• ই-পেপার

লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে ড. ইউনূসের ৩৭ রুম, ব্যয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেন, ইকোনমিতে ১৬ লাখ কোটি টাকা শেখ হাসিনার জামানায় পাচার হয়েছে—বলেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তাহলে ২০২৫ সালে সুইস ব্যাংকে যে অর্থপাচার হয়েছে সেজন্য ড. ইউনূস আরেকটা নোবেল পুরস্কারের দাবিদার।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সুইস ব্যাংকে ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার যে রেকর্ড তৈরি করেছিল, ড. ইউনূসের জামানাতে মাত্র এক বছরে তার চেয়েও ৪১% বেশি হয়ে গেছে। তাহলে বুঝার চেষ্টা করুন যে শেখ হাসিনা ১৭ বছরে যে উন্নয়ন করেছেন তার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করে এত টাকা উনি চুরি করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা গণভোট হতে হবে। সেই গণভোটে ১৮ কোটি মানুষ নোবেল কমিটিকে ভোট দেবে। আমাদের এই দেশে ১৬ লাখ কোটি টাকা যদি ১৭ বছরে শেখ হাসিনা পাচার করে থাকে, তার থেকে ৪১% বেশি তাহলে অন্তত ২৫ লাখ কোটি হবে। আসলেই তিনি বিশ্ব খেলোয়াড়। বিশ্ব খেলোয়াড় ছাড়া তো সম্ভব না।’

ফেসবুকে এমপি হানজালা

চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে

মাদারীপুর প্রতিনিধি
চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে
সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এবং বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় সম্প্রতি এক সালিস-বৈঠকে বিএনপির এক কর্মীকে ধমক দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। এ আচরণের জেরে এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

এবার এই মন্তব্য প্রতিক্রিয়ায় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টে রাশেদ খানকেও চিড়িয়াখানায় রাখায় রাখার দাবি জানান এমপি হানজালা।

আজ রবিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে দেওয়া পোস্টে এমপি সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এ কথা লেখেন। হানজালা বলেন, ‘রাশেদ খান আমাকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিতে চান। আমি তো যাবই, তবে থাকব বাঘের সাথে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না! আর রাশেদ খানকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি, দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ—গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’

এর আগে শনিবার দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস-বৈঠকের এক পর্যায়ে সংসদ সদস্য হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন।

এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এক পর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।’

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমপি হানজালার সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন রাশেদ খান। তিনি লেখেন, ‘এমপি হানজালারে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে।’

এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

অনলাইন ডেস্ক
এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, এমপি হানজালারে চিরিয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিরিয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কীভাবে এমপি হলো?

রাশেদ লেখেন, এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিল আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিলো? আজকাল এসব লোকদের এত বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মতো ট্রিট করে।

তিনি আরো লেখেন, হানজালাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে ওরাই ক্ষমতায় আর বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপির দুর্ভাগ্য যে, এদের হজম করা লাগছে। রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট না থাকলে আমি নিশ্চিত ওই বিএনপি নেতা এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নীচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিত।

মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি : মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি : মাহফুজ আলম
ফাইল ছবি

মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেন, মধ্যবিত্ত প্রশ্ন (কালচার ও পলিটিক্যাল ইকোনমি) জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি। বিপ্লব/রূপান্তরের ‘স্তর’ না বুঝে ‘মুরব্বি’দের উসকানিতে পড়ে তাঁরা ঢাকা শহর-মফস্বলকে ধীরে ধীরে নিজেদের জন্য মিত্রহীন করেছেন। সেসব মুরব্বিরা ভালো আছেন।

তিনি লেখেন, মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণ ছাড়া জুলাই আরেকটা বড় আকারের ‘শাপলা’ হতো।

তিনি আরো লেখেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদই এখন পর্যন্ত মধ্যবিত্ত প্রশ্ন মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদও ব্যর্থ হয়েছে। ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ প্রমাণ।

মাহফুজ আলম বলেন, এখনো সময় আছে ম্যাক্সিমাম মিত্রতা তৈরি করে জুলাইয়ের রাষ্ট্রকল্পকে প্রধান করে তোলার।

লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে ড. ইউনূসের ৩৭ রুম, ব্যয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় | কালের কণ্ঠ