• ই-পেপার

মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা

সড়কে কোবরার ‘ধ্যান’, ৩০ মিনিট যানজট

অনলাইন ডেস্ক
সড়কে কোবরার ‘ধ্যান’, ৩০ মিনিট যানজট
সংগৃহীত ছবি

হঠাৎ প্রাকৃতিক আবাসস্থল থেকে অত্যন্ত বিষধর একটি কোবরা সাপের দেখা মিলল জনবসতিপূর্ণ একটি রাস্তায়। দীর্ঘ সময় মাঝ রাস্তায় ফণা তুলে বসে ‘ধ্যানে’ থাকায় থমকে গেছে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল। এ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে কোবরাটিকে উদ্ধার করে সরিয়ে নেয় পুলিশ। এসব কাণ্ডে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। 

এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর প্যালেস রোডে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অনেকে এটিকে ‘ভিআইপি কোবরা’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ফণা তুলে থাকা কোবরাটিকে দেখে চালক ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে থাকে এবং অনেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেখানে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বেঙ্গালুরুর ট্রাফিকের নতুন ভিআইপি ছিল একটি কোবরা।’

আরেকজন রসিকতা করে মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে সাপটি রাস্তার মাঝখানেই ৩০ মিনিটের ধ্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তাও আবার ফণা তুলে।’

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে কোবরাটিকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়। এরপরই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এতে কোনো মানুষ বা সাপের ক্ষতি হয়নি।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় প্রাকৃতিক আবাসস্থল থেকে সাপ জনবসতিপূর্ণ এলাকায় চলে আসার ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। এই ঘটনাও নগরায়ণ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংস্পর্শের আরেকটি উদাহরণ।

চলতি পথে হানিমুন!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
চলতি পথে হানিমুন!
সংগৃহীত ছবি

হানিমুন নিয়ে অনেকের অনেক রকম পরিকল্পনা থাকে। বিয়ের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে ও একান্তে সময় কাটাতে নবদম্পতি তাদের পছন্দের কোনো জায়গায় বেড়াতে যান। অনেক হোটেলে হানিমুন স্যুইট থাকে। তবে ভারতের মহারাষ্ট্রের জালনা এলাকার এক দম্পতির ভাবনা ছিল ভিন্ন। তারা চেন্নাইগামী একটি ট্রেনের প্রথম শ্রেণির এসি কেবিনকেই বদলে নিয়েছিলেন হানিমুন স্যুইট। 

মহারাষ্ট্রের সাজসজ্জা প্রতিষ্ঠান ‘রাহাত রুম ডেকোরেশন’ নবদম্পতির হয়ে আগে থেকে বুক করা ট্রেনটির একটি কামরাকে হানিমুন স্যুইটে বদলে দেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের পোস্ট এক ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল। অনেকেই অভিনব এই দুর্দান্ত এবং রোমান্টিক ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে বিশেষ কোনো উপলক্ষ উদযাপনের একটি স্মরণীয় উপায় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে অনেকেই আবার এ ক্ষেত্রে রেলওয়ের নিয়ম মানা হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন।

ভিডিওটি শুরু হয় একটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের দৃশ্য দিয়ে, যা পরে কোচের করিডর বা ভেতরের যাতায়াতের পথ দিয়ে ভেতরের দিকে এগিয়ে যায়। ক্যামেরা যখন একটি নির্দিষ্ট কূপের কাছে পৌঁছায়, তখন সেটির প্রবেশপথটি গোলাপি রঙের পুঁতির পর্দা দিয়ে আলাদাভাবে নজর কাড়ে, যা হার্ট বা হৃদয় আকৃতির কাট-আউট দিয়ে সাজানো ছিল। ভেতরে কামরাটিকে একটি সাধারণ ট্রেনের কামরার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা দেখাচ্ছিল। লাল এবং সাদা রঙের বেলুন ছাদটিকে ঢেকে রেখেছিল, আর মেঝেজুড়ে ছড়ানো ছিল গোলাপের পাপড়ি। তাজা ফুলের তোড়া এবং গোলাপ, গাঁদা ও রজনীগন্ধা দিয়ে তৈরি মালা দেয়াল ও জানালাগুলোকে সুশোভিত করে তুলেছিল। দেয়ালে লেখা ছিল ‘আই লাভ ইউ’।

ভাইরাল ভিডিওতে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, যাত্রীদের এভাবে বিস্তারিতভাবে রেলের কোচ সাজানোর অনুমতি আছে কি না। বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা এবং বেলুন, কাগজ ও ফুলের মতো সাজসজ্জার সামগ্রী আগুন লাগার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে কি না বা রেলের নিয়মকানুন লঙ্ঘন করে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী রসিকতা করে এই কোচটির নাম দিয়েছেন ‘সুহাগরাত এক্সপ্রেস’ বা ‘হানিমন অন হুইলস’। চলন্ত ট্রেনে এই ধরনের ব্যবস্থার ব্যবহারিকতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিম এবং কৌতুকের বন্যা বয়ে গেছে।

তবে রেল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কামরাটি সাজানোর ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি। তাদের মতে, যেহেতু যাত্রী ফার্স্ট এসি কেবিনের দুটি বার্থই বুক করেছিলেন, তাই কামরাটি কার্যকরভাবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। কর্মকর্তারা আরও যোগ করেছেন যে, এই সাজসজ্জার ফলে রেলের সম্পত্তির কোনো ক্ষতি হয়নি বা ট্রেন পরিচালনায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি এবং এই ধরনের ব্যবস্থা নিষিদ্ধ করার মতো সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। 

‘রাহাত রুম ডেকোরেশন’ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেবিনটি জালনার একটি দম্পতির জন্য বুক করা হয়েছিল। তারা জানান, দম্পতি যখন গাড়ি করে ঔরঙ্গাবাদ থেকে জালনা রেলওয়ে স্টেশনে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের টিম আগেভাগেই ট্রেনের কামরাটি সাজিয়ে রেখেছিল।

নিরাপত্তার স্বার্থে নবদম্পতির পরিচয় প্রকাশ করা না হলেও অনেকে তাদের শুভ কামনা জানিয়েছেন।

উপসাগরে ৬ হাজার নাবিক আটকা

অনলাইন ডেস্ক
উপসাগরে ৬ হাজার নাবিক আটকা
রয়টার্স ছবি

উপসাগরীয় অঞ্চলে শত শত জাহাজে কর্মরত প্রায় ৬ হাজার নাবিক এখনো আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ। তিনি সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।

গত দুই দিনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী একাধিক জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়ে ডোমিঙ্গেজ বলেন, এসব হামলায় নিরীহ নাবিকদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

নাবিকদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘শুধু নিজের দায়িত্ব পালন করার কারণে কোনো নাবিকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়া উচিত নয়।’

পতাকাবাহী রাষ্ট্র, জাহাজের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আইএমও প্রধান বলেন, ‘নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এড়িয়ে চলা উচিত।’

ডোমিঙ্গেজ আরো বলেন, সাম্প্রতিক হামলাগুলো উপসাগরে আটকে থাকা প্রায় ৬ হাজার নাবিকের মধ্যে আগে থেকেই থাকা ভয়, অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী-সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ৩০

অনলাইন ডেস্ক
বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী-সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ৩০
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে অন্তত ১৯ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে তীব্র গোলাগুলিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, বুধবার এন-২৫ মহাসড়কের ঝাও ক্রস ও কারারো এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ নামের ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ওই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছিল। সংঘর্ষের পর আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী

জনজীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রদেশের মহাসড়কগুলোকে নিরাপদ রাখার অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে বেলুচিস্তানে শান্তি বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও জানায় নিরাপত্তা বাহিনী।

এর আগে গত সোমবার গভীর রাতে বেলুচিস্তানের জিয়ারত জেলায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হন বলে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।