kalerkantho

ক্রিকেটারদের ফিটনেস দেখে খুশি নন মারিও ভিল্লাভারায়েন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ২০:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রিকেটারদের ফিটনেস দেখে খুশি নন মারিও ভিল্লাভারায়েন

ছবি : বিসিবি

বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ইনজুরি আর খারাপ পারফর্মেন্সের কারণে বিশ্বকাপের আগে থেকেই দলের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিশ্বকাপে তা আরও নগ্ন চেহারা পায়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের উদ্দেশ্যে আজ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় দলের চার দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প। কিন্তু জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন।

শিষ্যদের ফিটনেস নিয়ে ভিল্লাভারায়েন বলেন, '৮ মাস পর ওদের ফিটনেস টেস্ট হলো। গত অক্টোবর থেকে একটানা ক্রিকেট খেলছি আমরা। খেলোয়াড় ও আমাকে বুঝতে হচ্ছে ফিটনেসের কী অবস্থা। পরের মাস থেকে এ নিয়ে আরও কাজ করতে হবে। যদি বলেন সন্তুষ্ট কিনা, বলব খুশি নই। আরও উন্নতি করতে হবে তাদের। আবার এটাও বুঝতে হবে গত আট মাসে আমাদের কোনো ফিটনেস ক্যাম্প ছিল না। তবে তারা খুব যে খারাপ অবস্থায় আছে তা নয়।'

গত অক্টোবরে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে সর্বশেষ ফিটনেস ক্যাম্প হয়েছিল টাইগারদের। এতদিন পর আরেকটি ক্যাম্প শুরু হলেও সময় মাত্র ৪ দিন। এই কয়েকদিনে কতটা উন্নতি সম্ভব তা নিয়ে ট্রেনার নিজেও সন্দিহান। তিনি বলেন, 'আসলেই এই সময়টা যথেষ্ট নয়। অন্তত পাঁচ-ছয় সপ্তাহ তো লাগবেই। আপাতত যেহেতু সেই সময়টা পাওয়া যাচ্ছে না স্কিল অনুশীলনের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হবে। রানিং, স্কিল, স্ট্রেংথ ফিটনেসে কে কোথায় আছে সেটা জানতে হবে। যেখানে যেখানে কাজ করা দরকার সেখানে সেখানে কাজ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, আজ বিপ টেস্টে সবচেয়ে ভালো ১২.৩ মার্ক পেয়েছেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া জহুরুল ইসলাম। পেসার আবু জায়েদও ১২.৩ পেয়েছেন।  ১২.২ পেয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাড়ে ৫ বছর আগে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ফরহাদ রেজা। কিন্তু জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটাররা খুব একটা ভালো করতে পারেননি। সবারই নম্বর গড়ে ১০-১১। বাংলাদেশ দল যে ধারাবাহিক বাজে ফিল্ডিং করছে—কারণ খেলোয়াড়দের ফিটনেসে ঘাটতি। এই চার দিনে সেটা পূরণ করা সম্ভব হবে?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা