• ই-পেপার

বাগেরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের অনুপ্রেরণামূলক কর্মশালা

ক্ষেতলালে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ক্ষেতলালে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘের ক্ষেতলাল উপজেলা শাখা।

সোমবার (৮ জুন) উপজেলার বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আম, জাম, পেয়ারা, জলপাই, কাঁঠাল, হরিতকী, বহেরা, নিম, মেহগনি, কদম ও বকুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ক্ষেতলাল শাখার সভাপতি এম রাসেল আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবু তাহের বলেন, আজকের একটি গাছ আগামী দিনের একটি নিরাপদ পৃথিবীর ভিত্তি। পরিবেশ দূষণ, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু গাছ লাগালেই হবে না, এর পরিচর্যার দায়িত্বও নিতে হবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ক্ষেতলাল শাখার সভাপতি এম রাসেল আহমেদ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি তার পরিচর্যা করতে হবে। একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরো পড়ুন

তেলাপোকা কোথায় পেল ওড়ার শক্তি?

তেলাপোকা কোথায় পেল ওড়ার শক্তি?

 

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন বলেন, আজ রোপণ করা চারাগুলো একদিন ছায়া, ফল ও নির্মল অক্সিজেন দেবে। এগুলোই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ আশ্রয় হয়ে উঠবে।

এ সময় বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান, বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সাজিবুল ইসলাম পাভেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হেলেনা আক্তার, কার্যকরী সদস্য আমান, রওশনারা রিফাহ, ফাহমিদা রোশনি এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নালিতাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নালিতাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

হাম প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় নালিতাবাড়ী পৌর শহরের তারাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিনসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে হাম প্রতিরোধ, এর লক্ষণ, করণীয় এবং টিকাদানের গুরুত্ব বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি তারাগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থী এবং আশপাশের এলাকার পথচারীদের মাঝেও একই ধরনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি তৌকির আহম্মদ তানজিল। প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিন তার বক্তব্যে বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সচেতনতা ও সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে তৌকির আহম্মদ তানজিল বলেন, একটি সচেতন সমাজ গঠনে স্বাস্থ্য সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। হাম প্রতিরোধে টিকাদান ও সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও শিশু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাঈমুর হাসান রিফাত বলেন, সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আমরা চাই প্রতিটি পরিবার হাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুক এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করুক। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণেই হামমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন– সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত সরকার, দপ্তর সম্পাদক রাবায়েত হাসান রাব্বি, নারী বিষয়ক সম্পাদক ববিতা পারভীন আঁখি, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শান্তসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজকরা জানান, স্কুল  শিক্ষার্থী, এসএসসি  পরীক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের মধ্যে প্রায় এক হাজার সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং উপস্থিত সবাই হাম প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত

দিনাজপুর সরকারি কলেজের বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা

অনলাইন ডেস্ক
দিনাজপুর সরকারি কলেজের বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কলেজ শাখার বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা। ছবি : কালের কণ্ঠ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং কলেজ শাখার বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার বসুন্ধরা শুভসংঘের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি অরুপ কুমার রায়, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার কবির, আসিফ, নারী বিষয়ক সম্পাদক রুবিয়া আক্তার রিমু, সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক অনন্যা অনু এবং কার্যকরী সদস্য পূজা, জিনিয়া, মাহমুদ, হৃশি ও শান্ত।

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও দক্ষ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তাঁর এই অর্জন দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

উল্লেখ্য, প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সততা, নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে দিনাজপুর সরকারি কলেজের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে তাঁর নির্বাচিত হওয়া শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি দিনাজপুর সরকারি কলেজ পরিবার, বসুন্ধরা শুভসংঘ এবং সমগ্র দিনাজপুরবাসীর জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং কর্মময় জীবনের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করা হয়।

বর্ষায় শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে উলিপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্ষায় শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে উলিপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৈঠক
ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্ষা মৌসুমে নদী-নালা, খাল-বিল ও বন্যার পানিতে ডুবে শিশু ও কিশোরদের মৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের উলিপুরে নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের নিয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চর দাঁগারকুঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বৈঠকের আয়োজন করে বসুন্ধরা শুভসংঘ উলিপুর উপজেলা শাখা।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ উলিপুর শাখার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দীকি। এতে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান মানু, স্বাস্থ্য সহকারী আব্দুল ওহাব, চর দাঁগারকুঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক বিনেন্দ্র নাথ ও স্থানীয় সমাজসেবক মাঈদুল ইসলামসহ এলাকার অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ ও অভিভাবক।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৬টি ছোট-বড় নদ-নদী বেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলায় প্রতিবছর বর্ষা ও বন্যার সময় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুদের একা গোসল করতে যাওয়া, নদীতীরে খেলাধুলা, নৌযান চলাচলের সময় অসতর্কতা এবং অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকির অভাব দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের মৃত্যু প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বৈঠকে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বর্ষা ও বন্যাকালে করণীয় এবং পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরা হয়।

অংশগ্রহণকারী মনোষা রাণী, মমতাজ বেগম ও মোসলেমা খাতুন বলেন, নদীতীরবর্তী এ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে শিশুদের নদী, খাল-বিল ও বন্যার পানিতে চলাচল বেড়ে যায়। অনেক সময় অভিভাবকদের অসচেতনতা ও নজরদারির অভাবে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে সতর্কতা বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ উলিপুর শাখার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দীকি বলেন, ‘পানিতে ডুবে মৃত্যু একটি নীরব দুর্যোগ। সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের নিবিড় নজরদারি এবং নিরাপদ চলাফেরা নিশ্চিত করা গেলে অনেক মূল্যবান প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব। মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বসুন্ধরা শুভসংঘ এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।’