• ই-পেপার

আর কোনো বিপদ ছাড়াই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‌‌‘জে’তে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে স্কালোনির শিষ্যরা। বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় দ্বিতীয় ম্যাচে ইউরোপের দল অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে আলবেসেলিস্তরা।

দ্বিতীয় ম্যাচের শুরুর একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কালোনি। মন্টিয়েলের জায়গায় ডান প্রান্তে নাহুয়েল মোলিনা শুরুর একাদশে ফিরতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রথম ম্যাচের একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তন না হলেও দু-তিনটি জায়গায় রদবদল হতে পারে লিওনেল স্কালোনির পরিকল্পনায়।

আক্রমণভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। থিয়েগো আলমাদার জায়গায় নিকোলাস গঞ্জালেসকে দেখা যেতে পারে। গঞ্জালেসের গতি ও খালি জায়গা কাজে লাগানোর ক্ষমতাকে অস্ট্রিয়ার মতো উচ্চ প্রেসিং দলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

আরেকটি পরিবর্তন হতে পারে স্ট্রাইকার পজিশনে। হুলিয়ান আলভারেজ লাউতারো মার্টিনেজের জায়গায় শুরুর একাদশে ফিরতে পারেন। চোট কাটিয়ে আগের ম্যাচে তিনি বদলি হিসেবে খেলেছিলেন, আর এবার তাকে শুরু থেকেই সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

অনুশীলনে মন্টিয়েলকে পুরো সেশন জুড়েই বুট পরে দেখা গেছে। শুক্রবারের অনুশীলনে তিনি প্রথম অংশে দলের সঙ্গে থাকলেও পরে আলাদা কাজ করেন। চোট গুরুতর না হলেও তাকে নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছে কোচিং স্টাফ। তিনি স্কোয়াডে থাকলেও ম্যাচে সীমিত সময় খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রথম ম্যাচের প্রায় একই রকম একটি একাদশই আবারও দেখা যেতে পারে। গোলপোস্টে থাকবেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। রক্ষণভাগে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও ফাকুন্দো মেদিনা দায়িত্বে থাকবেন।

মিডফিল্ডে রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার খেলবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসি থাকবেন নিশ্চিতভাবেই।

সব মিলিয়ে বড় কোনো ঝাঁকুনি না দিয়ে আর্জেন্টিনা হয়তো কয়েকটি জায়গায় কৌশলগত পরিবর্তন এনে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে—যেখানে গতি, চাপ সামলানো এবং কাউন্টার অ্যাটাকই হতে পারে মূল ফ্যাক্টর।

গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার
জার্মানির ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেককে এবারের বিশ্বকাপে আর খেলতে দেখা যাবে না। ছবি: ফিফা

টানা দুই জয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে জার্মানি। কিন্তু দলটির সমর্থেকরা যখন আরো বড় কিছুর প্রত্যাশা করছে, তখনই এল দুঃসংবাদ।

গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপের বাকি অংশ থেকে ছিটকে গেলেন ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি) আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

গত শনিবার (২০ জুন) আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় পায় জার্মানি। সেই ম্যাচের ১৩ মিনিটে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে শ্লটারবেকের বাঁ গোড়ালি মচকে যায়। প্রাথমিকভাবে তিনি খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও বিরতির সময় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। 

GERMANY PLAYER
গোড়ালির লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে শ্লটারবেকের। ছবি: ফিফা

পরবর্তীতে স্ক্যান রিপোর্ট পাওয়ার পর ডিএফবি নিশ্চিত হয়েছে যে, শ্লটারবেকের বাঁ গোড়ালির ভেতরের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে। এই চোট থেকে সেরে উঠতে প্রায় দুই মাস সময় লাগবে। তাই বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ২৬ বছর বয়সী এই সেন্টার ব্যাকের বিশ্বকাপে আর খেলার সম্ভাবনা নেই। 

শ্লটারবেকের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ জার্মানির কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান। তিনি বলেছেন, ‘শ্লোটি (শ্লটারবেক) একজন অসাধারণ ডিফেন্ডার। ওর না থাকা আমাদের জন্য বিশাল এক ক্ষতি। বিশেষ করে কেলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ওর দক্ষতা আমরা মিস করব। এই বিশ্বকাপটা ওর হতে পারত। তবে সে খুবই ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ। এখান থেকেই সে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে।’

এবারের বিশ্বকাপে জার্মান রক্ষণভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন শ্লটারবেক। ইয়োনাথান টাহর সঙ্গে তার জুটি দলের রক্ষণকে শক্তিশালী করে তুলেছিল। তার অনুপস্থিতিতে এখন বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগারসহ দলের বাকি ডিফেন্ডারদের।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে জার্মানি। সেই ম্যাচে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন শ্লটারবেক।

বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার আশায় বিয়ে পেছালেন রোনালদোর সতীর্থ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার আশায় বিয়ে পেছালেন রোনালদোর সতীর্থ
পর্তুগালের স্ট্রাইকার গনসালো রামোস ও তার বাগদত্তা মার্গারিদা আমারাল দমিঙ্গেজ। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

পতুর্গালের সাংবাদিক মার্গারিদা আমারাল দমিঙ্গেজের সঙ্গে ২০২৩ সাল থেকে সম্পর্ক গনসালো রামোসের। এই জুটি গত বছর বাগদান সেরেছেন। তাদের ঘর এসেছে পুত্রসন্তান বের্নার্দো। তবে বিয়েটা এখনো করা হয়নি।

গনসালো রামোস চেয়েছিলেন আগামী ১৮ জুলাই শুভ কাজটা সারবেন। কিন্তু ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা ভেবে বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন এই স্ট্রাইকার। 

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এই সতীর্থের আশা, পতুর্গাল এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠবে এবং তিনি শিরোপার মঞ্চে থাকবেন। এরপর বিয়ে করবেন।

গনসালো রামোস বলেছেন, ‘আমার বিয়ের অনুষ্ঠান হবে ২৫ জুলাই। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর। আসলে বিয়ের তারিখ ছিল ১৮ জুলাই। কিন্তু ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনাল থাকায় সেটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আমরা ফাইনালে পৌঁছাতে পারব।’

Practice Portugal
পর্তুগাল দলের অনুশীলনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও গনসালো রামোস। ছবি: সংগৃহীত

পিএসজির হয়ে টানা দুই মৌসুম উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছেন গনসালো রামোস। তরতাজা সেই সুখস্মৃতি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেছেন ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। 

তবে বিশ্বকাপে পর্তুগালের শুরুটা ভালো হয়নি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে পর্তুগিজরা। 

সেই ম্যাচে রোনালদো ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। ৮২ মিনিটে বদলি নেমে গনসালো রামোসও ব্যবধান গড়ে দিতে পারেননি। 

পর্তুগালের পরের ম্যাচ আগামীকাল (২৩ জুন) রাতে; প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান। 

১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস ও বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) পরিকল্পনা অনুযায়ী, ম্যাচটি হবে ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচটির ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে ঐতিহাসিক লর্ডসের নাম আলোচনায় রয়েছে। 

২০২৭ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ভেন্যু নির্ধারণের ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে এই সিদ্ধান্ত। যদি ফাইনাল ম্যাচ ওভালে হয়, তাহলে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট লর্ডসে আয়োজন করা হতে পারে।

বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডের মাটিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিল ২০১০ সালে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি হয়েছিল লর্ডসে, শেষটি ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবার সেই অভিজ্ঞতা হতে পারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। একইসঙ্গে দেশের বাইরে বড় দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের জন্যও এটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

২০২৭ সাল ইংল্যান্ডের জন্য বেশ ব্যস্ত মৌসুম হতে চলেছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে দুটি টেস্ট খেলার কথা ইংলিশদের। এরপর টেস্টের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) ম্যাচটি হওয়ার কথা মার্চে। 

এরপর দেশে ফিরে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। তারপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ সিরিজ।

২০২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ গ্রীষ্মকালীন সূচি আগামী জুলাইয়ে প্রকাশ করবে ইসিবি। তবে আনুষ্ঠানিক সূচি ঘোষণার আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে সম্ভাব্য এই টেস্ট ম্যাচ দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।

আর কোনো বিপদ ছাড়াই দিন শেষ করল বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ