• ই-পেপার

অভয়নগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ২০ অসচ্ছল নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে খুলনায় ডেঙ্গু সচেতনতামূলক সভা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে খুলনায় ডেঙ্গু সচেতনতামূলক সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ খুলনা জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) বিকেলে খুলনা শহরের মডার্ন ফার্নিচার মোড় এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

গত ২০ জুন বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান স্বাক্ষরিত নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিপুল কান্তি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জি এম আবুমুসা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল কাদের সুমন।

নবগঠিত কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীতে রয়েছেন দৈনিক কালের কণ্ঠ খুলনা ব্যুরো প্রধান এইচ. এম. আলাউদ্দিন, দৈনিক কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক কৌশিক দে, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের খুলনা ব্যুরো প্রধান শামসুজ্জামান শাহীন, দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরো প্রধান মোস্তফা জামান পপলু।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সহ-সভাপতি দয়াল কৃষ্ণ সানা, কাজী মাহবুবুর রহমান, মনিরা পারভীন, মনোহর রাহা, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, শেখ রিফাত রহমান, অরবিন্দ মণ্ডল; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সনৎ ঘরামী, আন্দোলন ভদ্র, মিঠুন দেবনাথ, পলাশ দাশ, মোহাইমিনুল ইসলাম; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তমা দাস; অর্থ সম্পাদক বাধন দাশ প্রীতম; দপ্তর সম্পাদক রুদ্র দাশ; প্রচার সম্পাদক জাহিদুল কবির; সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক কিংকর মণ্ডল; স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ডা. অনির্বাণ দেবনাথ; তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রীতম দাশ; নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক অজান্তা বালা; আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক রুদ্র সাহা মুগ্ধ; সমাজকল্যাণ সম্পাদক সেঁজুতি পাল এবং কার্যকরী সদস্য মৌ বড়াল, পিয়া মণ্ডল, ফাহমিদা ফারিন, অতনু চক্রবর্তী, দিপু মণ্ডল ও কার্তিক রুদ্র দাশ।

পরিচিতি সভা শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বসুন্ধরা শুভসংঘ খুলনা জেলা শাখার উপদেষ্টাবৃন্দ, কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ ছাড়াও সূচনা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক ডলি গুপ্তা এবং শিক্ষক তাহমিনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষের সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশার বিস্তার রোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতে খুলনায় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি, লিফলেট বিতরণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

সভা শেষে সদস্যরা সমাজের মানুষের পাশে থেকে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে চুয়াডাঙ্গায় স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় শহরের রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমি স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে অতিথিরা স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আ.স.ম. আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিম, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মালিক লার্জ, সাধারণ সম্পাদক সুমন পারভেজ খান, কোষাধ্যক্ষ পলাশ কুমার সাহা, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবীব এবং রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির উপদেষ্টা জামান আখতার, জিসান আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক শেখ লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শামসুজ্জোহা রানা, কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক সাকিব বিশ্বাস, ক্রীড়া সম্পাদক সালমান ফার্সি এবং সদস্য নাফিস আহমেদ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান বলেন, বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। শহরাঞ্চলে বৃক্ষনিধন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সবুজের পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এ বাস্তবতায় সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন। বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এটি মানুষের জীবন রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে, মাটির ক্ষয়রোধ করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই প্রতিটি মানুষের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগ প্রতিটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ুক।

রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমির শিক্ষার্থীরা গাছের চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, এসব চারা নিজ বাড়ির আঙিনা কিংবা বিদ্যালয়ের খালি জায়গায় রোপণ করবে এবং নিয়মিত পরিচর্যা করবে। শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, একটি গাছ বড় হয়ে ওঠা দেখার মধ্যেও দায়িত্ববোধ ও আনন্দের অনুভূতি রয়েছে।

ফেনীতে এতিম শিশুদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘের মৌসুমি ফল বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ফেনীতে এতিম শিশুদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘের মৌসুমি ফল বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফেনী সদরের তেমুহনী বাজার এলাকার মৌলভী আবদুস সোবহান হিফযুল কুরআন এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে মৌসুমি ফল বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ফেনী সদর শাখা।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে এক অনুষ্ঠানে শিশুদের হাতে ফল তুলে দেন শাখার সদস্যরা। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে নিয়ে ফল খাওয়ার আনন্দ ভাগ করে নেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্ব। বসুন্ধরা শুভসংঘ সব সময় সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ফেন সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শারিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সম্পাদক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি জসিম ফরায়েজী। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সদর কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হাবিব জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশফাক হোসাইন, কোষাধ্যক্ষ মেজবাহ উদ্দিন রাজু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মহিন উদ্দিন,এবং সোনাগাজী উপজেলা কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জাফর মিয়াজী। ​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে এতিম শিশুদের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সরিষাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর)
পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সরিষাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

পুকুর, নদী-নালা ও বন্যার পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের হাসরা মাজালিয়া এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি জাকারিয়া আহমেদ ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান লিটন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন  বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহের উপস্থাপক ও আবৃত্তিকার আসাদুজ্জামান আসাদ। 

সচেতনতামূলক এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের পরিচালক আতিফ আসাদ, সোহানুর রহমান সোহান, সদস্য শাকিল আহমেদ, পিয়াস, অনিক, রাহাত মিয়া ও সাব্বির আহমেদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান আসাদ  বলেন, ‘১-৫ বছর বয়সী শিশুরা পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেক সময় ঘরের ভেতরে থাকা পানিভর্তি বালতি, টব, ড্রাম কিংবা অন্যান্য পাত্রই শিশুদের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি বলেন, ‘ছোট শিশুরা কৌতূহলবশত এসব পানির পাত্রের কাছে যায় এবং অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়ে বিপদে পড়ে। মাত্র কয়েক ইঞ্চি পানিতেও একটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। পরিবারের সদস্যরা একটু সচেতন হলেই এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সামিউল হক বলেন, ‘ব্যবহারের পর বালতি, টব বা ড্রামে থাকা পানি দ্রুত ফেলে দিতে হবে এবং পাত্রগুলো উল্টো করে রাখতে হবে। যদি কোনো কারণে পানি সংরক্ষণ করতে হয়, তাহলে শক্ত ঢাকনা দিয়ে ভালোভাবে বন্ধ রাখতে হবে, যাতে শিশুরা সহজে খুলতে না পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ছোট পানির পাত্র, মগ বা অন্যান্য জিনিস শিশুদের হাতের নাগালের বাইরে রাখতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের চলাফেরার সময় বড়দের বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি মমিনুল ইসলাম কিসমত বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। প্রত্যেক শিশুর নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। শিশুদের সুরক্ষার দায়িত্ব পরিবারের প্রতিটি সদস্যের।’

তিনি বলেন, ‘শিশুদের নিরাপত্তায় বাথরুমের দরজা সব সময় বন্ধ রাখা উচিত, যাতে তারা একা সেখানে প্রবেশ করতে না পারে। বিশেষ করে যারা হামাগুড়ি দেওয়া বা হাঁটা শেখে, তাদের প্রতি সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। পরিবারের সবাইকে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন।’

সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ন, নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং সামান্য সতর্কতাই পানিতে ডুবে মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে পারে।

অভয়নগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ২০ অসচ্ছল নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ | কালের কণ্ঠ