kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

আমিরাতে স্বাধীনতা উৎসব, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও লেখক সমাবেশ

এম আবদুল মন্নান, আমিরাত প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০১৯ ০৫:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



আমিরাতে স্বাধীনতা উৎসব, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও লেখক সমাবেশ

ছবি: কালের কণ্ঠ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় কবিতা মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা উৎসব আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা, শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কবি জহির উদ্দিনের "রুপালী গাঁয়ের ফুটন্ত কলি" বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, স্বাধীনতা স্বরচিত কবিতা পাঠ, সমবেত কণ্ঠে সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি গাওয়াসহ নানা আয়োজনে উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। গত শনিবার (৩০ মার্চ) আবুধাবীর মোচ্ছাফ্ফার রজনীগন্ধা খান সি আই পি হলরুমে বর্ণালী আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় কবিতা মঞ্চ, আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি ও সাহিত্যিক মুহাম্মদ মুসা’র সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট লেখক ও ব্যাংকার মোহাম্মদ জাফর উদ্দিন ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের  প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবিতা মঞ্চ,সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত প্রধান পৃষ্ঠপোষক, মিরসরাই সমিতির সম্মানিত সভাপতি, আল সুমাইয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান, শিল্পপতি ও মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি।প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন  জাতীয় কবিতা মঞ্চ, সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, শেখ খলিফা বিন যায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ এর ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আব্দুর রহিম, বিশেষ অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, জাতীয় কবিতা মঞ্চ, সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কবি ও লেখক জহির উদ্দিন,সহ প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি ও সাংবাদিক মনির উদ্দিন মান্না, শুভেচ্ছা বক্তব্য জাতীয় কবিতা মঞ্চ, সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, ডা. শেখ শামসুর রাহমান পিএইচডি।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই সমিতির উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাফর উল্লাহ্‌, জাতীয় কবিতা মঞ্চ, সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, শেখ খলিফা বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যাপিকা ও কবি জেবুন নাহার, সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, কবি মোহাম্মদ সেলিম, আবৃত্তি শিল্পী ইসমত রহমান, কবি রুজিনা বেগম, কবি নুরুল আমিন জয়, কবি আরাফাতুর ইসলাম চৌধুরী, কবি ও লেখিকা শারমিন সুলতানা শুভা, কবি নরুল গণি, কবি নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, কবি ও লেখক মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন  বোরহান, বাবু দীপক চন্দ্র দাসসহ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মানবতার কবি ফখরুল ইসলাম খান সি আই পি বলেন- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যাপক আকারে উদ্ভাসিত। অগ্রজদের হাত ধরে জাতীয় কবিতা মঞ্চের কবি সাহিত্যিকগণ প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ভাণ্ডার কে সমৃদ্ধ প্রসার করছে।

প্রধান বক্তা অধ্যাপক আব্দুর রহিম বলেন- মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প শোনান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা ৩০ লাখ তাজা প্রাণ হারিয়েছি। সাহিত্য হচ্ছে জাতির আবেগ উচ্ছ্বাস ভালোবাসার প্রতীক ঔপন্যাসিকরা সমাজের বিভিন্ন চিত্র যেমন শব্দশিল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন, তেমনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলীকে প্রতিপাদ্য করে শিল্প সার্থক পরিস্ফুটন ঘটিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আলম মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বলেন- ২৬ মার্চ আসে যখন তখন গর্বিত হয় মন। অনেক সংগ্রাম, লাখো মানুষের রক্ত, নানা বঞ্চনা আর শোষণের ইতিহাস পেছনে ফেলে আমরা দেখা পাই স্বাধীনতার। আমরা হই শৃঙ্খল মুক্ত বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি শহীদদের প্রতি জাতীয় কবিতা মঞ্চের প্রতি বিষম কৃতজ্ঞতা মুক্তি সংগ্রামের কবিতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প শোনার সুযোগ প্রদানে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, কবি ও লেখক জহির উদ্দিন বলেন-  কবি ও কবিতার আসরে এসে অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতি আবেশের গর্বিত হচ্ছি আগামী দিনের জাতিকে এ সাহিত্য দুর্যোগ, দুর্বিপাকে পথ দেখাবে, অনুপ্রেরণা জোগাবে।

সভাপতি কবি মুসা তার বক্তব্যে সকলকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে সকলের সহযোগিতায় এ ধরনের অনুষ্ঠান আরো করার আশা ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা