• ই-পেপার

১ মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব ৫০ টাকা করে : উমামা

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে : উর্মি

অনলাইন ডেস্ক
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে : উর্মি
ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

দ্বিচারিক রাজনৈতিক দলকে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নৌরিন উর্মি। তিনি বলেছেন, ‘তারা (জামায়াত) দেশের যেকোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিট নিতে চেষ্টা করে। লিখিত দলিল না থাকলে তারা বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে।’ গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

জান্নাতুল নৌরিন উর্মি বলেন, ‘তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভর করে ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। তারা নারীর স্বাধীনতাকে এক প্রকারের কুক্ষীগত করার চেষ্টা করে। তারা সব সময় চেষ্টা করে যে কোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিটটা নিতে।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিচারী রাজনৈতিক দলকে কখনই বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। জুলাই এ দেশের আপামর জনগণের। জুলাইয়ের কোনো স্টেকহোল্ডার কিংবা কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই।  জুলাই সবার মস্তিষ্কে ছিল। স্বাধীনতার চেতনা যেমন সবার। জুলাই সবার।’

ছাত্রদলের এ নেত্রী বলেন, ‘একটি গোষ্ঠী আছে যারা সব সময় সুযোগবাদী থাকে। যারা সব সময় পাওয়ার সেন্টিক পলিটিকসকে পছন্দ করে। স্বাধীনতার সময় তারা স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী ছিল। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভর করে, ধর্মকে পুঁজি করে তারা নারীর স্বাধীনতাকে কুক্ষিগত করার স্বপ্ন নিয়ে সব সময় চেষ্টা করে যে কোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিটটা নিতে।’

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সেদিন একজন সংসদ সদস্য বললেন, যে তার বাবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। পরে জানা গেল তার পিতা মুক্তিযুদ্ধের ১০ বছর পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। এ ধরনের গালবাজি কথা রাজনীতির ময়দানে সংসদে অনেক মানুষই বলতে পারে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তাদের নেতৃত্বে কোনো দিন কোনো অধিকারের আন্দোলন করবে না। কারণ দ্বিচারী রাজনৈতিক দলকে কখনোই বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না।’


তিনি আরো বলেন, ‘জুলাইয়ে কিছু তরুণদের প্রতি আমার অনেক স্বপ্ন ছিল, ভরসা ছিল। তারা সমন্বয়ক নামে জনগণের যে ভরসা এবং তারুণ্যের একটি দল তারা সে ভরসার জায়গায় দাঁড়াতে পারেনি। আমার বন্ধুরা ছিল, সহযোদ্ধারা ছিল। তারা সেই ভরসার জায়গায় দাঁড়াতে পারেনি। আমরা আশা রাখি যে সাম্যের রাজনীতিতে তারা মানুষের জনমুখী কাজ করে মানুষের মাঝেই ফিরে আসবে।’

উর্মি বলেন, ‘শুধু বিএনপি একটি দলই থাকবে বলে আমি আশা রাখি না।  আমি ছাত্রদল করলেও আমার আশা যে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। তারেক রহমান জাতীয়তাবাদকে সর্বজনীন করছেন। জুলাই যেমন সর্বজনীন ছিল। জুলাই আমাদের সবার। জুলাই রিয়া গোপের, জুলাই ওয়াসিমের, জুলাই আবু সাঈদের, জুলাই রিকশাচালকদের। জুলাই এ দেশের এলিটদের, এ দেশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্নব্ত্তি সব মানুষের জুলাই।’

হাসনাত-সারজিস কোন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে দুদকে গিয়েছিলেন, তদন্ত চান রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাত-সারজিস কোন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে দুদকে গিয়েছিলেন, তদন্ত চান রাশেদ খান

২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম দুদকে অতিগোপনীয় কি অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

আজ বুধবার (১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ ঘটনার তদন্ত চান রাশেদ খান।

কালের কণ্ঠ পাঠকের জন্য রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে দেওয়া হলো :

গণঅভ্যুত্থানের পরে ডিসি নিয়োগের কেলেঙ্কারি কি মিথ্যা? গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপরই সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে সচিবালয়ে কখনো রাত ২.০০টা পর্যন্ত, কখনো মধ্যরাত পর্যন্ত একত্রে বসে ডিসির তালিকা প্রস্তুত করেন যুগ্ম সচিব কেএম আলী আজম ও ভূয়া সমন্বয়ক পরিচয়ধারী গাজী সালাউদ্দীন তানভীর। যুগ্ম সচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে স্যার সম্বোধন করতেন কেএম আলী আজম। কারণ তাকে সচিবালয়ে এ কাজের জন্য পাঠিয়েছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম।

ঐ সময় তো হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মন্ত্রীর থেকেও ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে যুগান্তরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাজী সালাউদ্দীন তানভীর স্বীকার করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের পরামর্শে তিনি সচিবালয়ে এসেছেন। তানভীর ডিসির তালিকা প্রস্তুত করার সাথে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। প্রশাসনের কোথায় কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তা দেখার কিংবা জানার অধিকার আমাদের আছে। এ কারণেই এখানে আসতে হয়।’ 

ঠিক একইভাবে এনসিটিবিতেও তাকে দায়িত্ব দিয়েছিল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। সেসময় তো গণমাধ্যমে বই ছাপাতে কাগজ কেনাকে কেন্দ্র করে এনসিটিবির সমস্ত কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশিত হয়। আমার প্রশ্ন হলো, ডিসি নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারির পরেও কেন গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে এনসিটিবিতে দায়িত্ব দেওয়া হলো? 

গাজী সালাউদ্দীন তানভীর তো ছাত্র সমন্বয়ক ছিলেন না? কিন্তু তিনি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ক পরিচয়ে ঢুকেছেন। কারা তাকে এই ক্ষমতা দিয়েছিলো? আবার প্রশ্ন হলো ভূয়া সমন্বয়ক পরিচয় ব্যবহার করার জন্য শাস্তি না দিয়ে কেন এই অখ্যাত ব্যক্তিকে গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের একটি অংশের দ্বারা গঠিত দলে যুগ্ম সদস্য সচিবের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করা হলো? হঠাৎ উদয় হওয়া ব্যক্তিকে এই পদের জন্য সাজেস্ট করেছিল কারা? এটিও হাসনাত ও সারজিস করেছে। স্বার্থ না থাকলে বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলে বড় পদে বসানো ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়ার মর্মার্থ কি?

কোন দুদক এই ভূয়া সমন্বয়ক গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে ক্লিন সার্টিফিকেট দেয়? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেন ২০২৬ সালের ৩ মার্চ। এর পূর্বে ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদক আদালতে তানভীরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তানভীরকে দায়মুক্তি দেন। অর্থাৎ হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত দুদকের কর্মকর্তারা গাজি সালাউদ্দিন তানভীরকে দায়মুক্তি দেন। 

নিশ্চয়ই আপনাদের মনে থাকার কথা ২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল হঠাৎ দুদুকের চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের সাথে দুদক কার্যালয়ে বৈঠক করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। সে সময় তারা গণমাধ্যম এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। মূলত তারা দুদকের সামনে সব সময় গণমাধ্যমের কর্মীরা অবস্থান করেন। হাসনাত ও সারজিসের সামনে সাংবাদিকরা এসে হাজির হলে, তারা বলেন অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে এসেছি!  কি সেই গোপন অভিযোগ? মূলত অতিগোপনীয় অভিযোগ দাখিলের নামে গাজী সালাউদ্দীন তানভীরসহ উপদেষ্টাদের যেসব এপিএস ও পিওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, সেসব বিষয়ে রফাদফা করতেই দুদকে হাজির হন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। 

হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম নিজেরা সরাসরি দুর্নীতি বা তদবির বাণিজ্য করেননি। গাজি সালাউদ্দিন তানভীরদের মাধ্যমে করিয়েছে। সুতরাং ওদের রক্ষা করতে না পারলে নিজেরা ফেঁসে যাবেন। তাই রক্ষা করতে যা করার করেছেন। এজন্য এখন বড় গলায় বলতে পারেন, বিএনপি সরকারের সময় এনসিপির দরবেশ বাবা গাজী সালাউদ্দীন তানভীর দায়মুক্তি পেয়েছে! সব সেটাপ এভাবেই করে রেখেছিল যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ের পরে নির্বাচিত সরকার আসবে, আর দুদকের কর্মকর্তারা পদত্যাগের আগে ক্লিন সার্টিফিকেট দিয়ে যাবে। এতে সারাজীবন বলা যাবে, নির্বাচিত সরকার আমাদের দায় মুক্তি দিয়েছে! 

কিন্তু সাম্প্রতিককালে টিআইবির প্রতিবেদনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সুস্পষ্ট ঘুস ও দুর্নীতির তথ্য উঠে আসায় সবকিছু নতুন করে তদন্তের দাবি উঠেছে.... নতুন করে সব তদন্ত হোক।

‘খেজুরের মতো হাসনাতের কাছে ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব চান এলাকাবাসী’

অনলাইন ডেস্ক
‘খেজুরের মতো হাসনাতের কাছে ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব চান এলাকাবাসী’
হাসনাত আবদুল্লাহ ও সৈয়দ সাইফুল ইসলাম

খেজুরের হিসাব দিলেন কিন্তু নিজ এলাকার সোলার ল্যাম্পপোস্ট বিতরণের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছে না হাসনাত আবদুল্লাহ বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) সৈয়দ সাইফুল ইসলাম।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় এই প্রশ্ন তুলেন তিনি। খেজুরের মতো ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব এলাকাবাসীকে দেওয়া জন্য হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

ভিডিও বার্তায় সৈয়দ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ বলে যে এক টাকার দুর্নীতি করে নাই, প্রমাণ করতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেবে। আরে ভাই এই দেবিদ্বারে সোলার প্যানেল যে বিতরণ করা হলো ওই সোলার প্যানেলগুলা কি সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে নাকি হয় নাই? আমি আমার এই ভিডিওর কমেন্ট বক্সে অনেকগুলা প্রমাণ অ্যাড করে দেব যে কোন কোন এলাকার মধ্যে ওই সোলার প্যানেলগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় নেই এবং ওই ওয়ার্ডের মধ্যেও নাই। তাহলে ওই সোলার প্যানেলগুলো কোথায় গেল?

তিনি বলেন, আমি জানি ওই সোলার প্যানেলগুলো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ির সামনে গেছে। অনেকজনের বাড়ির ভেতরে সিঙ্গেল কবরস্থানে, পারিবারিক কবরস্থানে চলে গেছে। অনেক জায়গায় অনেকের বাড়ির সামনে আলোকিত করা লাগবে দুইটা ল্যাম্পপোস্ট দিয়ে দিছে। আর কিছু এলাকাতে খালি রয়ে গেছে। বা কিছু বিক্রি করে দিছে কিনা ওই এনসিপির নেতাকর্মীরাই জানে, যারা বিতরণের দায়িত্বে ছিল।

ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, এখন আমার হাসনাত আবদুল্লাহ ভাই খেজুরের হিসাব দিয়ে দিতে পারলেন। এখন তিনি তার এলাকার ল্যাম্পপোস্টের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছেন না? ওই বিষয়গুলা নিয়ে প্রত্যেকটা ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট করে করে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। অনেকজন উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করছে। তাহলে সেই ল্যাম্পপোস্টের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছে না? এখন যদি বলেন তাহলে বলবে ল্যাম্পপোস্টটা বিতরণ করার দায়িত্ব আমার ছিল না। এটা ছিল উপজেলা প্রশাসনের। তাইলে তৎকালীন সময় খেজুরের হিসাবও তার দেওয়ার কথা ছিল না। সেটা তো উপজেলা প্রশাসনেরই ছিল।

তিনি বলেন, হাসনাত যেহেতু দায়িত্ব নিয়ে দুর্নীতি এবং অনিয়মকে জিরো টলারেন্সে রাখতে চান তাহলে তিনি কেন এই হিসাবগুলা দিচ্ছেন না? রাস্তা বা আর্থিক বরাদ্দগুলা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা, রিপেয়ারিং বাজেটগুলা দিচ্ছে ওই রিপেয়ারিংগুলা হচ্ছে কিনা সেটাও তো দেখার বিষয়।

ফেসবুকে রাশেদ খান

হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে
সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ।

এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে।’

আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘শেখ হাসিনা রেজিমে আসলাম চৌধুরী দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। এ সময় ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ফলাফল তিনি ঋণখেলাপি হয়ে যান। শেখ হাসিনার দমননীতি আসলাম চৌধুরীকে ঋণখেলাপি হতে বাধ্য করেছে। সুতরাং তাকে নিয়ে কটাক্ষ করার কিছু নেই।’

তিনি বলেন, ‘আইন তার নিজ গতিতে চলছে বলেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও আসলাম চৌধুরী এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারলেন না। আসলাম চৌধুরী যদি জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের মতো তার স্ত্রীর নামে ঋণ নিতেন তাহলে তাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না। জামায়াতের নেতারা বিএনপির নেতাদের চেয়ে এই ক্ষেত্রে মোটামুটি সফল চালাক।’

রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী হলফনামায় ভুল তথ্য দিলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে হান্নান মাসউদ নিজে তার হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সুতরাং হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আইন তার নিজ গতিতেই চলুক।’