• ই-পেপার

সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় কড়াকড়ি

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা দেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়েছে, আইরিন খান এ পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
 
আইরিন খান বর্তমানে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্বে আছেন। 
 
এর আগে তিনি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্পিডিং ফাইন ও বকেয়া জরিমানার নামে প্রতারণার ফাঁদ, সতর্ক করল বিআরটিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্পিডিং ফাইন ও বকেয়া জরিমানার নামে প্রতারণার ফাঁদ, সতর্ক করল বিআরটিএ
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে ‘স্পিডিং ফাইন’, ‘ট্রাফিক জরিমানার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি’ কিংবা ‘বকেয়া জরিমানার’ ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে প্রতারণা করছে একটি অসাধু চক্র। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পাশাপাশি মোবইলে এমন মেসেজ আসলে লিংকে ক্লিক না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভিস পোর্টালের (বিএসপি) আদলে প্রস্তুতকৃত জাল ওয়েবসাইট বা পোর্টাল ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র প্রতারণা করছে। চক্রটি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘ট্রাফিক জরিমানার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি’ বা ‘স্পিডিং ফাইন বকেয়া রয়েছে, দ্রুত পরিশোধ করুন’ অথবা ‘আপনার বকেয়া জরিমানা আছে’ এ ধরনের বার্তা মোবাইলে প্রেরণ করছে।

এ ছাড়া এমন বার্তা বা মেসেজের সঙ্গে চক্রটি কিছু নির্দিষ্ট (bsbrtcar-bdpay.sbs ev bspbrtcar-govbd.online, bspbrtn-gov.cc, bspbrtcar-payfeebd.icu, bspbrtn-gov.cc, bsp.brtagov.top, bsp.brta.vu/bd, bsapqzc.lat ev bsp.brtas.cfd) অথবা অন্য কোনো লিংক প্রেরণ করছে, যা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের (বিএসপি) আদলে প্রস্তুত করা হলেও এসব জাল ওয়েবসাইট বা পোর্টালের সঙ্গে বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টালের প্রকৃত লিংক bsp.brta.gov.bd বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক কার্যক্রম।

এই অবস্থায় মোবইলে এমন মেসেজ আসলে লিংকে ক্লিক না করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনো তথ্য বা আর্থিক লেনদেন না করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ কৃর্তপক্ষ। সেই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারকচক্রের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে (স্থানীয় থানা বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে) অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাসস
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব, পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি কর্তব্য। তিনি বলেন, আজকের একটি বৃক্ষই হতে পারে আগামী দিনের নির্মল পরিবেশ, সুস্থ জীবন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি। তাই আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করি। বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় দায়িত্ব ও সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করাই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।

‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ শুরু হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাণিকুলের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বৃক্ষরাজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দ্রুত নগরায়ণ, বনভূমি হ্রাস, পরিবেশদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরী প্রভাবে বাংলাদেশ পরিবেশগত নানা সংকটের সম্মুখীন। এসব সংকট মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের এক সবুজ বিপ্লবে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি বনভূমি, প্রান্তিক ভূমি, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ অভিযান। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের এ সকল যুগান্তকারী কর্মসূচি একটি সবুজ, টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরো বলেন, এ বছর ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশপ্রাপ্ত সব উপকারভোগীকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
সংগৃহীত ছবি

ভিসা পলিসি, ২০২৬-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ ছাড়া কমিটির সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী (চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন)।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, নবগঠিত এই কমিটি ‘ভিসা পলিসি, ২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করবে। এ ক্ষেত্রে কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

এ ক্ষেত্রে কমিটি কর্তৃক পরিমার্জনের পর ভিসা পলিসি, ২০২৬-এর খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরবর্তী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।