• ই-পেপার

আনসার ক্যাডার ছেড়ে প্রশাসন ও পুলিশে তিন কর্মকর্তা

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাসের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলাল জানতে চান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের তালিকা এবং যারা গণহত্যার স্বীকার হয়েছেন তাদের তালিকা করা হবে কি না; এ বিষয়ে শহীদ পরিবারের সঠিক সংখ্যা ও গণহত্যার সঠিক তালিকা প্রকাশ করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না; থাকলে তা কবে নাগাদ শুরু হতে পারে?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা অর্জন করেছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।’

এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সব শহীদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেওয়া সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বদরবারে শক্তিশালী হবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বদরবারে শক্তিশালী হবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড
সংগৃহীত ছবি

দেশে আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও সংযোজনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে সরকার যুগোপযোগী শুল্ক সুবিধা প্রদান করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেক্টরে স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড বিশ্বদরবারে আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সুলতানা আহমেদের (৩১৭ মহিলা আসন-১৭) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, নোটবুক, নোটপ্যাড, ট্যাব, সার্ভার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, রাউটার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস, মনিটর, ডিজিটাল ওয়াচ ও মোবাইল প্রযুক্তি পণ্য দেশে উৎপাদন ও সংযোজনের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই খাত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের সুবিধার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এসব পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস শুল্ক, সমুদয় সম্পূরক শুল্ক, সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি এবং সমুদয় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) মওকুফ করা হয়েছে।

একইভাবে দেশে এসব পণ্য সংযোজনে (অ্যাসেম্বলিং) ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস শুল্কসহ সমুদয় সম্পূরক শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি এবং মূল্য সংযোজন কর মওকুফ করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান।

এই সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন যুগোপযোগী শুল্ক সুবিধার ফলে দেশের বাজারে অনেক কম দামে বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তি পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হবে। এর ফলে শিক্ষা, স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য অভূতপূর্ব কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতি আনবে।

সংসদে বিবৃতি

এইচএসসি পরীক্ষা, প্রশ্নে ভুল নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি পরীক্ষা, প্রশ্নে ভুল নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন মন্ত্রী
ফাইল ছবি

বৈরী আবহাওয়া ও অনিবার্য কারণে এইচএসসি ও সমমনা পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম বোর্ডের সঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বিষয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একটি বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্র প্রশ্নে ভুল করা কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছেন মন্ত্রী। ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়া পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

সংসদে দেওয়া বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। সম্প্রতি ভারি বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচ জেলায় (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান) অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও দেশের কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও বহুবিধ কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে একই তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হলো বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি আবারও আশ্বস্ত করছি পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্র ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে ফ্যাসিবাদের ফেরার পথ সুগম হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে ফ্যাসিবাদের ফেরার পথ সুগম হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা যদি ধরে রাখা না যায়, তবে ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার পথ সুগম হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। 

তিনি বলেন, ‘আমরা আর কখনো শৃঙ্খলিত হতে চাই না। আমাদের গণতন্ত্রকে আর কখনো স্বৈরাচারী শক্তি অবদমিত বা পদদলিত করতে পারবে—সেটা আমরা হতে দেব না। সে জন্যই আমরা সংবিধানের ও রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই।’

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগকে প্রশাসনিক আদেশে নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে মত দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এক্সিকিউটিভ অর্ডারে (প্রশাসনিক আদেশে) কোনো রাজনৈতিক দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করাকে সঠিক মনে করি না। এটি জুডিশিয়াল প্রসেস বা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদী মাফিয়া সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক, সেটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ব্যক্তি ও সংগঠন—উভয়েরই বিচার করার বিধান রয়েছে। সেই আলোকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করার আইনি প্রক্রিয়া সচল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে বড় বড় কথা বলছেন। আমরা আইনানুগভাবে প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি অনুসারে ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের সময় থেকেই তাকে ফিরিয়ে আনার চিঠি ও তাগাদাপত্র দিয়েছি। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। গতকাল পার্লামেন্টেও আমি স্পষ্টভাবে বলেছি, তার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। তাকে দেশে আনা মাত্রই গ্রেপ্তার করা হবে।’

এ ছাড়া বিদেশে পলাতক সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ ও অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি খুব শিগগির তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে।’

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘২৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের যে স্ফুলিঙ্গ প্রকাশ পেয়েছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তার সফল সমাপ্তি ঘটে। ১৫ জুলাই যখন আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়, আমি তখন নির্বাসনে ছিলাম। কিন্তু আমার সব মনোযোগ ও সহযোগিতা আন্দোলনের সঙ্গেই ছিল। তখন বিদেশে বসেই তন্নী নামের এক ছাত্রীর ওপর ছাত্রলীগের বর্বর হামলার ছবি দেখেছিলাম, যা পরে বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয় এবং আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ১৬ জুলাই আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে আমার গ্রামের সন্তান ওয়াসিম আকরাম এবং পরবর্তীতে মুগ্ধসহ শত শত বীর সন্তান শহীদ হন।’

তিনি আরো বলেন, ‘নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যেভাবে হিটলারের নাৎসি সংগঠন ও গ্যাস্টাপো বাহিনীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, বাংলাদেশেও রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না। অথচ অত্যন্ত লজ্জার বিষয়, এই গণহত্যার জন্য তাদের মধ্যে ন্যূনতম কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার বালাই নেই।’

আন্দোলনের কৃতিত্ব একক কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করি। এই আন্দোলনের একক কৃতিত্ব কারও নয়, দেশের সমস্ত সাধারণ জনগণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। এই কৃতিত্ব সাধারণ মানুষের।’

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের বয়স হয়ে গেছে, আমরা তোমাদের কাছে এক নতুন বাংলাদেশ রেখে যাচ্ছি। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন ৭১-এর শহীদরা এবং ২০২৪-এর জুলাইয়ের শহীদরা দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব এখন তোমাদের।’