• ই-পেপার

ক্রিকেটের সোনা অস্ট্রেলিয়া নাকি ভারতের?

সালাহ-জাদুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় মিশরের

ক্রীড়া ডেস্ক
সালাহ-জাদুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় মিশরের
ম্যাচে এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করেন সালাহ। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে মিশর। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এক গোল পিছিয়ে থাকা অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে মোহাম্মদ সালাহর দল। এই জয়ে নকআউট পর্বের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মিসরের জন্য সুখকর ছিল না। ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ফিন সারম্যান। প্রথমার্ধজুড়ে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি মিশর। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েই বিরতিতে যায় তারা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামে এক ভিন্ন মিশর। আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে ৫৮ মিনিটে সমতায় ফেরে দলটি। ডান প্রান্ত থেকে মোহাম্মদ হানির দারুণ ক্রসে হেডে জাল খুঁজে নেন মোস্তফা জিকো।

সমতায় ফেরার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় মিসর। ৬৭ মিনিটে দলের সবচেয়ে বড় তারকা মোহাম্মদ সালাহ জ্বলে ওঠেন। জিকোর সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে মিশরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

এরপর ৮১ মিনিটে সালাহর আরেকটি নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করেন বদলি খেলোয়াড় ট্রেজেগে। সেই গোলেই নিশ্চিত হয়ে যায় মিশরের জয়।

ম্যাচে এক গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেন সালাহ। অধিনায়কের নেতৃত্বে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে মিশর। অন্যদিকে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে।

প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করার পর এই জয় মিশরের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে নিজেদের অবস্থান আরো শক্ত করেছে সালাহরা। এখন শেষ ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে ইতিবাচক ফল পেলেই নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

‘মেসি ফুটবলের মাইকেল জর্ডান, সে অতিমানব’—জাভি

ক্রীড়া ডেস্ক
‘মেসি ফুটবলের মাইকেল জর্ডান, সে অতিমানব’—জাভি

লিওনেল মেসিকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবু তার সাবেক সতীর্থ ও বার্সেলোনা কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজ মনে করেন, ফুটবল ইতিহাসে মেসির সঙ্গে কারো তুলনা চলে না। তার ভাষায়, মেসি হচ্ছেন ফুটবলের ‘মাইকেল জর্ডান’, যিনি প্রায় অতিমানব।

সম্প্রতি এক লেখায় জাভি স্মৃতিচারণ করে জানান, প্রথমবার মেসির নাম শুনেছিলেন যখন আর্জেন্টিনার এক কিশোর বার্সেলোনার একাডেমিতে যোগ দিতে যাচ্ছিল। তখন অনেকেই তাকে বলেছিলেন, এই ছেলেটি অন্য সবার চেয়ে আলাদা। কিন্তু জাভি শুরুতে বিষয়টি বিশ্বাসই করেননি।

তবে ২০০৪ সালে প্রথমবার মেসির সঙ্গে অনুশীলনে নেমে তার ধারণা বদলে যায়। জাভি বলেন, ‘প্রথম দিনই আমি বুঝেছিলাম, সে (মেসি) অন্যরকম। বল নিয়ন্ত্রণ, ড্রিবল, পাস, সতীর্থদের সঙ্গে সমন্বয়। সবকিছুতেই সে অসাধারণ ছিল। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই সে প্রায় ক্লাবের সেরা খেলোয়াড়।’

বার্সেলোনার হয়ে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে খেলেছেন জাভি ও মেসি। সেই অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘মেসির সঙ্গে খেলা খুব সহজ ছিল। আপনি যদি মেসির সঙ্গে সমন্বয় করতে না পারেন, তাহলে ফুটবলই খেলতে পারবেন না। সে সবসময় নিখুঁত সময়ে, নিখুঁতভাবে বল ফেরত দিত। তার সঙ্গে খেলা ছিল এক ধরনের সৌভাগ্য।’

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। ৩৮ বছর বয়সেও তার পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ জাভি।

তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছিল মেসি আর আগের মতো নেই। কিন্তু সে মাঠে নেমেই হ্যাটট্রিক করে সবাইকে জবাব দিয়েছে। আমি ম্যাচের পর তাকে বার্তা পাঠিয়েছিলাম। বলেছিলাম, ‘তুমি জোকস করতেছ! তোমার খেলা দেখে আমি শুধু হাসতে পারি।’

মেসির ফুটবল বুদ্ধিমত্তারও ভূয়সী প্রশংসা করেন জাভি। তার মতে, মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো খেলার পরিস্থিতি বুঝে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা।

জাভি বলেন, ‘সে (মেসি) সবসময় চারপাশ পর্যবেক্ষণ করে। অনেক সময় হাঁটছে মনে হলেও আসলে প্রতিপক্ষের অবস্থান, ফাঁকা জায়গা সব বিশ্লেষণ করছে। তার ফুটবল মস্তিষ্ক অবিশ্বাস্য।’

শেষে মেসিকে সর্বকালের সেরা আখ্যা দিয়ে বার্সেলোনার সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘আমি বলি, মেসি ফুটবলের মাইকেল জর্ডান। তার সঙ্গে কারো তুলনা হয় না। গত ২০ বছর ধরে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তার মানসিকতা, প্রতিযোগিতার ক্ষুধা এবং দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষে থাকার ক্ষমতা সত্যিই অনন্য। আমি মনে করি, মেসির মতো আর কোনো ফুটবলার আমরা কখনো দেখব না।’

উল্লেখ্য, মাইকেল জর্ডানকে বাস্কেটবলের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি এই তারকা ছয়বার এনবিএ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এবং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে তিনি উৎকর্ষ, সাফল্য ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। তাই জাভির এই তুলনা মেসির প্রতি তার সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধারই বহিঃপ্রকাশ।

মেসির সামনে নতুন ইতিহাস, আর্জেন্টিনাকে রুখে দিতে প্রস্তুত অস্ট্রিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির সামনে নতুন ইতিহাস, আর্জেন্টিনাকে রুখে দিতে প্রস্তুত অস্ট্রিয়া
ছবি : রয়টার্স

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করে চলেছেন লিওনেল মেসি। একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নিজের নামকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। এবার তার সামনে অপেক্ষা করছে আরো একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।

গ্রুপ ‘জে’-তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ রাতে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচে গোল করতে পারলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডে একক মালিকানা পাবেন মেসি।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে ক্যারিয়ারের ৬১তম হ্যাটট্রিক করেছিলেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। সেই ম্যাচে করা তিন গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬-তে, যা জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ডের সমান। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে একটি গোলই মেসিকে নিয়ে যাবে সবার ওপরে।

শুধু তাই নয়, গোল করতে পারলে বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করা মাত্র তৃতীয় ফুটবলারও হবেন মেসি। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের জাস্ট ফঁতেন এবং ১৯৭০ সালে ব্রাজিলের জর্জিনহো।

৩৮ বছর বয়সেও মেসির প্রভাব কমেনি একটুও। আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ১০টি শটের মধ্যে আটটিতেই সরাসরি অবদান ছিল তার। ছয়টি শট নিজে নিয়েছেন, তৈরি করেছেন আরো দুটি সুযোগ। তবে শুধু মেসিই নন, আর্জেন্টিনার শক্তিশালী মিডফিল্ড ও রক্ষণভাগও ছিল প্রশংসার দাবিদার। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনজো ফার্নান্দেজের নেতৃত্বে মাঝমাঠ এমন নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছে যে পুরো ম্যাচে আলজেরিয়া একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।

অন্যদিকে, জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রিয়া। টানা চার ম্যাচে জয়ের ধারায় থাকা ইউরোপীয় দলটি এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে চমক দেখানোর স্বপ্ন দেখছে।

অস্ট্রিয়ার তরুণ মিডফিল্ডার পল ওয়ানার বলেন, ‘আমরা জানি আর্জেন্টিনা কতটা শক্তিশালী দল। তাদের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে। তবে নিজেদের সামর্থ্যের ওপরও আমরা বিশ্বাস রাখি। আমরা যদি নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি, তাহলে যেকোনো দলকেই সমস্যায় ফেলতে পারব।’

তবে ম্যাচের আগে কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছে অস্ট্রিয়া। অধিনায়ক ডেভিড আলাবা, স্টেফান পোশ ও আলেসান্দ্রো শপফ আলাদা অনুশীলন করেছেন এবং তাদের খেলা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও রক্ষণভাগে গনসালো মন্টিয়েলের চোট নিয়ে চিন্তিত।

এই ম্যাচে জয় পেলে এবং অন্য ম্যাচে জর্ডান আলজেরিয়াকে হারাতে না পারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করবে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপ শেষে অবসর নিয়ে কোরআনের হাফেজ হতে চান তিনি

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ শেষে অবসর নিয়ে কোরআনের হাফেজ হতে চান তিনি
মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউয়ি। ছবি: এক্স

বয়স মাত্র ২৮ বছর। এই বয়সে অনেক খেলোয়াড়ই নিজের সেরা সময় কাটান।

কিন্তু নুসাইর মাজরাউয়ি ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে ধর্মীয় জীবনে মনোনিবেশ করতে চান। সম্ভব হলে বিশ্বকাপ শেষেই অবসর তিনি চান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মরোক্কান ডিফেন্ডার। 

নুসাইর মাজরাউয়ি জানিয়েছেন, তিনি কোরআনের হাফেজ হয়ে একদিন মসজিদে ইমামতি করবেন। গত মার্চে একটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাজরাউয়ি এই ইচ্ছার কথা জানালেও বিশ্বকাপের এই সময়ে তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

অনেকের প্রশ্ন, বিশ্বকাপ তো চলছেই। তাহলে কি টুর্নামেন্ট শেষেই অবসরের ঘোষণা দিয়ে ধর্মীয় কাজে মনোনিবেশ করবেন মাজরাউয়ি?

সাক্ষাৎকারে মাজরাউয়ি বলেছিলেন, ‘হয়তো বিশ্বকাপের পর আমি অবসরের সিদ্ধান্ত নিতে পারি। জীবনটা খুব ছোট। আমি পুরো কোরআন মুখস্ত করতে চাই এবং একদিন মসজিদের ইমাম হতে চাই।’

মাজরাউয়ি আরো বলেছিলেন, ‘রমজান মাসে আমি যতটা কোরআন পড়তাম, অন্য মাসগুলোতে ততটা নয়। সেখান থেকেই আমার যাত্রা শুরু। বিশ্বকাপের পর আমি কোরআন মুখস্থ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটির ব্যাখ্যাও দিয়েছিলেন এই ডিফেন্ডার, ‘নামাজের সময় আমি কোরআনের কয়েকটি নির্দিষ্ট সূরা তিলাওয়াত করতাম। শুধু সেগুলোই আমার জানা। আমি আসলে কত কম সূরা জানি, তা ভেবে কিছুটা লজ্জাও পেতাম। এরপরই আমি কোরআন মুখস্থ করার সিদ্ধান্ত নিই।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকার অগ্রাধিকারের তালিকায় ইসলাম ধর্মই সবার আগে, ‘আমার জীবনের এক নম্বর বিষয় হলো আমার ধর্ম। কোনো কিছু আমার ইচ্ছামতো না হলে কিংবা আমার পক্ষে না গেলে ধর্ম আমাদের অনেক সাহায্য করে। এই দৃষ্টিভঙ্গিই আমাকে জীবনের পথ চলতে শক্তি ও দিকনির্দেশনা দেয়।’

আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে মরক্কো। দলকে শেষ চারে তুলতে বড় অবদান রাখেন নুসাইর মাজরাউয়ি। 

এবারের বিশ্বকাপেও ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ মিলিয়ে ১৭০ মিনিট খেলেছেন মাজরাউয়ি। আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ‘সি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হবে তার দল। 

নেদারল্যান্ডসে জন্ম নেওয়া মাজরাউয়ি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগে আয়াক্স ও বায়ার্ন মিউনিখের মতো ক্লাবে খেলেছেন। ইউনাইটেডের সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি আছে তার। 

ক্রিকেটের সোনা অস্ট্রেলিয়া নাকি ভারতের? | কালের কণ্ঠ