• ই-পেপার

ড. ইউনূস-ইলন মাস্কের ফোনালাপ নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট

ফেসবুকে রাশেদ খান

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে
রাশেদ খান।

খুব শিগগির বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। জামায়াতের এই পতনের জন্য তাদের নেতাকর্মীরা দায়ী হবেন বলেও জানান রাশেদ।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন তিনি।

যৌক্তিক সমালোচনা করার জন্য প্রতিনিয়ত তাকে গালাগাল করা হয় বলে দাবি করেন রাশেদ খান। উদাহরণ হিসেবে তিনি একটি স্ক্রিনশর্ট শেয়ার করেন ফেসবুক পোস্টে।

রাশেদ খান বলেন, ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাব। মূলত আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু এই গালিবাজরা বুঝতেছে না,  সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের পতন ঘণ্টা বাজা শুরু হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা ইতিপূর্বে শুধু সরকারি দলের পতন দেখেছি। কিন্তু এবার ভিন্নতা ঘটবে। ইতিমধ্যে পতনের ঘণ্টা বাজা শুরু হয়ে গেছে। তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান। তারা যত মুখ খুলবে, তত তাদের ভুল ও অযোগ্যতা বের হয়ে আসবে।

রাশেদ খান বলেন, খুব শিগগির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধী দল জামায়াতের নির্মম পতন হবে। আর এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি
ভিডিও থেকে নেওয়া

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন বাংলাদেশি দুই যুবক। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দেখা যায় দুই বাংলাদেশি যুবক দেশে ফিরতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীর সহযোগিতা চান।

ভিডিও বার্তায় শোনা যায়, এক যুবক অপরজনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন—মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন। উনার বাড়ি চাঁদপুর। তাবে তার পরিচয় দেননি তিনি।

বাঁচার আকুতি জানিয়ে ভিডিও বার্তায় তারা বলেন, আপনার কাছে একটা অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। চেষ্টা করেন। যেকোনো সময় আমাদের ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেবে। আমরা মারা যেতে পারি যেকোনো সময়। ড্রোন হামলায়, গ্রেনেড হামলা অথবা মাইনে পা পড়ে মারা যেতে পারি। এভাবে মৃত্যু চাই না আমরা। আমরা চাই আমাদের মৃত্যুর পরে আমাদের জানাজা হোক। এভাবে শিয়াল কুকুরের মতো আমরা মরতে চাই না।

তারা বলেন, আমরা ৩০ জন লোক একসাথে রাশিয়াতে আসছিলাম। ৩০ জন একসাথে আসার পরে আমাদের এজেন্সি দুজন রাশিয়ানের হাতে তুলে দেয়। তারা আমাদেরকে কম্পানিতে কাজ দেবে, কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ দেবে—এই সমস্ত কথাবার্তা বলে আমাদেরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দিয়েছে। 

এখানে আসার পরে আমাদের একটা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ১৪ জনকে এক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। আর আমাদের ১৬ জনকে আরেক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এখানে নিয়ে আসার পর আমাদেরকে তিন থেকে চার দিন ট্রেনিংয়ে পাঠানোর পর পাঁচজন-ছয়জন করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়েছে যুদ্ধ করার জন্য। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা বলেন, আমাদের এখান থেকে ১২ জন মানুষ মারা গেছে। আমরা চারজন এখন জীবিত আছি। তবে আমরা চারজনই আহত। এই যে মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন, উনার বাড়ি চাঁদপুরে। উনি মাথায় ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। আমি বাম হাতে আঘাত পেয়েছি। এখন আপনাদের কাছে, দেশবাসীর কাছে একটাই অনুরোধ, দেশের সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। আমাদেরকে রক্ষা করুন। হেল্প করুন।

ব্রাজিল সমর্থক রুবেলের চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসি

অনলাইন ডেস্ক
ব্রাজিল সমর্থক রুবেলের চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসি
সংগৃহীত ছবি

সর্বকালের সেরা ফুটবলার কে? সহজ এ প্রশ্নে পৃথিবী কয়েকভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ টেনে আনেন পেলে, ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিকে। কারো ভোট যায় লিওনেল মেসির বাক্সে। আরেক মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রসঙ্গও টানেন কেউ কেউ।

এবার এ নিয়ে নিজের মত দিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেসার রুবেল হোসেন। তার চোখে সর্বকালের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ মত দেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রুবেল হোসেন লেখেন, আমার কাছে সর্বকালের সেরা ফুটবলার একটাই লিওনেল মেসি। আমি নিজে ব্রাজিলের সমর্থক, অনেকেই হয়ত দ্বিমত পোষণ করবেন, আর সেটাই স্বাভাবিক। এটি শুধুই আমার ব্যক্তিগত মতামত।

শিশু হত্যায় প্রধান আসামি ড. ইউনূস : জ ই মামুন

অনলাইন ডেস্ক
শিশু হত্যায় প্রধান আসামি ড. ইউনূস : জ ই মামুন
জ ই মামুন

শিশু হত্যায় প্রধান আসামি প্রফেসর ড. ইউনূস বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক জ ই মামুন। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) রাজধানীতে একটি সচেতনতামূলক সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিক জ ই মামুন বলেন, এক্সেট প্ল্যানটা করার দায়িত্ব ছিল প্রফেসর ইউনূস সরকারের, কারণ তখন তারা ক্ষমতায়। ইউনূসের সরকার সেই অপারেশন প্ল্যান বাতিল করার পরে এক্সেট প্ল্যান করেনি এবং টিকা দেওয়ার কাজটা করেনি । 
তিনি বলেন, আপনি বিএনপিকে দোষারোপ করতে পারেন, আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করতে পারেন; কিন্তু আমরা যদি ধরি আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে ২০২৪-এর আগস্টে, ২০২৪-এর জানুয়ারিতে যে শিশুটা জন্ম নিয়েছে তাকে সেপ্টেম্বরে ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে টিকা দেওয়ার কথা। সেই টিকা দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা এসে দিয়ে যাবেন না, ইউনূসকে দিতে হবে বা ইউনূস সরকারের প্রশাসনকে দিতে হবে। তারা তো সেটি দেননি।

জ ই মামুন বলেন, এর পর থেকে শুরু করে আজকে পর্যন্ত আমি মনে করি, ব্যক্তিগতভাবে অন্য অনেকের দায় আছে। বর্তমান সরকারের দায় আছে, তার আগের সরকারের দায় আছে। যেমন একটা বড় অপরাধ ঘটলে তার পরিকল্পনাকারী অমুক থাকে, তমুক থাকে। কিন্তু মূল খুনটা কে করে, মাথায় বাড়িটা কে মেরেছে বা গুলিটা কে করেছে—সেই তো প্রধান আসামি। এইখানে যদি কোনো অপরাধ হয়ে থাকে, আমার বিচারে এই হত্যার প্রধান হত্যাকারী ব্যক্তি হিসেবে নিঃসন্দেহে প্রফেসর ইউনূস।

ড. ইউনূস-ইলন মাস্কের ফোনালাপ নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট | কালের কণ্ঠ