• ই-পেপার

যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারা সংসদে স্বাধীনতার কথা বলে : রাশেদ খান

হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি : মো. তারেক
সংগৃহীত ছবি

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘হাসনাতরা ত্রাণের হিসাবও দিতে পারেনি। আমরা জিজ্ঞেস করলে বলে ইউটিউবে দেখেন।’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘হাসনাতরা চ্যালেঞ্জ করে এক টাকার দুর্নীতি যদি কেউ বের করতে পারে তাহলে সে রাজনীতি ছেড়ে দেবে, সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দেবে, সংসদ থেকে বের হয়ে যাবে, আর এমপি থাকবে না। তারা তো ত্রাণের হিসাব দিতে পারেনি। যখন আমরা জিজ্ঞেস করি, তারা বলে ইউটিউবে দেখেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইউটিউবে গিয়ে আমরা দেখলাম, টিএসসিতে ত্রাণের জন্য কাপড়চোপড় যা আসছিল, তা তারা কেজি দরে বিক্রি করেছে। সেগুলো কাপড়ওয়ালারা নিয়ে মাঠে শুকাইতে দিছে।’

মো. তারেক রহমান বলেন, ‘একটা রিকশাওয়ালা তার টাকা দিয়েছেন, একটা গৃহবধূ কানের দুল খুলে দিয়েছেন, নাকফুল খুলে দিয়েছেন বন্যার ত্রাণের জন্য। সেই টাকা তারা দেয়নি, তছরুপ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘যে সময় মানুষের গলা পর্যন্ত পানি, মানুষ মারা যাচ্ছে বন্যার পানিতে, সেই সময় বন্যার জন্য নেওয়া ত্রাণ না দিয়ে পরবর্তীতে বলতেছে সরকারি তহবিলে দিয়েছে। সেই তহবিলের টাকার বিষয়ে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি, আজ পর্যন্ত দুই পয়সা পেয়েছেন? এগুলোর উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা সততার মানদণ্ডের কথা বলতেছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রকল্পের কথা বলে তার (হাসনাত) নিজের এলাকায় কয়েক শ কোটি টাকা নিয়েছে।’

অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না : মো. তারেক
সংগৃহীত ছবি

পয়েন্টে পয়েন্টে অনিয়মের জবাব চাইলে হাসনাত একচুলও নড়তে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দাবি করেন।

ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘অয় (হাসনাত আবদুল্লাহ) আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিছিল দেয়, চিল্লায় ও তো জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম মিটিং করেছে শ্রমিক লীগ নেতার বাসায়। ও এক টাকার জালিয়াতির কথা বলে! এক টাকা? তারপরে এই য়ে চট্টগ্রামের চসিক মেয়র নির্বাচন করেছিল আওয়ামী লীগ থেকে ও চসিক মেয়রের বাসায় কেন গেল এবং ও যে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিল, চসিক মেয়রের ছবি লাগানো নাম লাগানো পানির বোতল দিয়ে করেছে। এক টাকার দুর্নীতি? ওরা কি ইফতার খায়? নাকি টাকা চিবায়া খায়? আমি জিজ্ঞাস করেছি এই য়ে ইফতার মাথাপিছু ১২০০ টাকা। কোটি কোটি টাকা নিয়ে ইফতার আয়োজন করল, এটা কি জুলাইয়ের স্পিরিট।’ 

তিনি বলেন, ‘যে ব্যবসায়ীদের মব সৃষ্টি করে, টাকা লুটপাট কইরা এই রকমভাবে ইফতার আয়োজন করতে হবে। তারা আজকে চ্যালেঞ্জ ছোড়ে কত বড় ভয়ংকর সাহস। লুটপাট কইরা ভাসাইয়া দিয়া, শত শত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি-ইন্ডাস্ট্রি মব কইরা বন্ধ কইরা দিয়া ওরা সততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে। শত শত শিক্ষকের চাকরি কাইড়া নিয়া ওরা শততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে। শত শত ব্যাংকারকে ব্যাংক থেকে বের করে দিয়ে ওরা সততার চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে—এই রকম চ্যালেঞ্জ দেওয়া কতটা যৌক্তিক।’

‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’

অনলাইন ডেস্ক
‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’
রেজাউল করিম রনি

কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান কিছুই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাজনীতি বিশ্লেষক ও জবান ম্যাগাজিনের সম্পাদক রেজাউল করিম রনি। সম্প্রতি বেসরকারি এক টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

রেজাউল করিম রনি বলেন, জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব কেন হবে না, ওই যে ট্রাস্টের একটা ব্যাপার আছে। ন্যাশনাল মেমোরিতে এই দলটাকে মানুষ ট্রাস্ট করে না। 

তিনি বলেন, সংসদে তারা (জামায়াত) বলল সততার এক পরাকাষ্ঠা দেখাবে। তারা প্লট নেবে না, কিছু নেবে না—তারপর তাদের এক সহযোগী এমপি দিয়ে গাড়ি চাওয়ানো হলো, তারপরে পৌরসভা পরিষদে তাদের জন্য রুম, ইতিমধ্যে ৬ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রেজাউল করিম রনি বলেন, ’৭১-কে শেখ হাসিনা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধোবিরোধী রাজনীতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছে, তারা (জামায়াত) ১৮ মাসে ২৪-এর গণঅভ্যূত্থানকে সেভাবে ব্যবহার করছে একটা ডিভিশন আমরা দেখতে পেলাম। বিএনপিকে ২৪-এর গাদ্দার, নির্বাচন চাইলে জুলাই গাদ্দার, সংস্কারের আগে নির্বাচন চাওয়া মানে জুলাইবিরোধী বলে আখ্যা দেওয়া হয়।

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, শেখ হাসিনার কাঠামো কোনটা নির্বাচনবিহীন ক্ষমতা সেটা তো তারা (জামায়াত) ধরে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিল। সব রকম প্রচেষ্টা তারা করেছিল, সেটা জনগণ ব্যর্থ করে দিয়েছে। 

তিনি বলেন, আপনাদের (জামায়াতের) অসংগতি মুখে বলে ফেলে আবেগে যে কিছুই লাগবে না আমার। সে চলবে কেমনে কিছু লাগবে না বললে। তার নিজের ডিউটির কারণে রাষ্ট্র গাড়ি বরাদ্দ করে। তার ওই সাধুগিরি দেখানোর দরকার নাই যেটা সে এফোর্ট করতে পারবে না। এগুলো বলার দরকার কি?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটি বিষফোঁড়া : আশরাফ কায়সার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটি বিষফোঁড়া : আশরাফ কায়সার
আশরাফ কায়সার।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘বিষফোঁড়া’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন সাংবাদিক আশরাফ কায়সার। ধর্মের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না, এটি নিয়েও প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে বলে দাবি করেন তিনি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন টক শোতে কথা বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আশরাফ কায়সার বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটা বিষফোঁড়া। কেননা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার জন্য, ধর্মভিত্তিক দেশ তৈরি, নারীবিদ্বেষী দেশ তৈরি করার জন্য এই জামায়াত কাজ করে।

এ সময় তিনি পাকিস্তানে জামায়াতের ইতিহাস খোঁজার, দলটির মূল নেতার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনার আহ্বান জানান। আশরাফ কায়সার বলেন, ‘ধর্মের সঙ্গে জামায়াতের আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না? এটি নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়।’

দেশের ইতিহাস নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচর করছে, এমনটা দাবি তার। আশরাফ কায়সার বলেন, বিএনপির সুযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে যে বয়ান দাঁড় করিয়েছে, সেটির পাল্টা বয়ানটি তৈরি করার। কিন্তু বিএনপি পারেনি।