• ই-পেপার

ম্যান অব দ্য ‍ম্যাচের পুরস্কার পেলেন একে-৪৭ রাইফেল!

ভক্তদের কি বার্তা দিল মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
ভক্তদের কি বার্তা দিল মেসি
ছবি : এএফএ

বিশ্বকাপের মহারণ চলছে। বৈশ্বিক এই আসরের উন্মাদনায় মজেছে গোটা বিশ্ব। রেকর্ড সর্বোচ্চ ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন বিশ্বকাপজয়ী মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার আগে মেসি স্মৃতিকাতরতায় ভুগছেন তিনি। নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামার ভক্তদের শুরু থেকে শেষের সময়ের স্মৃতিচারণ করে দিলেন বার্তা।

স্যোশাল প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে নিজের ছয় আসরের ছয়টি ছবি শেয়ার করেছেন মেসি। নিজের বিশ্বকাপ যাত্রার স্মৃতিচারণ করে ক্যাপশনে লিখেছেন– ‘২০০৬⚽২০২৬’। যেন বিশ্বকাপ অধ্যায়ের শুরু-শেষটা একই ফ্রেমে আনার চেষ্টা করলেন তিনি।

মাঠে নামার আগে ভক্তদের নিয়ে এই স্মৃতিকাতরতায় ভুগলেন তিনি।

রোজারিও’র এই তারকা ২০ বছর আগে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ২০০৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলেন। এরপর অংশ নেন দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ (, ব্রাজিল ২০১৪, রাশিয়া ২০১৮ এবং কাতার ২০২২ বিশ্বকাপে– যেখানে তিনি আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। প্রথমবার এই কীর্তি গড়বেন তিনজন। সবাই আবার চলতি আসরে, মেসি ছাড়া বাকি দুজন– মেক্সিকোর গুইলার্মো ওচোয়া, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

স্মৃতি মান্ধানার অর্ধশতকে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিল ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক
স্মৃতি মান্ধানার অর্ধশতকে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিল ভারত
ছবি : আইসিসি

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। টসে জিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। স্মৃতি মান্ধানার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৭০ রানের লড়াকু লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তানকে।

রবিবার (১৪ জুন) বার্মিংহামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-য়ের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে হারমানপ্রীতরা।

ম্যাচের প্রথম ওভারের সাদিয়া ইকবালের বলে মুনেবা আলীর তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন শাফালি ভার্মা। এ সময় তিনি করেন ৬ রান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ভারত।

চতুর্থ ওভারে জেমিমা রদ্রিগেজকে তুলে দ্বিতীয় ধাক্কা দেয় রামিন শামিম। দুর্দান্ত বলে ফাতিমা সানার কাছে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরে জেমিমা।

এরই পরই শুরু হয় স্মৃতি মান্ধানা শো। চার-ছয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন তিনি। সাত চার ও এক ছয়ে ৩৪ বলের ঝোড়ো ব্যাটিং অর্ধশতক তুলে নেন এই ব্যাটিং তারকা।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে স্মৃতি মান্ধানা ও অধিনায়ক হারমানপ্রীত ৯১ রান করেন।  ১৪ তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে নয় চার ও ২ ছয়ে ৬৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন স্মৃতি। দলীয় স্কোর ৩ উইকেটে ১০৯।

তারপর হারমানপ্রীত ৩৬ ও রিচা ঘোষের ১৭ বলে ৩৪ রানে ২০ ওভারে ১৭০ রানের লড়াই স্কোর দাঁড় করায় অমল মুজুমদারের শিষ্যরা।

এসময় দুটি করে উইকেট নেন সাদিয়া ইকবাল ও ফাতিমা সানা। এছাড়া একটি করে তুলে নিয়েছে তাসমিয়া রুবাব ও রামিন শামিম।

নাটকীয় জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অজিরা

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অজিরা
সংগৃহীত ছবি

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি হেরে আগেই বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামে অজিরা। ওপেনার কুপার কনলির ১৪৯ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ১ উইকেটে জয় তুলে নেয় ক্যাঙ্গারু বাহিনী। দলকে না জেতাতে পারলেও ১০ ওভারে ৬ উইকেট তুলে নেন শরিফুল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামে অজিরা। শুরুতে দুই ওপেনারের মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৪ ওভারে ৪০ রান তুলে নেয় অজিরা। ম্যাচের পঞ্চম ওভারে পর পর দুই উইকেট তুলে নিয়ে রানের চাকায় লাগাম টানে পেসার শরিফুল।

তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওপেনার কুপার কনলি সঙ্গে ক্রিজে কিছুটা থিতু হতে চাওয়া আলেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেয় তাসকিন। এতে দলীয় স্কোর ৭০ রানেই নেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। 

চতুর্থ উইকেটে ওপেনার কুপারের সঙ্গে ৬৪ রানের কার্যকারি জুটি গড়ে, দলকে এগিয়ে নেন মারনাস লাবুশান। তারপর পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ২৭ রানে আউট হওয়ার আগে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ষষ্ঠ উইকেটে ওলিভার পিকের সাথে ৬৪ রানের জুটি এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

এক পর্যায়ে ৫ উইকেটে ২৬৬ রান অজিদের স্কোর বোর্ডে। ততক্ষণে ফিফটির পর সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১৩১ বলে ১৪৯ রানে অপরাজিত কনোলি।

জয়ের জন্য সমীকরণ ৩০ বলে ৯ রান। কিন্তু এই সমীকরণ মেলাতে গিয়ে শরিফুল, মুস্তাফিজের তোপে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ১৪৯ রানেই আউট হয়েছেন কনোলি।

ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের পর ৬ নম্বর শিকারও তুলে নেন শরিফুল। জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়লেও অ্যাডাম জাম্পার ব্যাটে (৪*) ৩ বল আগেই ১ উইকেটে জয় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার।

এর আগে তাওহিদ হৃদয়ের ৮৩, মোসাদ্দেক হোসেন ও লিটন দাসের অপরাজিত ৫৬ ও ৫৮ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ম্যাট রেনশ ও জাভিয়ের বার্টলেট নেন দুটি করে উইকেট, একটি উইকেট পান বেন ডোয়ারসুইশ।

নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক
নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শুভসূচনা করল বাংলাদেশ। জুয়াইরিয়ার অর্ধশতকে ৬ উইকেটের বড় জয় তুলে নিল বাংলাদেশের প্রমিলারা। দুর্দান্ত অর্ধশতকে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠে ওপেনার জুয়াইরিয়ার ফেরদৌসের হাতে।

রবিবার (১৪ জুন) বার্মিহামের এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১৪০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই ওপেনার। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার দৃঢ়তায় পাওয়ার প্লেতে তুলে নেয় ৪৭ রান। জুয়াইরিয়া ৩৯ ও দিলারা ১৫ রান করেন।

ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩২ বলেই নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। তবে এর পরের বলেই বাংলাদেশের সহজ জয়ের আশায় প্রথম আঘাত হানেন ডাচ লেগ স্পিনার ক্যারোলিন ডি ল্যাঙ্গে। নিজের করা প্রথম ওভারের ৫ম বলে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে ফেরান জুয়াইরিয়া ফেরদৌসকে।

রানের খাতার খুলার আগেই ডি লাঞ্জের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। পরপর দুই ইউকেট পড়ে যাওয়ায় কিছুটা ধাক্কা খায় বাংলাদেশে। 

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠার আগেই ১১ তম ওভারে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন দিলারা। ব্যক্তিগত ২৬ রানে সিল্ভার সিজারসের বলে আউট হন তিনি। পরের ওভারেই রান আউট হন মোস্তারি। দুই ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরেন ডাচরা। 

তবে সব ভয়কে ছাপিয়ে শারমিন আক্তার ও সোস্বর্ণা আক্তারের ৩৭ ও ১৮ রানের অসাধারণ ইনিংস বাংলাদেশকে নিয়ে যায় জয়ের বন্দরে। নেদারল্যান্ডসের হয়ে সর্বোচ্চ দুইটি উইকেট নিয়েছেন লেগ স্পিনার ক্যারোলিন ডি ল্যাঙ্গে। 

এর আগে টসে হেরে বল করতে নেমে  দারুণ বোলিং করেছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ফিল্ডিং করা নিগার সুলতানা জ্যোতির দল নেদারল্যান্ডসকে আটকে দিয়েছে ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন পেসার মারুফা আক্তার। একটি করে উইকেট নিয়েছে তৃষ্ণা, মেঘলা, রাবেয়া ও ঋতু মনি।

ম্যান অব দ্য ‍ম্যাচের পুরস্কার পেলেন একে-৪৭ রাইফেল! | কালের কণ্ঠ