• ই-পেপার

ভগ্নিপতি মঈনকে নিয়ে গুলজারদের বিড়ম্বনা

কেমন হতে পারে পর্তুগালের তারকাখচিত একাদশ

ক্রীড়া ডেস্ক
কেমন হতে পারে পর্তুগালের তারকাখচিত একাদশ
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে কাতার অধ্যায়ের হতাশা পেছনে ফেলে আবারও মাঠে নামছে পর্তুগাল। গ্রুপ ‘কে’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফ্রিকার প্রতিনিধি ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হবে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলটি। আর সেই ম্যাচে সবার চোখ থাকবে ৪১ বছর বয়সী মহাতারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর দিকে।

কোচ রবার্তো মার্তিনেসের অধীনে পর্তুগালের সম্ভাব্য একাদশে গোলপোস্টের নিচে থাকছেন দিয়োগো কস্তা। রক্ষণভাগে দেখা যেতে পারে জোয়াও ক্যানসেলো, রোবেন দিয়াস, গঞ্জোলো ইনাসিও এবং নোনো মেন্দেসকে।

মধ্যমাঠে দলের ছন্দ ধরে রাখার দায়িত্ব থাকবে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেসের কাঁধে।  বিশেষ করে পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে আসা ভিতিনহা ও জোয়াও নেভেসের ওপরই থাকবে আক্রমণ ও রক্ষণে ভারসাম্য আনার দায়িত্ব।

আক্রমণভাগে দুই উইংয়ে দেখা যেতে পারে বার্নার্দো সিলভা এবং পেদ্রো নেতোকে। আর স্ট্রাইকার হিসেবে একাদশে থাকবেন পর্তুগালের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

সম্ভাব্য একাদশ (৪-৩-৩) :

দিয়োগো কস্তা (গোলরক্ষক), জোয়াও ক্যানসেলো, রুবেন দিয়াস, গঞ্জালো ইনাসিও, নুনো মেন্দেস, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, পেদ্রো নেতো।

রোনালদোর দুই রেকর্ড ভাঙলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোর দুই রেকর্ড ভাঙলেন মেসি
সংগৃহীত ছবি

আলজেরিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কনকাস সিটি স্টেডিয়ামে গ্রুপ-জে এর ম্যাচে ৩-০ হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। দলের জয়ে তিন গোলই মেসির। 

এর মধ্য দিয়ে পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দুইটি রেকর্ড ভেঙে ফেলেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। 

ফুটবল বিশ্বকাপে এই প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন মেসি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড গড়লেন মেসি। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার সময় রোনালদোর বয়স ছিল ৩৩ বছর ১৩০ দিন ।

এছাড়া আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি মেসির ১১তম হ্যাটট্রিক। এতদিন যৌথভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকের মালিক ছিলেন মেসি-রোনালদো (১০টি)। তবে ১১ হ্যাটট্রিক নিয়ে এখন এককভাবে এই কৃতিত্বের মালিক হলেন মেসি। 
 

মেসির কান্নার কারণ জানা গেল

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসির কান্নার কারণ জানা গেল

মাঠে তিনি ম্যাজিক দেখান, প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভেঙে চুরমার করেন, আবেগ আর ফুটবলকে মেলান এক সুতোয়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের বড় জয় এনে দিয়েছেন লিওনেল মেসি। একই সাথে ছুঁয়েছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও।

তবে এই রেকর্ডের মহোৎসবের চেয়েও ফুটবল বিশ্বকে বেশি নাড়া দিয়েছে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তার প্রথম গোলটি করার পরের দৃশ্য। গোল উদযাপনের পর মাঠেই কাঁদতে দেখা যায় এই মহাতারকাকে। ভক্তদের মনে তখন একটাই প্রশ্ন, কেন এই কান্না? 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের এই আবেগঘন মুহূর্তের পেছনের আসল রহস্য উন্মোচন করেছেন খোদ মেসিই। ৩৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানিয়েছেন, মাঠের এই কান্নার পেছনে ফুটবলীয় কোনো কারণ ছিল না, বরং এর পেছনে লুকিয়ে ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এক কঠিন সময়।

মেসি জানান, বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ম্যাচের আগের কয়েকটি দিন তাকে ভীষণ কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, যা কোনোভাবেই খেলার সাথে সম্পর্কিত নয়। 

তবে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সমস্যার কথা প্রকাশ না করলেও এই সংকটময় মুহূর্তে দলের সতীর্থ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা যেভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার জন্য সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। দল তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে বলেই তিনি মাঠে এমন পারফর্ম করতে পেরেছেন বলে মনে করেন এলএমটেন।

ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসে অর্জনের খাতাটা পূর্ণ করার পর বর্তমান সময়টাকে নিজের ক্যারিয়ারের শীর্ষ পর্যায় হিসেবে দেখছেন মেসি। অন্যদিকে দলের মূল তারকার এমন রূপ দেখে ম্যাচ শেষে স্তব্ধ হয়ে গেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও। 
 

মেসিকে থামাতে ব্যর্থ হয়েছে আলজেরিয়া : পেতকোভিচ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে থামাতে ব্যর্থ হয়েছে আলজেরিয়া : পেতকোভিচ
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও জাদু দেখিয়েছেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় এনে দিয়েছেন এই মহাতারকা। ম্যাচ শেষে নিজের দলের ভুলকেই পরাজয়ের বড় কারণ হিসেবে দেখছেন আলজেরিয়ার কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচ।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসিকে বারবার জায়গা করে দেওয়ার মাসুল গুনতে হয়েছে আলজেরিয়াকে। ম্যাচ শেষে পেতকোভিচ বলেন, ‘আমরা কোনো সাধারণ ফুটবলারের কথা বলছি না। আমরা এমন একজন খেলোয়াড়ের কথা বলছি, যিনি সাত-আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে আমরা তার কাজ আরো সহজ করে দিয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়া। তাকে একটু সুযোগ দিলেই সে সেটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারে।’

আলজেরিয়া কোচের মতে, শুধু মেসি নন, পুরো আর্জেন্টিনা দলই তাকে সহায়তা করে। তিনি বলেন, ‘তার একটি বড় সুবিধা হলো—পুরো আর্জেন্টিনা দল তার জন্য কাজ করে। আজ আর্জেন্টিনার ১০টি শটের মধ্যে সাতটিই ছিল মেসির।’

ম্যাচে মেসির প্রথম গোল ঠেকাতে ব্যর্থ হন আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান। দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও তার ভুলে সুযোগ পান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পরে ৭৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি।

তবে গোলরক্ষককে এককভাবে দায়ী করতে নারাজ আলজেরিয়া কোচ। তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড়কে দোষ দেওয়া আমার স্বভাব নয়। আমরা দল হিসেবে অনেক ভুল করেছি এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’

এই জয়ে বিশ্বকাপ মিশন দুর্দান্তভাবে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে বড় হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জে পড়েছে আলজেরিয়া। আগামী ২২ জুন জর্দানের বিপক্ষে মাঠে নামবে উত্তর আফ্রিকার দলটি, এরপর ২৭ জুন তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া।