• ই-পেপার

পানিসম্পদমন্ত্রীর কাছে বাপার ১৪ দফা সুপারিশ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজে জাতীয় আলোচনার দাবি

মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবারের কল্যাণ এবং আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। 

আজ সোমবার মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকে উভয়পক্ষ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট কল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) জিয়াউদ্দীন আহমেদ এবং যুগ্মসচিব (সংযুক্ত) মো. জেহাদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলে ছিলেন নোট টেকার জোশ পোপ, প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার রিকি সালমিনা এবং প্রোটোকল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাদ বিন এলাহী।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এ সময় সচিব বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন, স্মৃতি, ইতিহাস ও আদর্শ সংরক্ষণ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও নির্ভুল তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

বৈঠকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপও তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’-এর আওতায় ৮৪৩ জন শহীদ এবং ১৫ হাজার ৩০ জন আহত যোদ্ধার ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। শহীদ পরিবারের জন্য জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা অনুদান ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। 

এছাড়া গুরুতর আহতদের জন্য ক্যাটাগরি ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ অনুযায়ী যথাক্রমে ৫ লাখ, ৩ লাখ ও ১ লাখ টাকা এককালীন অনুদান এবং নিয়ম অনুযায়ী মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫৪ জন সংকটাপন্ন আহতকে সরকারি খরচে থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও রাশিয়ায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ খাতে ৪৪৮ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। 

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আর্কাইভস ও স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতিহাস সংরক্ষণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং তথ্যভাণ্ডার তৈরিতে মার্কিন পাবলিক ডিপ্লোমেসি টিমের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।

বৈঠক শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান মার্কিন রাষ্ট্রদূতের হাতে বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাবলি বিষয়ক গ্রন্থ ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’, ‘বেগম খালেদা জিয়া: দ্য লাইফ অ্যান্ড স্টোরি’সহ কয়েকটি স্মারকগ্রন্থ ও উপহারসামগ্রী তুলে দেন।
 

সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সিটিটিসি ইউনিট প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সিটিটিসি ইউনিট প্রধান

দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার মতো কোনো লক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক। তবে সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য ও নিজস্ব ডাটাবেইসের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এসব  কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কেরানীগঞ্জসহ কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা এবং সর্বশেষ মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ছাতার ভেতরে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনার পর দেশে উগ্রবাদী তৎপরতা বাড়ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে সে ধরনের কোনো আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি দেখছি না। আমরা অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য এবং আমাদের নিজস্ব ডাটাবেইসের মাধ্যমে উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়মিত নজরদারি করছি। কোথাও কোনো তথ্য বা সংবাদ পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে কি না— এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই এমন কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে দেশের মধ্যে আশঙ্কাজনক কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না।’

মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোম ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন করে। ঘটনাটি বর্তমানে পুলিশের মতিঝিল বিভাগ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কারা জড়িত বা তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।

জঙ্গিবাদ-সংক্রান্ত মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, গ্রেফতারের বিস্তারিত পরিসংখ্যান পরে জানানো হবে। তবে আলোচিত ফাতা কমব্যাট মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে আরো কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, ‘সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অভিযান আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।’
 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার বিতরণ

দেশব্যাপী আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের জাতীয় পর্যায়ের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মাঠ প্রদক্ষিণ করে গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছার জবাব দেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রধানমন্ত্রী বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনাল এবং বালিকা ও বালকদের ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’ স্লোগানে গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা।’

উপজেলা ও জেলা পর্যায় থেকে ১২-১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার খুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ আয়োজন দেশের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

‘সিদ্ধান্তহীন’ পে স্কেলের বৈঠক, গেজেটের অপেক্ষা বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
‘সিদ্ধান্তহীন’ পে স্কেলের বৈঠক, গেজেটের অপেক্ষা বাড়ল
সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আরো সময় লাগতে পারে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে সচিব কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, গেজেট প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আরো দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

রবিবার (২৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন সচিব কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ, এর আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, পে স্কেল-সংক্রান্ত ফোকাল কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে আর্থিক চাপ বিবেচনায় রেখে সংস্থাটি এ মতামত দিয়েছে। সম্প্রতি আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরের সময় অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে।

তবে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা আইএমএফের এই পরামর্শ পুরোপুরি গ্রহণে আগ্রহী নন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে, যদিও গেজেট প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী অক্টোবরের আগে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটিকে এ বিষয়ে আরো অন্তত দুই থেকে তিনটি বৈঠক করতে হতে পারে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হলেও দ্রুত কাজ শেষ করারও চেষ্টা থাকবে।

সচিব কমিটির সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের পর মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে অর্থ বিভাগ নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করবে।

সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে কমিশনের সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

রবিবার বৈঠকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য আর্থিক চাপ, বাজেট ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি আইএমএফের আপত্তি ও পর্যবেক্ষণও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা, দেশে গ্যাস সরবরাহের চাপ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত ব্যয় কতটা যৌক্তিক হবে, সে বিষয় পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, আইএমএফ চায় নতুন পে স্কেলের বিষয়টি অন্তত অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখা হোক। এতে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইএমএফের বার্ষিক সভায় নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনার সময় পে স্কেলের সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হবে।

পরে নভেম্বরে আইএমএফের আরেকটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করতে পারে। সে সময় নতুন ঋণ কর্মসূচি এবং পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়েও আরো আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ