারণে তাদের দলের হয়ে তিনটি ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

সেখানেই অনন্য মেসি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের মঞ্চে বুটজোড়া গলিয়ে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই কাফুর পর ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ফাইনালে সরাসরি মাঠে লড়াই করার রাজকীয় কীর্তি গড়বেন আধুনিক ফুটবলের এই মহানায়ক।

আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে চড় মারলেন বেলিংহাম

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে চড় মারলেন বেলিংহাম
সংগৃহীত ছবি

জয়ের খুব কাছে গিয়েও এভাবে স্বপ্নভঙ্গ হবে, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি ইংলিশ সমর্থকরা। সেমিফাইনালের মহারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের এই নাটকীয় হার যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। আর সেই চরম হতাশা আর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটল মাঠের ভেতরেই, যা রূপ নিল অনাকাঙ্ক্ষিত এক মারামারিতে।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মেজাজ হারিয়ে আর্জেন্টিনার তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকোর মাথায় চড় মেরে বসেন ইংলিশদের পোস্টার বয় জুড বেলিংহাম। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার এমন অপেশাদার আচরণে ফুটবল বিশ্বে এখন তোলপাড় চলছে।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বুধবারের থ্রিলার সেমিফাইনালে একপর্যায়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল থ্রি-লায়ন্সরাই। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দৃশ্যপটে লিয়োনেল মেসির জাদুকরি আবির্ভাব। এলএমটেনের দুটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেস গোল করে আর্জেন্টিনার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন। আর তাতেই মুহূর্তের মধ্যে হৃদয়ভঙ্গ হয় ইংল্যান্ডের।

ম্যাচ শেষের পর মাঠের এক কোণে যখন বিষণ্ণ মনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেলিংহাম, ঠিক তখনই সেখানে উল্লাসে মাতেন আর্জেন্টাইন তরুণ তুর্কি ভ্যালেন্টিন বারকো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উদযাপনের একপর্যায়ে বেলিংহাম ও ইংল্যান্ড শিবিরকে লক্ষ্য করে কিছু একটা মন্তব্য করেন বারকো। আর তাতেই নিজের আবেগ ধরে রাখতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে বারকোর মাথায় আঘাত করেন বেলিংহাম। পাল্টা জবাবে বেলিংহামকে ধাক্কা দেন বারকোও। পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হওয়ার আগেই অবশ্য সতীর্থরা এসে দুজনকে দুদিকে সরিয়ে নেন।

গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে ইংল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে থাকা বেলিংহামের এমন কাণ্ডে বইছে সমালোচনার ঝড়। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি এই মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সফল হতে পারিনি।’

এদিকে ম্যাচ হারার পর ইংলিশ ডাগআউটেও শুরু হয়েছে কাঠগড়া খাড়া করা। শেষ মুহূর্তের রক্ষণাত্মক কৌশলের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধান কোচ টমাস টুখেল। তবে নিজের সিদ্ধান্তকে সুরক্ষিত করে টুখেল জানান, দলের রক্ষণভাগকে সামাল দেওয়ার জন্যই তিনি সেই মুহূর্তে কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন।

সেমিফাইনালের এই দুঃস্বপ্ন ভুলে ইংল্যান্ডকে অবশ্য দ্রুতই মাঠে ফিরতে হচ্ছে। বিশ্বকাপ অভিযান এখনই শেষ হচ্ছে না হ্যারি কেইনদের। আগামী শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে থ্রি-লায়ন্সরা। 

এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গেলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গেলেন মেসি
ছবি : রয়টার্স

জমে উঠেছে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের দৌড়। গোল করতে না পারলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন লিওনেল মেসি। সেমিফাইনালে দলের দুই গোলেই অবদান রেখে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। 

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচটিতে গোলের দেখা না পেলেও দুই গোলেরই সহায়তাকারী মেসি। তার দুর্দান্ত সৃজনশীলতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

এই ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করার ফলে চলতি বিশ্বকাপে মেসির মোট অ্যাসিস্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪টি। গোলসংখ্যায় তিনি ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান অবস্থানে থাকলেও অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় এখন গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনিই সবার সামনে। 

বর্তমানে মেসি ও এমবাপ্পে দুজনেরই গোল ৮টি করে। তবে গোল সমান হলে অ্যাসিস্টের হিসাব বিবেচনায় নেওয়া হয়। সেই হিসাবে এমবাপ্পের ৩ অ্যাসিস্টের বিপরীতে মেসির ৪ অ্যাসিস্টই তাকে এগিয়ে রেখেছে। 

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। তার গোল ৭টি। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইনের গোল ৬টি করে। ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলের গোল ৫টি, সঙ্গে রয়েছে ২টি অ্যাসিস্ট। স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবালের গোল ৫টি এবং অ্যাসিস্ট ১টি। 

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে থাকা এই ফুটবলারদের মধ্যে হলান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেছে। তবে বাকি ছয়জনের সামনে আরও একটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। আর রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন।

ফলে শেষ ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করে দিতে পারে এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার কার হাতে উঠবে। তবে ফাইনালের আগে অ্যাসিস্টের ব্যবধানে এমবাপ্পেকে টপকে গেছেন মেসি।

ব্যানার বিতর্ক: কী কী শাস্তি হতে পারে মেসিদের

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্যানার বিতর্ক: কী কী শাস্তি হতে পারে মেসিদের
ছবি : রয়টার্স

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনাল জিতে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার উদযাপনে মাতোয়ারা আলবিসেলেস্তেরা। কিন্তু এই আনন্দের রেশ কাটার আগেই চরম এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। ম্যাচ শেষের পর মাঠের ভেতরেই এক সংবেদনশীল রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শন করেছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস-লো সেলসোরা, যা ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বুধবার রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করার পর মাঠেই বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। কিন্তু সেই উদযাপনের মাঝেই হঠাৎ একটি ব্যানার হাতে ক্যামেরায় ধরা পড়েন তারা। স্প্যানিশ ভাষায় লেখা সেই ব্যানারে পরিষ্কার অক্ষরে খোদাই করা ছিল‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস’, যার বাংলা অর্থ ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’।

ম্যাচ শেষে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস এবং মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসোকে বেশ হাস্যোজ্জ্বল মুখে ব্যানারটি উঁচিয়ে গ্যালারির দর্শকদের দিকে নাড়তে দেখা যায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন মহাগুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই দ্বীপপুঞ্জের দাবি সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শন করাকে ইংলিশদের কাটা গায়ে নুনের ছিটে দেওয়ার মতোই দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। তবে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা মাঠের ভেতরে এই ব্যানারটি কোথা থেকে এবং কার মাধ্যমে এসেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফুটবল মাঠে রাজনৈতিক পক্ষপাত বা কোনো বিশেষ প্রচারণার ব্যাপারে ফিফার নিয়ম বরাবরই কঠোর। ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী স্টেডিয়ামের ভেতরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, আপত্তিকর কিংবা বৈষম্যমূলক ব্যানার, পতাকা, লিফলেট, পোশাক বা সরঞ্জাম প্রদর্শন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের এই প্রকাশ্য নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনার পর বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে তাৎক্ষণিক মন্তব্য চাওয়া হলেও ফিফার পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। 

তবে ব্যানার প্রদর্শন করায় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা গুনতে হতে পারে আর্জেন্টিনার। এই একই ব্যানার প্রদর্শনের জন্য ২০১৪ সালে স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের পর ফিফা আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ২০,০০০ পাউন্ড (প্রায় ৩৬,০০০ ডলার) জরিমানা করেছিল। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এবং ইংল্যান্ডের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এটি করায় এবার জরিমানার অঙ্ক আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এছাড়া, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও জিওভানি লো সেলসো যেহেতু সরাসরি ব্যানারটি উঁচিয়ে ধরেছিলেন, তাই ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের ব্যক্তিগতভাবে জরিমানা বা নির্দিষ্ট ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করতে পারে। তবে ফাইনাল ম্যাচে তাদের নিষিদ্ধ করার মতো চরম কোনো শাস্তির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সে ক্ষেত্রে মূলত আর্থিক জরিমানা এবং কঠোর সতর্কবার্তা আসার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। 

বাংলাদেশের বিদায়, সেমিতে থাইল্যান্ড | কালের কণ্ঠ