• ই-পেপার

ফেসবুক পোস্টে যেসব অভিযোগ জানালেন আমির হামজা

জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘আম জালিয়াতির’ অভিযোগ তারেকের

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘আম জালিয়াতির’ অভিযোগ তারেকের

ইচ্ছাকৃত ভুয়া অর্ডার দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ‘ভাইয়েরা’ বেশি হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ করেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। গত ১ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তার অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে জামায়াতের কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ওই পোস্টে তিনি এক দম্পতি উদাহরণ টেনে দাবি করেন, তারা দুই মণ আম অর্ডার দিয়ে প্রতারণা করেন। বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়।

পরবর্তী সাংবাদিকদের সামনে তারেক দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের লোকেরা ফাও আম পাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা ভুয়া বিকাশ কার্ড পাঠিয়ে অর্ডার দিচ্ছে।

গত ১৮ মাস যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার করেছেন : অ্যাড. মামুন মাহবুব

অনলাইন ডেস্ক
গত ১৮ মাস যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার করেছেন : অ্যাড. মামুন মাহবুব

এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। সম্প্রতি কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার কালের সংলাপ অনুষ্ঠানে এ প্রশ্ন তুলেন তিনি।

সৈয়দ মামুন মাহবুব অভিযোগ করে বলেন, গত ১৮ মাসে যারা ক্ষমতায় ছিল তারাই এই অর্থ পাচার করেছেন। বিএনপি কেবল চার মাস হলো ক্ষমতায় এসেছে। গত ১৮ মাসে ক্ষমতায় ছিলেন ডক্টর ইউনূস, আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা, আদিলুর রহমান, প্রেসসচিব শফিকুল আলমসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা—এজন্য আমাদের সিনিয়র আইনজীবী মহসিন রশিদ  হাইকোর্টে একটা রিট ফাইল করেছিল। যদিও কোর্ট আদেশ দেয়নি।

তিনি বলেন, এটা দিয়ে বোঝা যায় যে তারা শুধু রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে আরো ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়নি। তারা দুর্নীতি সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। এগুলো রিপোর্ট তার প্রমাণ, আর নাহলে তারা নিজেরা বলুক যে আমরা অর্থ পাঠাইনি।

উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়েছে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে আসার পর এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

বৈধ কিংবা অবৈধ অর্থ গচ্ছিত রাখতে বিশ্বের ধনী এবং বিখ্যাত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোকে (যা একসাথে সুইস ব্যাংক হিসেবে পরিচিত) পছন্দ করেন।

শিক্ষিত চোররা দেশের টাকা পাচার করে পালিয়েছে : অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষিত চোররা দেশের টাকা পাচার করে পালিয়েছে : অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ
সংগৃহীত ছবি

ব্যবসার নামে শিক্ষিত চোররা দেশ থেকে টাকা পাচার করে নিয়ে পালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ। সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থনীতিবিদ ড. আবু আহমেদ বলেন, কতগুলা ব্যাংক আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি সেগুলা লুণ্ঠন হয়েছে। শিক্ষিত চোরেরা দেশের টাকা লুট করে পালিয়েছে। এখানে হয়তো আছে কেউ কেউ, কিন্তু টাকা দেশ থেকে পাচার করে ফেলেছে। 

তিনি বলেন, আপনারা যদি গরিব থাকতে চান তো কেউ তো আপনাদেরকে ধনী করতে পারবে না। এক সময় ছিল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হতো। এক লাখ টাকা পর্যন্ত ডিভিডেন্ড ইনকাম ট্যাক্স ফ্রি ছিল, সেটা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন যারা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারী তাদের কোনো সুবিধা নাই বরং উল্টা তাদের উপর কর আরোপ করা হয়।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নেতাদের আওয়াজ তুলতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য যদি করতে হয় তাহলে এতো কর দিয়ে এই দেশে ব্যবসা হবে না। আপনি ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, পাকিস্তান ও ভারতের ট্যাক্স রেট দেখেন এবং তাদের সঙ্গে তুলনা করেন।

তাসনিম জারা

সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে নীতি বিকিয়ে দিলেন

অনলাইন ডেস্ক
সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে নীতি বিকিয়ে দিলেন
তাসনিম জারা।

একটি আসনের বিনিময়ে আদর্শ বিসর্জনের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনিসপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। তবে তিনি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি।

বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ তোলেন তাসনিম জারা।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সেই সব নীতি বিকিয়ে দিলেন যা একসময় আমাদের বিশ্বাস করতে বলেছিলেন।

তাসনিম জারা বলেন, একটি আসন যেমন এক দিনে দেওয়া যায়, তেমনই এক দিনে কেড়েও নেওয়া যায়। কিন্তু আদর্শই একমাত্র জিনিস যা কেউ দিতে পারে না। আর কেউ কেড়েও নিতে পারে না। যদি না নিজেই তা হাতছাড়া করেন।

গতকাল ১১ দলীয় জোটের সমাবেশে মঞ্চের নিজের সারিতে চেয়ারে নারীদের বসে থাকার একটি ছবি পোস্ট করেন এনসিপি নেত্রী সামান্তা শারমিন। এর পর থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ইস্যুতেই কারো নাম না উল্লেখ করে পোস্টটি দিয়েছেন তাসনিম জারা।

ফেসবুক পোস্টে যেসব অভিযোগ জানালেন আমির হামজা | কালের কণ্ঠ