• ই-পেপার

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা

বজ্রসহ ভারি বর্ষণ নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরে নতুন বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বজ্রসহ ভারি বর্ষণ নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরে নতুন বার্তা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এটি দেশের বাকি অংশেও বিস্তার লাভ করতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে রবিবার পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও দেশের অধিকাংশ বিভাগে বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কোথাও কোথাও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া আর্দ্র ও বৃষ্টিমুখর থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মৌসুমি বায়ু দেশের আরও বিস্তৃত এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়তে পারে। ফলে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া খোলা জায়গায় অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কেআইবিতে মারামারি : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ

বিশেষ প্রতিনিধি
কেআইবিতে মারামারি : কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা স্ট্যান্ড রিলিজ

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) দুই কর্মকর্তাকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়।

স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (প্রশাসন-২) এ এ মাসুম বিল্লাহ এবং উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (আমদানি) বনি আমিন খান।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি করা কর্মস্থলে যোগদানের জন্য কর্মকর্তাদের আজ ১০ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় আজ অপরাহ্নেই তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

এ এ মাসুম বিল্লাহকে সুনামগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) হিসেবে এবং বনি আমিন খানকে নড়াইলের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া বনি আমিন খানের ক্ষেত্রে এর আগের একটি আদেশের অংশবিশেষ বাতিল করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও ডিএই সূত্র জানায়, সম্প্রতি কেআইবি চত্বরে ওই দুই কর্মকর্তার মধ্যে এক অনাকাঙ্ক্ষিত মারামারি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে এবং খামারবাড়ির প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় দ্রুততার সঙ্গে এই শাস্তিমূলক ও তাৎক্ষণিক বদলির ব্যবস্থা নেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বনি আমিন খানকে বদলি করা হয়েছিল। তবে এই আদেশ না মেনে আগের দায়িত্বেই বহাল ছিলেন তিনি।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই সরকারের

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০ কোটি ৪০ লাখ (৪০৪ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বুধবার (১০ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তির আওতায়, বিশ্বব্যাংক ২৮৪.৭০ মিলিয়ন এসডিআর, যা প্রায় ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য ঋণ হিসেবে প্রদান করবে। এর পাশাপাশি গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি থেকে আরো ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে।

প্রকল্প দুটির উদ্দেশ্য হলো সারা দেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা জোরদারকরণ; স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের কার্যকারিতা ও সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবার গুণগত সম্প্রসারণ, দক্ষতা ও সমতা বৃদ্ধির জন্য জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থা ও পরিচালন কাঠামোকে শক্তিশালী করা।

‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেন্থেনিং প্রজেক্ট’—নামের প্রথম প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জলবায়ু-সহনশীল প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবা সংক্রান্ত দ্বিতীয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।

১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার
সংগৃহীত ছবি

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আগামী জুন-আগস্ট ২০২৬ সময়ের জন্য প্রায় ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে গ্যাস অয়েল, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসোলিন। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এসব জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে। 

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন
র‌্যাংকিংয়ে বিশাল লাফ নাহিদ রানার

র‌্যাংকিংয়ে বিশাল লাফ নাহিদ রানার

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এসব জ্বালানি তেল আমদানি করবে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে প্যাকেজ নং-পি জি-০১-এর আওতায় গ্যাস অয়েল (০.০০৫ শতাংশ সালফার) ও জেট এ-১ আমদানি করা হবে। এতে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

একই ধরনের গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানির জন্য প্যাকেজ নং-পি জি-০২-এর আওতায় আনুমানিক ৬ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্যাকেজের দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড।

এ ছাড়া প্যাকেজ নং-পি জি-০৩-এর আওতায় ফার্নেস অয়েল (১৮০ সিএসটি) আমদানির জন্য ১ হাজার ৯০০ কোটি ৫ লাখ টাকার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এই তেল সরবরাহ করবে সিঙ্গাপুরের আরেক প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেড।

বৈঠকে প্যাকেজ নং-পি জি-০৪-এর আওতায় গ্যাসোলিন-৯৫ আনলেডেড আমদানির জন্য ৭৪৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকার ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ চালানের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও হচ্ছে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড।

সব মিলিয়ে চারটি প্যাকেজের আওতায় মোট ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির পথ খুলে গেল। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বড় ক্রয় আদেশ পাচ্ছে ইউনিপেক সিঙ্গাপুর, যার মূল্য প্রায় ৭ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে ভিটল এশিয়া দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার ৪৬১ কোটি টাকার সরবরাহ আদেশ পেতে যাচ্ছে।