• ই-পেপার

লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও স্বল্প সুদে ঋণ সম্প্রসারণে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে : শিল্পমন্ত্রী

ইউরোপে কর্মসংস্থানে আনসার-ভিডিপির নারী সদস্য বাছাই শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউরোপে কর্মসংস্থানে আনসার-ভিডিপির নারী সদস্য বাছাই শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

ইউরোপে বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর লক্ষ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৩০০ নারী সদস্য বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্বাচিত সদস্যদের ইউরোপের দেশ মলদোভায় কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা হবে বুধবার (৮ জুলাই) আনসার সদরদপ্তরে এ কার্যক্রমের প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয়। 

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে ঢাকা মহানগর আনসারের (ডিএমএ) শহর প্রতিরক্ষা দল (টিডিপি) থেকে সদস্যদের বাছাই করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগর আনসার উত্তর ও পূর্ব জোনের প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৩৯ জন নারী সদস্য এতে অংশ নেন।

আনসার কর্তৃপক্ষ জানায়, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ রাখতে পাঁচটি পৃথক বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা যাচাই ও মৌখিক পরীক্ষাসহ প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রার্থীরা নিজ নিজ স্মার্টফোন ব্যবহার করে গুগল ফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে তাদের উচ্চতা, ওজনসহ শারীরিক যোগ্যতা যাচাই এবং পাঁচটি কমিটির সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ডের সামনে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

পরীক্ষার প্রতিটি ধাপের নম্বর বিশেষায়িত সফটওয়্যারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধাতালিকা প্রস্তুত করায় মানবীয় হস্তক্ষেপ বা কারচুপির সুযোগ থাকছে না।

প্রথম ধাপ শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা মহানগর আনসার দক্ষিণ ও পশ্চিম জোনের আরো ১৬১ জন নারী সদস্য একই প্রক্রিয়ায় বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

আনসার সদরদপ্তর জানায়, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি ইউরোপের সমাজ-সংস্কৃতি, কর্মপরিবেশ ও ভাষাগত প্রস্তুতির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যাতে তারা বিদেশে গিয়ে সফলভাবে কাজ করতে পারেন।

এই উদ্যোগ সফল হলে দালালনির্ভর ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের পরিবর্তে বৈধ, নিরাপদ ও মেধাভিত্তিক জনশক্তি রপ্তানির একটি নতুন মডেল তৈরি হবে। একই সঙ্গে নারীদের কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো শক্তিশালী হবে।

সংসদে ভূমিমন্ত্রী

খাসজমি উদ্ধার করে ভূমিহীনদের মাঝে বিতরণ করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
খাসজমি উদ্ধার করে ভূমিহীনদের মাঝে বিতরণ করা হবে

খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ভূমিদস্যুমুক্ত খাসজমি নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের মধ্যে এসব জমি বিতরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যেই সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে খাসজমি উদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কোনো এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারি খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা পর্যন্ত জমি দেওয়ার বিষয়ও বিবেচনা করা হবে।

তিনি বলেন, অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতা এবং স্থানীয় ভূমিদস্যুদের দখলের কারণে অনেক সরকারি জমি বেহাত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেসব জমি উদ্ধার করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, মাঠ পর্যায়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি খাসজমি উদ্ধার এবং প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সংসদে সরকারদলীয় এমপি

গ্রামে গেলে বিদ্যুৎ ইস্যু আমাদের বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামে গেলে বিদ্যুৎ ইস্যু আমাদের বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে

গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুৎ এখন বড় ইস্যু উল্লেখ করে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেছেন, ‘আমরা যখন গ্রামে যাই এই ইস্যু আমাদের বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে।’

বুধবার (৮ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা বলেন তিনি।

সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানান, তার নির্বাচনী এলাকা মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৩ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ২৭ মেগাওয়াট। আবার অফ-পিক সময়ে ৩৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট। ফলে গড়ে ৩৪ থেকে ৩৮ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে।

এ পরিস্থিতি থেকে কবে নাগাদ উত্তরণ সম্ভব হবে এবং এলাকাবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করা যাবে, সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তিনি।

জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলে মূল সমস্যা ট্রান্সমিশন লাইনে। এ কারণে নতুন ট্রান্সমিশন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে বড় আকারের টাওয়ার নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় কাজ বিলম্বিত হয়েছে। জয়দেবপুর-শম্ভুগঞ্জ ট্রান্সমিশন লাইনের জন্য ভালুকা এলাকায় এক জমির মালিকের করা মামলায় সরকার বিজয়ী হলেও এখনো পুরোপুরি কাজ শুরু করা যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু করা গেলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দেশে বর্তমানে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে বর্তমানে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু নেই। ফলে এসব কেন্দ্রের বিপরীতে কোনো ক্যাপাসিটি চার্জও পরিশোধ করা হচ্ছে না।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (জামালপুর-৩)-এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তবে তিনি জানান, শাহজিবাজার পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের ৮৬ মেগাওয়াট এবং আশুগঞ্জের প্রিসিশন এনার্জি লিমিটেডের ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে এবং কেন্দ্র দুটি বর্তমানে চালু রয়েছে।

সংসদে মন্ত্রী জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শাহজিবাজার পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড (৮৬ মেগাওয়াট) এবং প্রিসিশন এনার্জি লিমিটেড, আশুগঞ্জের (৫৫ মেগাওয়াট) সঙ্গে ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে এবং কেন্দ্র দুটি বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে।

ক্যাপাসিটি চার্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু না থাকায় এসব কেন্দ্রের বিপরীতে কোনো ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করা হচ্ছে না।

এ ছাড়া বর্তমানে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের বিদ্যমান কোনো চুক্তিও নেই বলেও জানান জ্বালানিমন্ত্রী।