• ই-পেপার

কাগজ কলমে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা যায় না : রুমিন ফারহানা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটি বিষফোঁড়া : আশরাফ কায়সার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটি বিষফোঁড়া : আশরাফ কায়সার
আশরাফ কায়সার।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘বিষফোঁড়া’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন সাংবাদিক আশরাফ কায়সার। ধর্মের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না, এটি নিয়েও প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে বলে দাবি করেন তিনি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন টক শোতে কথা বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আশরাফ কায়সার বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াত একটা বিষফোঁড়া। কেননা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার জন্য, ধর্মভিত্তিক দেশ তৈরি, নারীবিদ্বেষী দেশ তৈরি করার জন্য এই জামায়াত কাজ করে।

এ সময় তিনি পাকিস্তানে জামায়াতের ইতিহাস খোঁজার, দলটির মূল নেতার বক্তব্যগুলো পর্যালোচনার আহ্বান জানান। আশরাফ কায়সার বলেন, ‘ধর্মের সঙ্গে জামায়াতের আদৌ কোনো সম্পর্ক আছে কি না? এটি নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়।’

দেশের ইতিহাস নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচর করছে, এমনটা দাবি তার। আশরাফ কায়সার বলেন, বিএনপির সুযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে যে বয়ান দাঁড় করিয়েছে, সেটির পাল্টা বয়ানটি তৈরি করার। কিন্তু বিএনপি পারেনি।

‘জামায়াতের আমির মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এ কথা শয়তানও বিশ্বাস করে না’

অনলাইন ডেস্ক
‘জামায়াতের আমির মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এ কথা শয়তানও বিশ্বাস করে না’
আরিফ বিল্লাহ

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এ কথা শয়তানও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরিফ বিল্লাহ বলেন, জামায়াতের আমির, ছোট-খাটো শহীদ পরিবারের সন্তান। এটা বাংলাদেশের মানুষ তো দূরের কথা। খোদ শয়তানও বিশ্বাস করবে না।

তিনি বলেন, শয়তান বলবে আমার থেকেও বড় শয়তান জামায়াতের আমির। কেন? তা আমি তো মানুষের মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বলাই। কিন্তু আমি তো নিজে মুখ মিথ্যা কথা বলি না। খোদ জামায়াতের আমির নিজেই মিথ্যা কথা বলতে পারে। কাজেই জামায়াতের আমিরকে শয়তান বলবে সে আমার থেকেও বড় শয়তান কিংবা আমার থেকেও বড় কাজ্জাব মিথ্যাবাদী।

জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘আম জালিয়াতির’ অভিযোগ তারেকের

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘আম জালিয়াতির’ অভিযোগ তারেকের

ইচ্ছাকৃত ভুয়া অর্ডার দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ‘ভাইয়েরা’ বেশি হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ করেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। গত ১ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তার অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে জামায়াতের কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ওই পোস্টে তিনি এক দম্পতি উদাহরণ টেনে দাবি করেন, তারা দুই মণ আম অর্ডার দিয়ে প্রতারণা করেন। বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়।

পরবর্তী সাংবাদিকদের সামনে তারেক দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের লোকেরা ফাও আম পাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা ভুয়া বিকাশ কার্ড পাঠিয়ে অর্ডার দিচ্ছে।

গত ১৮ মাস যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার করেছেন : অ্যাড. মামুন মাহবুব

অনলাইন ডেস্ক
গত ১৮ মাস যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই সুইস ব্যাংকে অর্থ পাচার করেছেন : অ্যাড. মামুন মাহবুব

এক বছরের ব্যবধানে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। সম্প্রতি কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার কালের সংলাপ অনুষ্ঠানে এ প্রশ্ন তুলেন তিনি।

সৈয়দ মামুন মাহবুব অভিযোগ করে বলেন, গত ১৮ মাসে যারা ক্ষমতায় ছিল তারাই এই অর্থ পাচার করেছেন। বিএনপি কেবল চার মাস হলো ক্ষমতায় এসেছে। গত ১৮ মাসে ক্ষমতায় ছিলেন ডক্টর ইউনূস, আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা, আদিলুর রহমান, প্রেসসচিব শফিকুল আলমসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা—এজন্য আমাদের সিনিয়র আইনজীবী মহসিন রশিদ  হাইকোর্টে একটা রিট ফাইল করেছিল। যদিও কোর্ট আদেশ দেয়নি।

তিনি বলেন, এটা দিয়ে বোঝা যায় যে তারা শুধু রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে আরো ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়নি। তারা দুর্নীতি সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। এগুলো রিপোর্ট তার প্রমাণ, আর নাহলে তারা নিজেরা বলুক যে আমরা অর্থ পাঠাইনি।

উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়েছে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে আসার পর এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

বৈধ কিংবা অবৈধ অর্থ গচ্ছিত রাখতে বিশ্বের ধনী এবং বিখ্যাত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোকে (যা একসাথে সুইস ব্যাংক হিসেবে পরিচিত) পছন্দ করেন।

কাগজ কলমে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা যায় না : রুমিন ফারহানা | কালের কণ্ঠ