• ই-পেপার

ভক্তদের কী বার্তা দিলেন মেসি

নয়্যারকে নিয়ে জার্মানির শুরু, নেই রুডিগার

ক্রীড়া ডেস্ক
নয়্যারকে নিয়ে জার্মানির শুরু, নেই রুডিগার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের নবাগত দল কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যানুয়েল নয়্যারকে শুরুর একাদশে রেখেছেন জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। খেলতে পারেননি লিগ কাপের ফাইনাল।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হাস্টন স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে জার্মানির একাদশে আছে আরো চমক। ডিফেন্ডার অ্যান্তোনি রুডিগার নেই শুরুর একাদশে। রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন জনাথন তাহ ও নিকো সলোটারবেক। জসুয়া কিমিখি ও নাথানিয়েল ব্রাউন আছেন ফুলব্যাকে। 

জার্মানির মিডফিল্ডেও আছে চমক। অভিজ্ঞ লিরয় গোরেস্কার জায়গা পাননি শুরুর একাদশে। নেই অ্যাঞ্জেলো স্টিলারও। মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখের অ্যালেক্সজান্ডার পাভলোভিক ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের ফেলিক্স নামিচার কাঁধে। ফরোয়ার্ড লাইনে লিরয় সানে, জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ ও কাই হাভার্টেজকে রাখা হয়েছে।

জার্মানির শুরুর একাদশ : ম্যানুয়েল নয়্যার, জসুয়া কিমিখ, জোনাথন তাহ নিকো স্লোটারবেক, নাথানিয়েল ব্রাউন, অ্যালেক্সজান্ডার পাভলোভিক, ফেলিক্স নামিচা, লিরয় সানে, জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ, কাই হাভার্টেজ। 

কুরাসাওয়ের শুরুর একাদশ : ইলয় রুম, দেভেরন ফনভিলে, আরমান্দো অবিসপো, রিচের্ডলি বাজোয়ের, সেরেল ফ্লোরানাস, লিওনার্দো বাকুনা, লিভানো কমেনেনসিয়া, জুনিনহো বাকুনা, তাহিথ চঙ, সান্তজি হানসেন, জার্গেন লোকাদিয়া।

টর্নেডো সতর্কতায় হোটেলবন্দি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দল

ক্রীড়া ডেস্ক
টর্নেডো সতর্কতায় হোটেলবন্দি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দল

ক্যানসাস সিটিতে টর্নেডোর সতর্কবার্তা জারি করায় হোটেলবন্দি হয়ে পড়েছেন বিশ্বকাপের জন্য ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রা। তাদের বেইস ক্যাম্প ভেন্যু ক্যানসাস সিটিতে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পরই এ সতর্কবার্তা জারি করা হয়। 

ফ্লোরিডা থেকে শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ক্যানসাস সিটিতে পৌঁছায় ইংল্যান্ড দল। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় প্রচণ্ড রোদের মধ্যে ক্যাম্পে একটি সম্মিলিত অনুশীলন সেশনে অংশ নেয় তারা। সেখানে প্রায় ৭০০ দর্শকের উপস্থিতিতে দলের ২৬ জন খেলোয়াড়ই ছিলেন।

কিন্তু সন্ধ্যার দিকে প্রবল ঝড় ওঠে। ইংল্যান্ডের ক্যাম্পসহ স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ তাদের ফোনে একটি জরুরি সতর্কবার্তা পান, যেখানে তাদের নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়।

সেই পরামর্শ মেনে হোটেলের ভেতরে অবস্থান করেন ইংল্যান্ড দলের সবাই। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরের একটি ‘ফ্যান ফেস্টিভ্যাল’ নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আবহাওয়া বিভাগ জানায়, এই ঝড়ের কারণে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ মাইল (১২৯ কিলোমিটার) পর্যন্ত হতে পারে এবং শনিবার সন্ধ্যায় টর্নেডোর সাইরেন বাজানো হয়।

আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বাসিন্দাদের জানানো হয়, কোনো মজবুত ভবনে আশ্রয় নিন, জানালা থেকে দূরে থাকুন। উড়ন্ত ধ্বংসাবশেষ আশ্রয় না নেওয়াদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।

ফ্লোরিডায় ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ-পূর্ববর্তী ক্যাম্পটিও আবহাওয়াজনিত সমস্যায় পড়েছিল। কোস্টা রিকার বিপক্ষে তাদের শেষ প্রস্তুতিমূলক প্রীতি ম্যাচটি বজ্রঝড়ের কারণে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়, কিন্তু সেখানে টর্নেডোর মতো মারাত্মক কিছু ঘটেনি।

ডালাসে আগামী বুধবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে টমাস টুখেলের দল।

স্মৃতি মান্ধানার অর্ধশতকে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিল ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক
স্মৃতি মান্ধানার অর্ধশতকে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দিল ভারত
ছবি : আইসিসি

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। টসে জিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। স্মৃতি মান্ধানার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৭০ রানের লড়াকু লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তানকে।

রবিবার (১৪ জুন) বার্মিংহামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-য়ের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে হারমানপ্রীতরা।

ম্যাচের প্রথম ওভারের সাদিয়া ইকবালের বলে মুনেবা আলীর তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন শাফালি ভার্মা। এ সময় তিনি করেন ৬ রান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ভারত।

চতুর্থ ওভারে জেমিমা রদ্রিগেজকে তুলে দ্বিতীয় ধাক্কা দেয় রামিন শামিম। দুর্দান্ত বলে ফাতিমা সানার কাছে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরে জেমিমা।

এরই পরই শুরু হয় স্মৃতি মান্ধানা শো। চার-ছয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন তিনি। সাত চার ও এক ছয়ে ৩৪ বলের ঝোড়ো ব্যাটিং অর্ধশতক তুলে নেন এই ব্যাটিং তারকা।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে স্মৃতি মান্ধানা ও অধিনায়ক হারমানপ্রীত ৯১ রান করেন।  ১৪ তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে নয় চার ও ২ ছয়ে ৬৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন স্মৃতি। দলীয় স্কোর ৩ উইকেটে ১০৯।

তারপর হারমানপ্রীত ৩৬ ও রিচা ঘোষের ১৭ বলে ৩৪ রানে ২০ ওভারে ১৭০ রানের লড়াই স্কোর দাঁড় করায় অমল মুজুমদারের শিষ্যরা।

এসময় দুটি করে উইকেট নেন সাদিয়া ইকবাল ও ফাতিমা সানা। এছাড়া একটি করে তুলে নিয়েছে তাসমিয়া রুবাব ও রামিন শামিম।

নাটকীয় জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অজিরা

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অজিরা
সংগৃহীত ছবি

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি হেরে আগেই বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামে অজিরা। ওপেনার কুপার কনলির ১৪৯ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ১ উইকেটে জয় তুলে নেয় ক্যাঙ্গারু বাহিনী। দলকে না জেতাতে পারলেও ১০ ওভারে ৬ উইকেট তুলে নেন শরিফুল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামে অজিরা। শুরুতে দুই ওপেনারের মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৪ ওভারে ৪০ রান তুলে নেয় অজিরা। ম্যাচের পঞ্চম ওভারে পর পর দুই উইকেট তুলে নিয়ে রানের চাকায় লাগাম টানে পেসার শরিফুল।

তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওপেনার কুপার কনলি সঙ্গে ক্রিজে কিছুটা থিতু হতে চাওয়া আলেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেয় তাসকিন। এতে দলীয় স্কোর ৭০ রানেই নেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। 

চতুর্থ উইকেটে ওপেনার কুপারের সঙ্গে ৬৪ রানের কার্যকারি জুটি গড়ে, দলকে এগিয়ে নেন মারনাস লাবুশান। তারপর পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ২৭ রানে আউট হওয়ার আগে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ষষ্ঠ উইকেটে ওলিভার পিকের সাথে ৬৪ রানের জুটি এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

এক পর্যায়ে ৫ উইকেটে ২৬৬ রান অজিদের স্কোর বোর্ডে। ততক্ষণে ফিফটির পর সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১৩১ বলে ১৪৯ রানে অপরাজিত কনোলি।

জয়ের জন্য সমীকরণ ৩০ বলে ৯ রান। কিন্তু এই সমীকরণ মেলাতে গিয়ে শরিফুল, মুস্তাফিজের তোপে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ১৪৯ রানেই আউট হয়েছেন কনোলি।

ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের পর ৬ নম্বর শিকারও তুলে নেন শরিফুল। জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়লেও অ্যাডাম জাম্পার ব্যাটে (৪*) ৩ বল আগেই ১ উইকেটে জয় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার।

এর আগে তাওহিদ হৃদয়ের ৮৩, মোসাদ্দেক হোসেন ও লিটন দাসের অপরাজিত ৫৬ ও ৫৮ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ম্যাট রেনশ ও জাভিয়ের বার্টলেট নেন দুটি করে উইকেট, একটি উইকেট পান বেন ডোয়ারসুইশ।