• ই-পেপার

পেনাল্টিহীন গোলে রোনালদোকে টপকালেন মেসি

সব ব্যাটারকেই আউট করতে মজা লাগে নাহিদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
সব ব্যাটারকেই আউট করতে মজা লাগে নাহিদের
নাহিদ রানার উইকেট উদযাপন। ছবি: মীর ফরিদ

ফিফটি পেরিয়ে ইনিংসটাকে আরো বড় করার আশায় ছিলেন বাবর আজম। বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের অন্য ব্যাটাররা খাবি খেলেও বাবর ছিলেন সাবলীল। তাকে থামাতে নতুন স্পেলে বোলিংয়ে আনা হলো নাহিদ রানাকে। ব্যস, প্রথম ওভারেই লক্ষ্য পূরণ!

ম্যাচের প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তবে নাহিদ রানার জন্য এটি নতুন কিছু নয়। বাবরকে আউট করা ক্রমেই অভ্যাসেই পূরণ করছেন তিনি।
২০২৪ সালের সেই সিরিজ থেকে শুরু। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই টেস্টে দুবার পাকিস্তানের তারকা ব্যাটারকে আউট করেছিলেন বাংলাদেশের আলোচিত ফাস্ট বোলার। 
এবারের পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চ্যাম্পিয়ন দল পেশাওয়ার জালমিতে দুজন সতীর্থ না হলে হয়তো সেখানে বাবরকে নিজের শিকার বানাতেন নাহিদ। 

চলমান সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবর খেলতে পারেননি চোটের কারণে। তাই মিরপুরে নাহিদের আগুনে বোলিংয়ে আঁচ বাবরের ওপর লাগেনি। তবে সিলেট টেস্টে মাঠে নেমে তা আর এড়াতে পারেননি।

বাবরের মতো বিশ্বমানের ব্যাটারকে আউট করার রোমাঞ্চটা এমনিতেই বেশি থাকার কথা। তবে নাহিদকে মনে হলো এটা নিয়ে একদমই নির্লিপ্ত, ‘আসলে প্রত্যেক ব্যাটসম্যানকে আউট করতেই মজা লাগে। কারণ প্রত্যেকটি উইকেটই আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমি শুধু আমার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি যে, কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দলকে সহায়তা করা যায়।’

বাবরকে আউট করা নিয়ে বাড়তি রোমাঞ্চ না থাকলেও ওই ডেলিভারিটি নাহিদকে তৃপ্তি দিয়েছে। আগের ডেলিভারিটির গতি ছিল ১৪৯ কিলোমিটার, আউট করা ডেলিভারির গতি ১৩৯ কিলোমিটার। ফ্লিক করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে মিড অনে ক্যাচ দেন বাবর।

২৩ বছর বয়সী পেসার বললেন, পরিকল্পনা করেই উইকেটটি আদায় করেছেন তিনি, ‘কোয়ালিটি ব্যাটসম্যানকে কোয়ালিটি বোলিং করতে হয় কিংবা যেকোনো ব্যাটসম্যানকে বোলিং করেন, আপনার পেসে কিংবা স্কিলে ভিন্ন কিছু একটু এলে ব্যাটসম্যানরা অস্বস্তিতে পড়ে। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, কাজে লেগে গেছে।’

৭ বছর পরে দাক্ষিণ কোরিয়ায় খেলতে আসলেন উত্তর কোরিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
৭ বছর পরে দাক্ষিণ কোরিয়ায় খেলতে আসলেন উত্তর কোরিয়া
সংগৃহীত ছবি

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল খেলতে উত্তর কোরিয়ার নেগোহিয়াং উইমেন্স ফুটবল ক্লাব দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছেছে।

বেইজিং থেকে ইনছন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন উত্তর কোরিয়া ৩৯ সদস্যের একটি দল। দলটি দ্রুত ভিড় ঠেলে বেরিয়ে হোটেলে বাসে উঠে পড়েন।

বিমানবন্দের বাইরে হাজারো তরুণ-তরুণী ‌‘স্বাগতম স্বাগতম’ বলেন অভ্যর্থনা জানায়। এসময় উত্তর কোরিয়ার নারীদের একবারে ভাবলেশহীন দেখা যায়। 

২০১৮ সালের ডিসেম্বরের পর এই প্রথম উত্তর কোরিয়ার কোনো ক্রীড়া দল দক্ষিণ কোরিয়া সফর করছে। যা গত সাত বছরেরও বেশি সময় পর দুই দেশের মধ্যে প্রথম ক্রীড়া কূটনীতির নজির।

এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের উন্নয়ন এবং ফিফা উইমেনস ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের কোয়ালিফায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

 সর্বশেষ মৌসুমে মেলবোর্ন সিটি উইমেন, সুওন এফসি উইমেন এবং উহান চেগু জিয়াংডা-এর মতো শক্তিশালী দলগুলো টুর্নামেন্টে আধিপত্য বজায় রেখেছে।

ওল্ড ট্রাফোর্ডে কাসেমিরোর শেষ ম্যাচে জয় উপহার ম্যানইউর

ক্রীড়া ডেস্ক
ওল্ড ট্রাফোর্ডে কাসেমিরোর শেষ ম্যাচে জয় উপহার ম্যানইউর
সংগৃহীত ছবি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্রাফোর্ডে মৌসুমের শেষ ঘরের মাঠের ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্টকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানইউ। 

ম্যাচের শুরুতে লুক শর গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। তবে লিড বেশিক্ষণ দরে রাখতে পারেনি ম্যানইউ। দ্বিতীয়ার্ধে ফরেস্ট তারকা মোরাতোর হেডে করা গোলে তারা সমতায় ফেরান। খবর মিরর

এর পরই আসে ম্যাথিউস কুনহার বিতর্কিত গোল। কারণ গোলটি হওয়ার আগে বল ব্রায়ান এমবেউমোর হাতে লাগলেও কুনহা গোল করেন। দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি দেওয়া হয়। 

৭৫ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাসে দারুণ গোলে ব্যবধান বাড়ান ব্রায়ান এমবেউমো। এরপর নটিংহাম মরগান গিবস ও হোয়াইটের অনবদ্য ফিনিশিং ম্যাচটিকে উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে এটাই ছিল ব্রাজিলিয়ান তারকা কাসেমিরোরও শেষ ম্যাচ। শেষ ম্যাচে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে জয় উপহার দিয়ে দিল ক্লাবটি। এ সময় কাসেমিরোকে সম্মান জানিয়ে স্ট্রেটফোর্ড এন্ডে একটি বিশাল ব্যানার বা টিফো ওড়ানো হয়। ম্যাচ শেষে ভক্তরা তাকে দারুণ বিদায় সংবর্ধনাও দিয়েছে।

সিলেট টেস্ট

দিনের শেষ ওভারে আউট মুমিনুল, তবু বড় লিডের পথে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
দিনের শেষ ওভারে আউট মুমিনুল, তবু বড় লিডের পথে বাংলাদেশ
দিনে শেষ বলে আউট হয়েছেন মুমিনুল হক। ছবি: মীর ফরিদ

সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় দিনের শেষ ওভার। বোলিংয়ে খুররম শেহজাদ। তার প্রথম তিন বল ভালোভাবেই সামাল দিলেন মুমিনুল হক। 

কিন্তু চতুর্থ বলে গুবলেট পাকিয়ে ফেললেন। অফ স্টাম্পের বাইরে একটু বাইরে ডেলিভারিতে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়লেন মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। 

সেটিই হয়ে থাকল দিনের শেষ বল। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানিরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন। কিন্তু দিনটা পুরোপুরি বাংলাদেশের হয়ে থাকল। ম্যাচের লাগাম টেনে ধরে সফরকারীদের যে বড় লক্ষ্য দেওয়ার পথে স্বাগতিকরা।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের জবাবে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করা পাকিস্তান আজ নাহিদ রানা গতি ও তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে অলআউট হয়েছে ২৩২ রানে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছে ৪৬ রানের।

Rana1
নাহিদ আজও পাকিস্তানি ব্যাটারদের ভুগিয়েছেন। ছবি: মীর ফরিদ

এরপর দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে খেলেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ২৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে ফেলেছে তারা। দ্বিতীয় দিন শেষে এগিয়ে আছে ১৫৬ রানে। 

চোট কাটিয়ে ফেরা বাবর আজম (৬৮) ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার ভালো পারফর্ম করতে পারেননি। টেলএন্ডার সাজিদ খান ৩৮ রান না করলে দুইশ ছোঁয়াও কঠিন হয়ে যেত পাকিস্তানের। 

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার পর চতুর্থ ওভারে হারায় অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ হাসানকে। তবে সেই ধাক্কা বুঝতে দেননি মাহমুদুল হাসান জয়।

JOY1
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করেছেন জয়। ছবি: মীর ফরিদ

স্কয়ার কাট, কাভার ড্রাইভ, ফ্লিক, দারুণ সব শটে বাউন্ডারির পর বাউন্ডারি আসতে থাকে জয়ের ব্যাট থেকে। ১০ চারে ফিফটি করে ফেলেন তিনি ৫৮ বলেই। তবে সম্ভাবনাময় ইনিংসটিকে বড় করতে পারেননি জয়। আউট হন ৫২ রানে। 

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক দিনটা পার করে দেওয়ার পথেই ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে বিপত্তি। মুমিনুল ফেরেন ৩০ রানে।

আগামীকাল তৃতীয় দিনে লিড আরো বাড়িয়ে পাকিস্তানকে কঠিন লক্ষ্য দিতে চাইবে বাংলাদেশ। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭৭ ওভারে ২৭৮ অলআউট (লিটন ১২৬; খুররম ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)।
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৫৭.৪ ওভারে ২৩২ অলআউট (বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮; নাহিদ ৩/৬০, তাইজুল ৩/৬৭)।
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ২৬.৪ ওভারে ১১০/৩ (জয় ৫২, মুমিনুল ৩০, শান্ত ১৩*; খুররম ২/১৯, আব্বাস ১/২৯)।
* দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ১৫৬ রানে এগিয়ে।

পেনাল্টিহীন গোলে রোনালদোকে টপকালেন মেসি | কালের কণ্ঠ