ফিফটি পেরিয়ে ইনিংসটাকে আরো বড় করার আশায় ছিলেন বাবর আজম। বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের অন্য ব্যাটাররা খাবি খেলেও বাবর ছিলেন সাবলীল। তাকে থামাতে নতুন স্পেলে বোলিংয়ে আনা হলো নাহিদ রানাকে। ব্যস, প্রথম ওভারেই লক্ষ্য পূরণ!
ম্যাচের প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তবে নাহিদ রানার জন্য এটি নতুন কিছু নয়। বাবরকে আউট করা ক্রমেই অভ্যাসেই পূরণ করছেন তিনি।
২০২৪ সালের সেই সিরিজ থেকে শুরু। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই টেস্টে দুবার পাকিস্তানের তারকা ব্যাটারকে আউট করেছিলেন বাংলাদেশের আলোচিত ফাস্ট বোলার।
এবারের পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন দল পেশাওয়ার জালমিতে দুজন সতীর্থ না হলে হয়তো সেখানে বাবরকে নিজের শিকার বানাতেন নাহিদ।
চলমান সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবর খেলতে পারেননি চোটের কারণে। তাই মিরপুরে নাহিদের আগুনে বোলিংয়ে আঁচ বাবরের ওপর লাগেনি। তবে সিলেট টেস্টে মাঠে নেমে তা আর এড়াতে পারেননি।
বাবরের মতো বিশ্বমানের ব্যাটারকে আউট করার রোমাঞ্চটা এমনিতেই বেশি থাকার কথা। তবে নাহিদকে মনে হলো এটা নিয়ে একদমই নির্লিপ্ত, ‘আসলে প্রত্যেক ব্যাটসম্যানকে আউট করতেই মজা লাগে। কারণ প্রত্যেকটি উইকেটই আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুধু আমার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি যে, কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দলকে সহায়তা করা যায়।’
বাবরকে আউট করা নিয়ে বাড়তি রোমাঞ্চ না থাকলেও ওই ডেলিভারিটি নাহিদকে তৃপ্তি দিয়েছে। আগের ডেলিভারিটির গতি ছিল ১৪৯ কিলোমিটার, আউট করা ডেলিভারির গতি ১৩৯ কিলোমিটার। ফ্লিক করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে মিড অনে ক্যাচ দেন বাবর।
২৩ বছর বয়সী পেসার বললেন, পরিকল্পনা করেই উইকেটটি আদায় করেছেন তিনি, ‘কোয়ালিটি ব্যাটসম্যানকে কোয়ালিটি বোলিং করতে হয় কিংবা যেকোনো ব্যাটসম্যানকে বোলিং করেন, আপনার পেসে কিংবা স্কিলে ভিন্ন কিছু একটু এলে ব্যাটসম্যানরা অস্বস্তিতে পড়ে। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, কাজে লেগে গেছে।’




