• ই-পেপার

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে এক দিনেই ৫ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গুতে এক দিনেই ৫ প্রাণহানি
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া গত এক দিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন চট্টগ্রাম বিভাগের, একজন ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন এলাকার, একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। 

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১২৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৯২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০ জনসহ এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৫ হাজার ৪৫৫ জন।

ব্রেন ক্যান্সার চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছে ভিটামিন বি১২, বলছে গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক
ব্রেন ক্যান্সার চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছে ভিটামিন বি১২, বলছে গবেষণা
ছবি : রয়টার্স

মস্তিষ্কের ক্যান্সার ‘গ্লিওব্লাস্টোমা’ নিরাময়ে একটি সম্ভাব্য নতুন পদ্ধতির সন্ধান পেয়েছেন গবেষকেরা। অনকোসায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাইট্রিক অক্সাইড সার্ভিসেস, এলএলসি ও ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক ফাউন্ডেশন টাউসিগ ক্যান্সার সেন্টার-এর গবেষক জোসেফ এ. বাউয়ারের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

সাধারণত গ্লিওব্লাস্টোমায় আক্রান্ত রোগীরা অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপির পরও ১৫ মাসের বেশি বেঁচে থাকেন না। এর প্রধান কারণ হলো মস্তিষ্কের রক্ত-মস্তিষ্ক প্রতিবন্ধক ক্যান্সারের ওষুধকে টিউমার টিস্যু পর্যন্ত পৌঁছাতে বাধা দেয়। তবে নতুন এই পদ্ধতিতে ভিটামিন বি১২-এর একটি পরিবর্তিত রূপ ব্যবহারের মাধ্যমে এই বাধা দূর করা সম্ভব বলে আশা করা হচ্ছে। গবেষকরা নাইট্রোসিলকোবালামিন নামের একটি বিশেষ যৌগ নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন, যা ভিটামিন বি১২-এর একটি রূপান্তরিত রূপ এবং এটি নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসরণ করে। প্রাণীদের ওপর করা পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই যৌগটি সফলভাবে রক্ত-মস্তিষ্কের বাধা অতিক্রম করে সরাসরি গ্লিওব্লাস্টোমা টিউমারের ভেতর জমা হতে পারে।

গবেষণায় প্রাপ্ত মূল সাফল্যগুলো হলো এই যৌগটি টিউমারের ভেতরে দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে। পরীক্ষার পর দেখা গেছে, সাধারণ টিস্যুতে ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা দ্রুত কমে গেলেও টিউমার টিস্যুতে তা অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বজায় ছিল। ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রচলিত ক্যান্সার থেরাপির সাথে যখন নাইট্রোসিলকোবালামিন মিশ্রিত করা হয়, তখন তা একক চিকিৎসার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালীভাবে টিউমার কোষের বৃদ্ধি দমন করতে পারে।

গবেষকদের মতে, গ্লিওব্লাস্টোমা ক্যান্সার সাধারণত যেসব জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা প্রতিরোধী হয়ে ওঠে, নাইট্রোসিলকোবালামিন সেগুলোকে ভাঙতে সাহায্য করে। এটি ক্যান্সার কোষগুলোকে চিকিৎসার প্রতি আরো বেশি সংবেদনশীল করে তোলে, ফলে সাধারণ ওষুধও টিউমারের ওপর কার্যকরভাবে কাজ শুরু করে। গবেষকরা জোর দিয়ে জানিয়েছেন যে, এটি একটি প্রাথমিক গবেষণা। মানুষের ওপর এই চিকিৎসা পদ্ধতি বাস্তবে প্রয়োগ করার আগে আরো দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা, সঠিক ডোজ নির্ধারণ ও বিস্তারিত পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হবে।

তবে সামগ্রিকভাবে এই ফলাফল চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বড় মাইলফলক। রক্ত-মস্তিষ্কের বাধা ভেদ করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই কৌশলটি আগামী দিনে নিউরো-অনকোলজির ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের কঠিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সম্পূর্ণ নতুন এবং কার্যকর একটি পথ দেখাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ জনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। রবিবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৪১ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১৬ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮২ হাজার ৮৪৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৭৯ হাজার ১৫২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬১৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল

অনলাইন ডেস্ক
সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে আজ রবিবার থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন-২০২৬। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং প্রায় ৫০০ অস্থায়ী কেন্দ্র, যেমন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটে ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা এই কাজে নিয়োজিত থাকবেন। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এ ছাড়া ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলার জন্য আরো চার দিন বিশেষ কার্যক্রম চলবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।